ঘোমটা পরে সিটি নির্বাচনে আসবে বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

Reporter Name / ২৫৬ ooo
Update : মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সরাসরি না এলেও ঘোমটা পরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রতীক (ধানের শীষ) ছিল না,

কিন্তু ঘোমটা পরে সবখানেই তাদের প্রার্থী ছিল। এই ঘোমটা পরা প্রার্থী কিন্তু সিটি নির্বাচনেও থাকবে। সিলেটের বর্তমান মেয়র আরিফ অলরেডি ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যান্য সিটিতেও ঘোমটা পরা তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে। এটা তাদের রাজনীতির আরেক ভণ্ডামি।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন উপলক্ষ্যে মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদাহ ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের নিয়ে এ সভা হয়।

এতে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, আওয়ামী লীগের উপপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ জেলাগুলোর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা মহল বিএনপির নেতৃত্বে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত দিবসগুলোকে অস্বীকার করে, পালন করে না, উপেক্ষা করে। এর মধ্যে ১৭ এপ্রিল একটি। এদিন দেখবেন বিএনপির কোনো কর্মসূচি নেই। ৭ মার্চ তারা পালন করে না। স্বাধীনতার পথে স্বাধিকার আন্দোলনে ৭ জুন গুরুত্বপূর্ণ। এদিনও তারা পালন করে না। এরা নাকি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী! দেখবেন তাদের বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধু নেই। তাদের অনুষ্ঠানমালায় বঙ্গবন্ধু নেই। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার মহানায়ক নেই।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যা শুরু করে দিয়েছিল সেই ধারা বিএনপি এখনো অব্যাহত রেখেছে। ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি এমনটা করেছে, এখনো তারা সেই ভাবধারা বহন করছে। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় তারা বিশ্বাস করে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক মাত্র। ঘোষণার পাঠক ঘোষক হতে পারে না। স্বাধীনতার ঘোষণা অনেকেই পাঠ করেছেন। স্বাধীনতা ঘোষণার একমাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধুর। সত্তরের নির্বাচনে জনগণ তাকে সেই ম্যান্ডেট দিয়েছিল। তিনি বলেন, সুদীর্ঘ ও সুবিশাল ইতিহাস স্বাধীনতা সংগ্রামের।

একটা বাঁশির ফুঁতে হয়নি। সেখানে বীরের বীরত্ব আছে, পাশাপাশি ষড়যন্ত্রও আছে। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের ফুটনোট হতে পারে, তাকে নায়ক-মহানায়ক বানানো বিএনপির উদ্ভট কল্পনা, যার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। তিনি আরও বলেন, আজকে স্বাধীনতার আদর্শ ও চেতনাবিরোধী অপশক্তি বিস্তার করছে। এই বিষবৃক্ষ উৎপাটন পর্যন্ত আমাদের লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আগামী নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপির নেতৃত্বের অপরাজনীতিকে পরাজিত করতে হবে।

 

Advertisement


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

More News Of This Category