উদ্বোধনী ম্যাচে রাজশাহীর দাপুটে জয়

মেঘনা ডেস্ক / ৬৫ ooo
Update : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সিলেট টাইটান্সকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করে রাজশাহী ১৯.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান তুলে নেয়।

ধীরগতির শুরু করেছিলেন শান্ত। প্রথম ৮ বলে করেন মাত্র ২ রান। তবে ষষ্ঠ ওভারে সাইম আইয়ুবকে টানা তিনটি চার মেরে ইনিংসের গতি বাড়ান তিনি। এরপর একই ছন্দে খেলতে থাকেন। ইনিংসের শেষ ওভারে হজরতউল্লাহ জাজাইয়ের মিস ফিল্ডিংয়ের সুবাদে ডাবলসে সেঞ্চুরি পূর্ণ হয় শান্তর।

অন্য প্রান্তে মুশফিকুর রহিম ছিলেন সাবলীল। দুজনের অপরাজিত ১৩০ রানের জুটিতে দুই বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে রাজশাহী। শান্ত ৬০ বলে ১০১ এবং মুশফিক ৩১ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। ৭১ বলে এই জুটিতে আসে ১৩০ রান।

লক্ষ্যে নেমে রাজশাহী শুরুটা করে ধীরগতিতে। প্রথম পাঁচ ওভারে তানজিদ হাসানের উইকেট হারিয়ে তোলে ৩০ রান। তানজিদ ৮ বলে ১০ রান করেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে শান্তের টানা তিন চারে গতি পায় ইনিংস।

অষ্টম ওভারে শাহিবজাদা ফারহান (২০) আউট হওয়ার আগে একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান শান্ত। ১২তম ওভারে টানা দুই চার মেরে ৩৬ বলে ফিফটির দেখা পান তিনি। পরের তিন ওভারে শান্ত–মুশফিক জুটির ব্যাটে আসে ৪৪ রান। ৫৫ বলে এই জুটি ১০০ রান পূর্ণ করে। ইনিংসের শেষ ওভারে ৫৮ বলে ১০ চার ও ৫ ছক্কায় বিপিএলে নিজের দ্বিতীয় শতক পূর্ণ করেন শান্ত। মুশফিকও চারটি চার ও দুটি ছক্কায় হাফ সেঞ্চুরি তুলে ম্যাচ জেতান।

এর আগে সিলেটের হয়ে পাওয়ার প্লেতে ঝড়ো শুরু করেন সাইম আইয়ুব। পঞ্চম ওভারে ১৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ২৮ রান করে আউট হন তিনি। ৩৬ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর হজরতউল্লাহ জাজাই (২০) বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। রনি তালুকদারের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৩২ রানের।

এরপর ইমন ও রনির জুটি বড় না হলেও ইমন পরে আফিফ হোসেনকে নিয়ে দলের স্কোর এগিয়ে নেন। এক বল বাকি থাকতে ৪১ বলে ৮৬ রানের জুটি ভাঙে। ইমন ২৮ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ফিফটি করেন। আফিফ ১৯ বলে ৩৩ রানে আউট হন। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category