গাজায় যুদ্ধবিরতিতে ইসরায়েলের ৩ ধাপের প্রস্তাব, হামাসের ইতিবাচক সাড়া

Reporter Name / ১৫৭ ooo
Update : রবিবার, ২ জুন, ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক

বাইডেন বলেন, প্রস্তাবের প্রথম ধাপে বলা হয়েছে—ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে ইসরায়েলি বাহিনী গাজার সব জনবহুল এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে। হামাসের হাতে বন্দী বয়স্ক ও নারীসহ কিছুসংখ্যক জিম্মিকে ইসরায়েলি কারাগারে শত শত বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হবে। ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকেরা গাজায় তাঁদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারবেন। গাজায় প্রতিদিন মানবিক সহায়তা নিয়ে ৬০০ ট্রাক প্রবেশ করবে।

এই পর্যায়ে হামাস এবং ইসরায়েল একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করবে। যদি এই আলোচনা ছয় সপ্তাহ সময়সীমার মধ্যে শেষ না হয়, তাহলে পরিকল্পনার প্রথম পর্ব বা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়বে।

দ্বিতীয় ধাপে বাইডেন বলেছেন, হামাসের হাতে বন্দী পুরুষ সেনাসহ অবশিষ্ট সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে। বিনিময়ে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির সূচনা ঘটবে।

যুদ্ধবিরতির তৃতীয় ধাপে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনের জন্য নেওয়া হবে বৃহৎ পরিকল্পনা। তখনো হামাসের হাতে কোনো জিম্মি থেকে গেলে তাদের মুক্তি এবং পরিবারের কাছে ফেরত পাঠানো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এই ধাপে।

জো বাইডেন বলেছেন, এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার এবং পরের দিন শুরু হওয়ার সময় এসেছে। তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ইসরায়েল) গাজা দখল করতে চায়। এ কারণেই তারা সেখানে বছরের পর বছর ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আগ্রহী এবং জিম্মিদের মুক্তির ব্যাপারেও তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আমি জানি, যে পরিকল্পনা আমি প্রস্তাব করছি তাতে ইসরায়েলি নেতৃত্বের একটি অংশ ব্যাপকভাবে আপত্তি জানাবে। কিন্তু তার পরও আমি ইসরায়েলের নেতৃত্বকে এই পরিকল্পনা সমর্থনের উদাত্ত আহ্বান জানাব।’

বাইডেনের এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হামাস।

স্বাধীনতাকামী এই সশস্ত্র সংগঠন বলেছে যে, তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার, গাজা পুনর্গঠন, বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবর্তন এবং ইসরায়েলের ‘প্রকৃত’ বন্দী বিনিময় চুক্তির ভিত্তিতে যেকোনো প্রস্তাবের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক উপায়ে যোগ দিতে প্রস্তুত।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় বলেছে যে, নেতানিয়াহু তাঁর আলোচনাকারী দলকে চুক্তিটি উপস্থাপন করার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন। সেই সঙ্গে নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘যুদ্ধের সব লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হবে না। যুদ্ধের লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে আমাদের সব জিম্মির প্রত্যাবর্তন এবং হামাসের ধ্বংস।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

More News Of This Category