গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি রাজিব হায়দার সাদিম বর্তমানে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী। সম্প্রতি তার বিয়ের কাবিননামা ও স্ত্রীর ছবি বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এনিয়ে গাজীপুরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
কাবিননামার কাগজটিতে দেখা যায়, ২০২০ সালের ১৬ মে টঙ্গীর কাঠালদিয়া এলাকার হাজী জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস জেরিনের সাথে বিয়ে হয় রাজিব হায়দার সাদিমের। টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার নিকাহ রেজিস্ট্রার দ্বীন ইসলাম ভলিউমের ৫০ নাম্বার পৃষ্টায় তাদের বিয়ের রেজিস্ট্রি করেন। কাবিননামায় দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় দশ লাখ টাকা তার মধ্যে ২ লক্ষ টাকা উসুল দেয়া হয়। উভয়ের পক্ষে বিয়ের স্বাক্ষী ছিলেন টঙ্গীর কাঠালদিয়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল হক এবং টঙ্গীর বড় দেওড়া এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে মো. নূরে আলম।
এছাড়াও তার ভোটার আইডিতে বয়স হচ্ছে ২৪ জুন ১৯৮৮ ইং। সে হিসেবে তার বয়স ৩৩ বছর। কিন্তু বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রে বয়সসীমা ২৭ বছর থাকলেও রাজিব হায়দার সাদিম ৩৩ বছরেও মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের বিধি ২৩ এর উপবিধি ‘ক’ তে বলা হয়েছে, ‘ছাত্রলীগের কোন সদস্য বিয়ে করলে পরবর্তি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার হারিয়ে ফেলবেন।’ গঠনতন্ত্রের দ্বিতীয়ভাগের এই ধারা মেনে ছাত্রলীগের কোন কমিটিতে বিবাহিতদের কোন পদ দেওয়া হয় না।
যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অসত্য দাবি করে রাজিব হায়দার সাদিম বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’ তাছাড়া আপনারা খোজ নিয়ে দেখুন এমন তথ্যের সত্যতা কতটুকু। এই কাবিননামা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।
You must be logged in to post a comment.