তবে ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপের কঠোর বিরোধিতা করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগেই সতর্ক করেছেন, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া হামাসকে পুরস্কৃত করার সমান হবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, আমেরিকা যুদ্ধের অবসান চায়। তবে হামাসের মতো বর্বরদের সঙ্গে কখনো তা সম্ভব নয়।
আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হবে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রত্যাশিত তালিকায় রয়েছে। স্যার কেয়ার নিজে সেখানে উপস্থিত থাকবেন না। যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার ও বিচারমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি।
আগস্টে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয়েছিল, হামাস যদি ক্ষমতায় থাকে তবে ব্রিটেন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে কি না। তখন সরকারের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা খুব স্পষ্ট করে বলেছি, গাজার ভবিষ্যৎ সরকারে হামাসের কোনো ভূমিকা থাকতে পারে না। তাদের অবশ্যই নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে এবং সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে। হামাস ফিলিস্তিনি জনগণ নয়। ফিলিস্তিনি জনগণের নিজস্ব রাষ্ট্রের অধিকার রয়েছে এবং আমরা আগে যে পদক্ষেপগুলো নির্ধারণ করেছি তার পথ ধরে সেই স্বীকৃতি আসবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামাসের হাতে থাকবে না।’ সরকার বলেছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আগে তারা মূল্যায়ন করবে পক্ষগুলো কতটা শর্ত পূরণ করেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে লন্ডনের মেয়র সাদিক খান প্রথমবারের মতো গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
জনসম্মুখ একটি প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা। আমি যখন শিশুদের অনাহারে থাকার ছবি দেখি, ইসরায়েলের নীতির কারণে ২০ হাজার শিশু অনাহারে মারা গেছে। যখন আমি গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে দেখি, সরবরাহ সংকট দেখি, মানুষের তৈরি দুর্ভিক্ষ দেখি, আইসিজের অন্তর্বর্তীকালীন রায় পড়ি এবং জাতিসংঘ কমিশনের প্রতিবেদন দেখি, তখন মনে হয় গাজায় আমাদের চোখের সামনেই গণহত্যা ঘটছে, এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো অনিবার্য।’
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ।
You must be logged in to post a comment.