রিচার্লিসন পেনাল্টি মিস না করলে দুই গোল পেতে পারতো ব্রাজিল। যা দিয়ে নির্ধারিত সময়েই স্বর্ণ জয়ের হাসিটা হাসতে পারতো গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধে মাথিয়াস কুনার গোলে পিছিয়ে থাকা স্পেনকে দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরান মিকেল ওয়ারজাবাল। এরপর নির্ধারিত সময়ে ফল না আসায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখান থেকে ম্যালকমের দারুণ গোলে টানা দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণ জিতে নেয় সেলেসাওরা।
আজ শনিবার বিকেলে টোকিওর নিশাল স্টেডিয়ামে ২-১ গোলের জয় পায় ব্রাজিল। ব্রাজিলের হয়ে একটি করে গোল করেন কুনা ও ম্যালকম। স্পেনের হয়ে একমাত্র গোলটি আসে মিকেল ওয়ারজাবালের পা থেকে।
শক্তিমত্তা কেউ কম ছিল না। তবুও শুরু থেকে স্পেনের উপর প্রভার বিস্তার করে খেলতে থাকে ব্রাজিল। ১৯তম মিনিটে সুযোগ পায় গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা। রিচার্লিসনের পাস থেকে বল পায় দগলাস লুইজ। শট করে বল ডি বক্সে পাঠাতেই গার্সিয়ার পায়ে লেগে আত্মঘাতী গোল হওয়ার আগেই গোলকিপার সিমন তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আনেন। এরপর ২৫ ও ৩৪ মিনিটে সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি ব্রাজিল।
৩৮ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো ব্রাজিল। পেনাল্টি পেয়েও রিচার্লিসনের লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে গোল বঞ্চিত হয় সেলেসাওরা। তবে গোল পেতে বেশি সময় নিতে হয়নি, প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ে দানি আলভেসের ক্রস থেকে কুনহার গোল এগিয়ে দেয় ব্রাজিলকে।
দ্বিতীয়ার্ধে মিকেল ওয়ারজাবাল সমতায় ফেরান স্পেনকে। ৬২ মিনিটে গোল করেন তিনি। ৮৮ মিনিটে কার্লোস সোলারের বাড়ানো বলে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ব্রায়ান গিলের শট গোলবারে আঘাত করে। তাতে জয়ের সুযোগবঞ্চিত হয় স্পেন। নির্ধারিত সময়ে আর গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৮তম মিনিটে জয় সূচক গোল করে স্বর্ণজয় নিশ্চিত করেন ম্যালকম।
You must be logged in to post a comment.