পুলিশ সূত্র বলছে, নিউ টাউনের এক অভিজাত আবাসনের ফ্ল্যাটে তাকে খুন করা হয়। সেখানে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়েছেন। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে তাঁরা কেউ সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলছেন না।
আনোয়ারুল আজিম আনারের ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুর বলেন, আজ সকালে কলকাতার নিউটাউন এলাকার অ্যাপার্টমেন্ট সঞ্জিভা গার্ডেনে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে শুনেছি।
গত ১২ মে কলকাতায় চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। এর ১৫ মে তিনি নিখোঁজ হন, তার ফোনও বন্ধ ছিল। পুলিশ আজ সকালে একটি ভাড়া বাড়ি থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে।
তাঁর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি গত সোমবার ভারতকে কূটনৈতিকভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ। তাঁর খোঁজ পেতে পরিবার ও ঢাকা মহানগর পুলিশও (ডিএমপি) ভারতের পুলিশের অপেক্ষায় ছি
এমপি আনোয়ারুল আজিমের ভাতিজা সাইমন ইতিমধ্যে ভারতে গেছেন। এমপির বড় মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন ও ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ভিসার জন্য ভারতীয় দূতাবাসে আবেদন করেছেন।
ডিএমপির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা গত সোমবার বলেন, আনোয়ারুল আজিম ১৫ মে কলকাতার একটি আবাসিক হোটেল থেকে বের হয়ে গাড়িতে উঠেছিলেন। এরপর থেকে তাঁর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা করছে কলকাতার পুলিশ। গাড়িটির সন্ধান মিললে তাঁকেও হয়তো পাওয়া যাবে। এমপি হয়তো কোনো ফাঁদে পড়েছেন।
ঝিনাইদহ-৪ আসনের টানা তিনবারের এমপি আনোয়ারুল আজিম চিকিৎসা করাতে ও বন্ধুর মেয়ের বিয়েতে যোগ দিতে ১২ মে দর্শনা স্থলবন্দর দিয়ে কলকাতায় যান। ১৫ মে থেকে তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। বিষয়টি তাঁর মেয়ে ডরিন ভারতে এমপির বন্ধু গোপাল বিশ্বাসকে জানান। গোপাল এ বিষয়ে কলকাতার বরাহনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।