গাজীপুর জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে বিশ^ ইজতেমা এলাকায় অসাধু একটি চক্র চাঁদাবাজি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গাজীপুর জেলা প্রশাসকের নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে ওই চক্রটি বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে প্রকাশে চাঁদাবাজি করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সেবার নামে বাজার বসিয়ে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি করে আসছে একটিচক্র। তারা দলীয় নেতাদের পরিচয় দিয়ে এই চাঁদাবাজি করছে
মুন্নু টেক্সটাইল মিলের ভেতরে দোকান বরাদ্দ নেয়া ব্যবসায়ীরা জানান, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব উপলক্ষে দোকান বরাদ্দ নিয়ে আমরা এখন বিপদের মধ্যে আছি। প্রতি দোকান প্রতি ১০ হাজার করে টাকা নিচ্ছেন চাঁদাবাজরা। দোকান বসানোর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৮০ হাজার টাকা দিয়ে দোকান বসাতে হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ব্যবসায়ী জানান, ৪২ জনকে ম্যানেজ করে দোকান বরাদ্দ বাবদ ৪ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে। এখন আমার কিছু করার নেই, বাধ্য হয়েই দিতে হয়েছে। দোকান বরাদ্দ নিয়ে এখন আছি অনেক বিপদে। তারা অপরদিকে অলিম্পিয়া টেক্সটাইল মিলস এলাকার দোকানদারা এ প্রতিবেদককে বলেন, ব্যবসা করতে এসেছি অথচ লস দিয়ে যেতে হচ্ছে। শুধুমাত্র অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে।
এ বিষয়ে চাঁদা উত্তোলনকারী ফজলুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাসিনা দিয়েছে আমাদের এই মিল, শেয়ার হোল্ডার নিয়ে দোকান বসিয়ে টাকা কালেকশন করছি। অলিম্পিয়ার অবৈধ মাঠ কর্মকর্তা মাহমুদ জানান, দুপুরে আসেন দেখি কি করা যায়। বিএনপি জাতীয়তাবাদী গাজীপুর মহানগর কর্মজীবী দল মোহাম্মদ আইয়ুব খান জানান, আমরা মাঠ নিয়েছি ১৭ লক্ষ টাকা খরচ করে সব মিলে ২০লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। এই টাকা উঠাবো কি করে অনেক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যাচ্ছে যে যার মত। দল আসলে ব্যবসা পুষিয়ে নিব। জনগণের প্রশ্ন উঠেছে এত টাকা খরচ কাকে দিয়ে বাজার পরিচালনা করছেন এইসব চাঁদাবাজরা। টঙ্গীর হোন্ডা রোডে বিএনপি নেতার পরিচয়ে পুরো হোন্ডা রোডের রাস্তা দখল করে দোকান বসিয়ে কোটি টাকার বনে।
এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের রাজস্ব বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা খলিলুর রহমান ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন সম্পত্তি কর্মকর্তাদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে বাজার বসানোর কোন অনুমতি দেয়া হয়নি সিটি কর্পোরেশন ও ডি সি অফিস থেকে। যদি কেউ নিয়মের অনিয়ম করে আমরা অবশ্যই এ বিষয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব