বুধবার (২০ মে) টঙ্গীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গবেষণাগার ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খাল ও নদী খননের মাধ্যমে ভূমিকম্প মোকাবেলা করতে হবে।
কারণ খাল ও নদীর সঙ্গে ভূমিকম্প জড়িত। সুতরাং আমাদের খাল খনন করতে হবে। আমাদের দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিতে হবে।’
জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষিজমি কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষিজমিতে বসতি গড়ে উঠেছে।
জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি-ঘর, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে উঠেছে। তাই আমাদের খাল ও নদী খনন করে ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে হবে। খাল খনন কৃষি ও খাদ্যের চাহিদা পূরণ করবে। খাল খনন শুধু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, এটি আমাদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ।’
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইনসহ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গবেষণাগার ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করে শেষে পুকুরে মাছ অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।