তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরান বলেছে, তারা ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানায়—এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রকাশ্য লঙ্ঘন।
কলম্বিয়া
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো একে লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে অভিহিত করে সতর্ক করেন, এতে মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে।
রাশিয়া
রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ‘সশস্ত্র আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করে বলেছে, এই পদক্ষেপের কোনো গ্রহণযোগ্য অজুহাত নেই এবং আদর্শগত শত্রুতা কূটনীতিকে ছাপিয়ে গেছে।
স্পেন
স্পেন উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, তারা গণতান্ত্রিক, আলোচনাভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতায় প্রস্তুত।
ইতালি
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির কার্যালয় বলেছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে এবং কারাকাসে অবস্থানরত ইতালীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।
বেলজিয়াম
বেলজিয়াম ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করছে বলে শনিবার জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর বলেছেন, ‘শনিবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ সালের আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভেতরে সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ট্রিনিদাদ ও টোবাগো চলমান এসব সামরিক অভিযানের কোনো অংশ নয়।
তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উত্তেজনা প্রশমন ও সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানায় এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে বলে।’
মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা
ডেমোক্র্যাট সিনেটর ব্রায়ান শ্যাটজ বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় যুদ্ধে যাওয়ার মতো কোনো জাতীয় স্বার্থ যুক্তরাষ্ট্রের নেই। সিনেটর রুবেন গালেগো লিখেছেন, এই যুদ্ধ বেআইনি—এক বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিশ্ব পুলিশ’ থেকে ‘বিশ্বের বুলি’তে পরিণত হয়েছে।