স্কুল-কলেজ খোলাবে ১২ সেপ্টেম্বর – শিক্ষামন্ত্রী

 

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে দেশের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানিয়েছেন। আজ শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের এ তথ্য জানান।

আগের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বৈঠক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পক্ষে মত দেয় করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। বৈঠক শেষে রাত পৌনে ১২টায় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সহিদুল্লা গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা সংক্রমণ সর্বোচ্চ শনাক্ত থেকে ৭০ শতাংশ কমেছে। ধীরে ধীরে করোনার টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিত হচ্ছে। এ জন্য সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং জনস্বাস্থ্যবিষয়ক বেশ কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া সাপেক্ষে এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যায়।

একই দিন রাতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বেসরকারি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, হয়তো ১২ সেপ্টেম্বর থেকেই ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতেও পারে।

গত মাসে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্কুল-কলেজ খুলছে না। তবে সেপ্টেম্বরেই স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে সরকারের।

গত ২৬ আগস্ট দুপুরে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ওই বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা যেতে পারে। তার আগে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কতজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছেন তার তথ্য ছক আকারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পাঠাতে হবে। এর মধ্যে কতজন টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন, কতজন এক ডোজ নিয়েছেন, আবাসিক হলের কতজন শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এসেছে এ সংক্রান্ত তথ্য ইউসিসিতে পাঠাতে হবে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ দেখা দেয়। এরপর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরে দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়। করোনা সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় সবশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান সাধারণ ছুটি আগামী ১১  সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সংসদে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন সংসদ নেতা। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অধিবেশনের শুরুতেই শোক প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিক্ষকদের টিকা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মরত তাদের পরিবারের সদস্যদেরও যেন টিকা দেওয়া হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে স্কুলের ছেলে-মেয়েদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য ফাইজারের কিছু টিকা ইতোমধ্যে এসে পৌঁছেছে এবং আরও আসবে। মডার্নার টিকার জন্যও চেষ্টা চলছে।’ ইতোমধ্যে ছয় কোটি টিকার টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে জানান প্রধানমন্ত্রী।

টিকা দেওয়ার পরও অনেকের করোনা হয়। এ কারণে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনা থেকে ভালো হওয়ার পরও নানা জটিলতা থেকে যায়। যাদের অন্যান্য রোগ আছে, তাদের ক্ষেত্রে করোনা ঝুঁকি বাড়ায়। এ জন্য সবাইকে নিজের ভালো নিজেকে বুঝে চলতে হবে।’

‘সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার আমরা করে যাচ্ছি’, যোগ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি অনেকে অনেক কিছুই বলেন। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা যদি দেখেন, অন্য দেশের সঙ্গে যদি তুলনা করেন, আমাদের এই ঘন বসতিপূর্ণ এলাকা, সেই জায়গায় এটা নিয়ন্ত্রণে আমরা যেভাবে ব্যবস্থা নিয়েছি অনেক উন্নত দেশও কিন্তু নিতে পারেনি, এটা হলো বাস্তবতা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে আমি বলবো যার যার নিজেরও সজাগ থাকা, নিজেকে সুরক্ষিত রাখা ও নিজে সাবধানে থাকা উচিত। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার দিকেও সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। করোনার প্রকোপ এখন কমেছে কিন্তু সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ’

এখন ডেঙ্গুর প্রকোপও বাড়ছে উল্লেখ করে সবাইকে ঘর-বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেন সংসদ নেতা।

হাসিবুর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি ছিলেন কর্মীবান্ধব। মানুষের জন্য কাজ করার আন্তরিকতা তার একটি বড় গুণ ছিল। তার এই অকাল মৃত্যু দেশের জন্য ক্ষতি। এই সংসদে বেশ কয়েকজন সদস্যকে হারাতে হয়েছে। বারবার শোক প্রস্তাব নিতে হচ্ছে, এটা নিয়ে বলার ভাষা নেই আমার।’

শোক প্রস্তাবের ওপর আওয়ামী লীগ ছাড়াও বিএনপি ও জাতীয় পার্টির একাধিক সংসদ সদস্য অংশগ্রহণ নেন। আলোচনা শেষে শোক প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। পরে কয়েক ধাপে তা আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

তৃতীয় বিয়ে করলেন ন্যানসি

বিচ্ছেদের পরই জানিয়েছিলেন আবারও নতুন করে সংসার জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসি। বর অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অনুপম’র সিওও ও গীতিকবি মহসিন মেহেদী। আর কিছুদিন আগে পারিবারিকভাবে তাদের আংটি বদল হয়েছে।

অবশেষে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আগস্ট মাসের শেষভাগে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান ন্যানসি।

তার ভাষ্য, ‘শোকের মাসে আমি বিয়ে করতে চাইছিলাম না। আমার বাবা-মা নেই, অভিভাবক হিসেবে বড় ভাইয়ের পরামর্শে তার বাসায় অনাড়ম্বরে বিয়ে করলাম আমরা। বিয়েতে দুই পরিবারের চারজনের মতো অতিথি উপস্থিত ছিলেন।’

ন্যানসি আরও বলেন, ‘বিয়ের আগেই ঢাকায় নতুন বাসা নিয়েছি। ভাই বলছেন, বিয়ের করে একসঙ্গে নতুন বাসায় নতুন জীবন শুরু করলে ভালো হবে। আমরা শিগগিরই নতুন বাসায় উঠছি।’

 

শ্বাশুড়ি ও ছোটভাই শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারেননি বলে জানান এই কণ্ঠশিল্পী।

তিনি আরও জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়েটা সারলেন তিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আয়োজন করে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে।

উল্লেখ্য, প্রথম সংসার ভেঙে যাওয়ার পর ২০১৩ সালে কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন‌্যান‌সি ভালোবেসে বিয়ে করেন ব্যবসায়ী নাজিমুজ্জামান জায়েদকে। ২০১৪ সালে তাদের সংসারে জন্ম নেয় কন্যা সন্তান আলী আফরিন নায়লা। জায়েদের বাড়ি ময়মনসিংহে। তিনি স্থানীয় পৌরসভায় চাকরির পাশাপাশি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।

পাঞ্জশিরে তালেবানের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষ

আফগানিস্তানের পাঞ্জশিরে তালেবানের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষ চলছে। সেখানকার বেশ কয়েকটি তল্লাশি চৌকি নিজেদের দখলে নেওয়ার দাবি করেছে তালেবান। আজ বৃহস্পতিবার মুহাম্মদ জালাল নামে এক তালেবান নেতার টুইটের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।

তালেবানের ওই নেতা টুইটে জানান, গতকাল রাত থেকে পাঞ্জশিরে সংঘর্ষ চলছে। এখন পর্যন্ত কয়েক ডজনের বেশি তল্লাশিচৌকি তারা দখলে নিয়েছেন। পাঞ্জশিরে পাহাড়ের ওপর একটি তল্লাশিচৌকিতে আগুন জ্বলছে এরকম একটি ছবিও পোস্ট করেছেন মুহাম্মদ জালাল।

গত ১৫ আগস্ট তালেবান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখল করে নেয়। এর ফলে দেশটির ৩৪ প্রদেশের ৩৩টি দখল করে। তালেবানের নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে পাঞ্জশির প্রদেশ। সেখানে তালেবানের বিরুদ্ধে লড়ছে বিরোধীরা। আফগানিস্তানের প্রয়াত মোজাহিদিন কমান্ডার শাহ আহমদ মাসউদের ছেলে আহমদ মাসউদ সেখানে তালেবানের বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

এর আগে গতকাল বুধবার বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, তালেবান পাঞ্জশির ঘিরে ফেলেছে। সেখানে থাকা বিদ্রোহীদের সমঝোতায় আসতে আহ্বান জানায় তারা। আফগানিস্তানের শেষ প্রান্তের প্রদেশ পাঞ্জশির। কাবুলের উত্তরে হিন্দুকুশ পর্বতমালায় এর অবস্থান।

ভয়াবহ খাদ্য সংকটে পড়তে যাচ্ছে আফগানিস্তান

আগামী এক মাসের মধ্যে আফগানিস্তান তীব্র খাদ্য সংকটে পড়তে পারে- এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতিসংঘ। দেশটিতে প্রতি তিনজনে একজনকে ক্ষুধার্ত থাকতে হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার আফগানিস্তানে মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণবিষয়ক সমন্বয়কারী রমিজ অলকবারভ।

রমিজ অলকবারভের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আল–জাজিরা জানিয়েছে, আফগানিস্তানে অর্ধেকের বেশি শিশু খাদ্য সংকটে রয়েছে। পরের বেলার খাবার সংগ্রহের জন্য তাদের কষ্ট করতে হচ্ছে।

আল–জাজিরার খবরে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি আফগানিস্তানে খাবারের দাম ৫০ শতাংশ বেড়েছে। আর পেট্রলের দাম বেড়েছে ৭৫ শতাংশ। জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণবিষয়ক সমন্বয়কারী রমিজ অলকবারভ বলেন, বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক সহায়তা বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি সেবাগুলো অকার্যকর রয়েছে। সরকারি চাকরিজীবীরা বেতন পাচ্ছেন না।

এদিকে, তালেবানরা আফগানিস্তানে নতুন সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। তবে তাদের সরকারকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি এখনো প্রশ্নের সম্মুখীন।

ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউমের মরদেহ বনানী কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন

ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউমের মরদেহ বনানী কবরস্থানে মা নাসিমুস সুবা মুকুল ও বোন রাবেয়া খাতুন মিমুর কবরে দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ৩টা ১৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই পাইলটের মরদেহ দাফন করা হয়।
জানা যায়, ১৯৮০ সালে এক বছর বয়সে ক্যাপ্টেন নওশাদের বোন রাবেয়া মারা যান। ওই কবরে‍ই ২০১২ সালে তার মাকেও সমাহিত করা হয়। আর আজ মা-বোনের কবরে চিরনিদ্রায় গেলেন নওশাদ।
নওশাদের বাবার বন্ধু ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজিদ বলেন, আজকে বিকের ৩টায় বনানী কবরস্থানে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়েছে। জানাজা শেষে তার মায়ের কবরে সমাহিত করা হয়।
নওশাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শেষ মুহূর্তে আসেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। তিনি বলেন, ওর জানাজায় অংশ নিতে পারিনি। তাই এখানে আসছি।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-০২৬ ফ্লাইটে ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউমের মরদেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
গত ৩০ আগস্ট দুপুরে মারা যান ক্যাপ্টেন নওশাদ।এর আগে ২৭ আগস্ট সকালে ওমানের মাস্কাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে বিজি-০২২ ফ্লাইটটি নিয়ে ঢাকা আসার পথে ভারতের আকাশে থাকা অবস্থায় ক্যাপ্টেন নওশাদ অসুস্থ বোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) কাছে ফ্লাইটটিকে জরুরি অবতরণের অনুরোধ জানান। একই সময় তিনি কো-পাইলটের কাছে ফ্লাইটের নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করেন। কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ফ্লাইটটিকে নিকটস্থ নাগপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করার নির্দেশ দিলে কো-পাইলট ক্যাপ্টেন মুস্তাকিম ফ্লাইটটি অবতরণ করান।

শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা সারা বিশ্বে এক অনন্য দৃষ্টান্তঃ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

 

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এম পি বলেছেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক বিশ্বের অন্যতম প্রধান নেতা। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রমসহ করোনাকালে অসহায়, গরীব-দু:স্থ, খেটে খাওয়া ও কর্মহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে খাদ্য ও নগদ অর্থসহ মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন তা সারা বিশ্বে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছে। প্রতিমন্ত্রী আজ জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, গাজীপুরের উদ্যোগে গাজীপুর জেলার ক্যানসার,কিডনী, লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে , জন্মগত হৃদরোগী ও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের ও বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসায় অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।


অনুষ্ঠানে ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিসসহ সহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ২১৪ জন রোগীদের মাঝে জনপ্রতি পঞ্চাশ হাজার করে ০১ কোটি ০৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ১৩৮টি মসজিদ-মাদ্রাসায় ০১ কোটি ০৪ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করা হয় এবং সমাজ কল্যাণ পরিষদ হতে ৮১টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মধ্যে পঁচিশ লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সময় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার সঙ্গে সঙ্গে আরও ২৫টির বেশি মন্ত্রণালয় সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। বর্তমানে বয়স্ক ভাতার আওতায় ৫০ লক্ষ, বিধবা ভাতার আওতায় ২১ লক্ষ ও প্রতিবন্ধীভাতার আওতায় ১৮ লক্ষ উপকারভোগী সুফল পাচ্ছেন যা বিশ্বে এক অনন্য নজির। এছাড়াও সরকারের অন্যান্য মানবিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক এস এম আনোয়ারুল করিম।

অন্যের পোস্ট শেয়ার করায় কারাগারে উপজেলা চেয়ারম্যান

অন্যের ফেসবুক আইডির একটি পোস্ট নিজ আইডিতে শেয়ার করার মামলায় কচুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (বহিষ্কৃত) ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মো. শাহজাহান শিশিরকে (৪৮) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল মজুমদার জানান, মামলাটিতে ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করেন চেয়ারম্যান শিশির। তখন হাইকোর্ট ৬ সপ্তাহের জামিন দিয়ে তাকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী আসামি আত্মসমর্পন করেছিলেন। তিনি বলেন, অন্য একজনের একটি পোস্ট তিনি তার আইডিতে অসাবধানতাবশত শেয়ার করেছিলেন। যে বিষয়ে পোস্টটি ছিল, সেই সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি মামলা করেন নাই। দুঃখজনকভাবে সে মামলায় তার আসামিকে জেলে যেতে হলো।

২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর মেহেদী হাসান মেরিন নামে একজন আইনজীবী ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলার আবেদন করেন। অভিযোগটি ট্রাইব্যুনাল ধানমন্ডি থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী ধানমন্ডি থানা অভিযোগটি এহাজার হিসেবে গ্রহণ করেন। মামলায় চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান শিশিরকে এক নম্বর এবং যিনি পোস্টটি দিয়েছিলেন সেই জুয়েল সরকারকে ২ নম্বর আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২০ সালের ২৪ জুলাই চেয়ারম্যান শিশির একটি পোস্ট তার ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। যা দিয়েছিলেন ২ নম্বর আসামি জুয়েল সরকার। ওই পোস্টের বক্তব্য ছিল এই যে, ‘দেশে কোটি কোটি টাকা লুট হচ্ছে অথচ খালেদা জিয়া দুই কোটি টাকা লুটের জন্য জেলে!! আবার শাহজাহান শিশির ন্যায় হোক আর অন্যায়ে হোক প্রকৌশলীর গায়ে হাততুলায় বহিষ্কার!! এই দেশে কি কোনো দুর্নীতি, কোনো ক্ষমতাবান ক্ষমতা দেখায় না? প্রশ্ন হলো দেশের বিচার করে কে, আর কচুয়ার বিচার করে কে? ও মাগো কত ঢংয়ের বিচার হচ্ছে এই দেশে.. থাক বেশি কিছু লিখলে কার আবার চুলকানি বেড়ে যাবে কারণ এই দেশে উচিত বলা এখন অনুচিত!!’ আসামিরা ওই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দেশের সরকার ও বিচার ব্যবস্থাকে বিষোদগার করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছর ১৯ জুলাই কচুয়ায় সরকারি শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন বহুতল একটির ভবনে কাজের মান নিয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী নূর আলমকে চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির মারধর করেন। ওই ঘটনার চারদিন পর স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে চেয়ারম্যান শিশিরকে বরখাস্ত করা হয়। এ ছাড়া ওই প্রকৌশলী শিশিরের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় এবং জনৈক রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলায় ওই বছর ২৫ আগস্ট চাদপুর আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়। ওই মামলায় পরবর্তীতে তিনি জামিন পান।

জিয়াউর রহমানের কবরে নেতা-কর্মী আসতে দেওয়া হয়নি : ফখরুল

জিয়াউর রহমানের কবরে নেতা-কর্মী নিয়ে আসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দিনি বলেছেন, ‘আজকে আমাদেরকে নেতা-কর্মী নিয়ে আসতে দেয়া হয়নি। সরকার বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে, সম্পূর্ণভাবে তারা বিধি-নিষেধ জারি করেছে।’

আজ বুধবার দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।  ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন।

বিচারপতি আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) বিলুপ্ত করে বিএনপির যাত্রা শুরু হয়। মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), কাজী জাফর আহমেদের ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, শাহ আজিজুর রহমানের মুসলিম লীগ, মাওলানা আবদুল মতিনের বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও রসরাজ মন্ডলের বাংলাদেশ তফসিলি ফেডারেশন-এই পাঁচটি দল যুক্ত হয়।

বুধবার সকাল ১১টায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু শেরে বাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান। তারা প্রয়াত নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

এই সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাবেক সাংসদ অবসরপ্রাপ্ত আক্তারুজ্জামান, মহানগর বিএনপির উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, দক্ষিনের রফিকুল আলম মনজু, যুব দলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পস্তবক অর্পন করেন। এ সময়ে দলের স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু ও ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক উপস্থিত ছিলেন।

চন্দ্রিমা উদ্যানে কঠোর বিধিনিষেধ

সংসদ অধিবেশন উপলক্ষে সকাল থেকে চন্দ্রিমা উদ্যানে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সাধারণ প্রবেশাধিকারে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। ফলে বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শ্রদ্ধা নিবেদনে নেতা-কর্মীদের প্রবেশ করতে দেয়নি পুলিশ।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে চন্দ্রিমা উদ্যানের প্রবেশ পথ দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ১০ থেকে ১২ জন পায়ে হেঁটে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে আসেন। আগে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করতে দিলেও এবার পুলিশ তা দেয়নি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, ‘আজকে আমাদেরকে নেতা-কর্মী নিয়ে আসতে দেয়া হয়নি। সরকার বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে, সম্পূর্ণভাবে তারা বিধি-নিষেধ জারি করেছে।পুলিশ আগেই জানিয়ে দিয়েছে আজকে ৩০ জনের বেশি আসা যাবে না। এটা নাকি এখন তাদের (পুলিশ) কন্ট্রোলের মধ্যে নেই। আরও বড় নিরাপত্তার আন্ডারে চলে গেছে। এভাবে তারা বাধার সৃষ্টি করেছে, আমাদেরকে বাধার সৃষ্টি করেছে।’

তেঁজগাও জোনের এডিসি রুবাইয়াত জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে বাধা দেয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। আপনারা (সাংবাদিকরা) উপস্থিত ছিলেন কারা কারা এসেছেন দেখেন। প্রত্যেকে কিন্তু বাধাহীনভাবে প্রবেশ করেছেন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করে চলে গেছেন। সুন্দরভাবে তারা তাদের কর্মসূচিটি সম্পন্ন করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন আজকে বিকেলে সংসদ অধিবেশন বসছে। এজন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে যে নির্দেশনা আছে, কিছু বিধি-নিষেধ আছে সেটা জেনেই তারা (বিএনপি) তাদের কর্মসূচি সম্পন্ন করেছেন।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে চান না তামিম, জানালেন কারণ

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল। নিজের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুকে জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার ফেসবুক লাইভে এসে এমনটাই নিশ্চিত করেন তিনি।

দুই বছর ধরে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির বাইরে আছেন তামিম। বেশ কয়েকবার ইনজুরিতে পড়ে কয়েকটি সিরিজে খেলা হয়নি তার। তবুও বিশ্বকাপ স্কোয়াডে তাকে রাখার চিন্তা করেছিল বোর্ড, তবে তামিম নিজেই চান না বিশ্বকাপে অংশ নিতে।

এমন সিদ্ধান্ত বোর্ডকে জানিয়ে তামিম বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আমাদের বোর্ড প্রেসিডেন্ট পাপন ভাই, আমাদের চিফ সিলেক্টর নান্নু ভাইকে আমি ফোন করেছিলাম। ফোন করে তাদের সঙ্গে কিছু জিনিস আমি শেয়ার করেছি। যেটা আমি সবার সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। আমি তাদের বলেছি যে আমার মনে হয় না যে আমার ওয়ার্ল্ড কাপ টিমে থাকা উচিত।’

বেশ কয়েকবার ইনজুরিতে পড়েছেন টাইগার ওপেনার। এ কারণে চলতি সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নেই তিনি। তবে ইনজুরি তেমন গুরুতর নয়, বিশ্বকাপের আগেই সেরে যাবে। কিন্তু তারপরেও কেন খেলবেন না?

এ প্রসঙ্গে তামিম বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কারণ বেশ কিছুদিন ধরে আমি এই ফরম্যাটটাতে খেলছি না। আর দ্বিতীয়ত ইনজুরি। কিন্তু আমার মনে হয় না ইনজুরি এ বড় সমস্যা। আমি আশা করি যে ওয়ার্ল্ড কাপের আগে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু যে জিনিসটা আমার কাছে প্রধান মনে হয়, এই সিদ্ধান্ত নিতে যে ব্যাপারটা বড় ভূমিকা রেখেছে সেটি হলো-যেহেতু আমি সর্বশেষ ১৫-১৬টা টি-টোয়েন্টি খেলি নাই, এই সময়টাতে আমার জায়গায় যারা খেলছিল, আমার মনে হয় না এটা ফেয়ার হবে তাদের প্রতি, যদি আমি হঠাৎ করে এসে তাদের জায়গাটা আমি নিয়ে নেই।’

বিশ্বকাপ স্কোয়াড হবে ১৫ সদস্যের। বোর্ডের মনোভাব ছিল তামিমকে ঘিরে। তবে তার কাছে তরুণদের অগ্রাধিকার বেশি ছিল। এ ব্যাপারে তামিম বলেন, ‘হয়তোবা আমি বিশ্বকাপ দলে থাকতাম। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় না এটা ফেয়ার হতো। এ কারণেই বোর্ড প্রেসিডেন্ট আর নির্বাচকদের জানিয়েছি। সম্ভবত ওয়ার্ল্ড কাপে আপনারা আমাকে দেখবেন না।’