বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক জাতির সামনে উপস্থাপিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শনিবার টঙ্গী পূর্ব থানা তৃনমূল বিএনপির উদ্যোগে টঙ্গীর তিনটি ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। বিকেলে টঙ্গীর মধুমিতা মেগাসিটির সামনে থেকে শুরু হয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের তিনটি ওয়ার্ড (৫৬,৫৭,৪৫) এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করে টঙ্গীর বৌবাজারে এসে শেষ হয়। লিফলেট বিতরন কর্মসূচীতে অংশ নেন রমজান হোসেন বিল্লাল টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সহ-সভাপতি, আবুল কালাম আজাদ টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনটির যুগ্ম-সম্পাদক, এডভোকেট শহীদুল ইসলাম গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক, মোহন মিয়া বৃহত্তর টঙ্গী থানা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি, আবু ইউসুফ শিকদার বাবু গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক, কাজী ইমাম হোসেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক, শাহ-আলম গাজীপুর মহানগর যুবদলের সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, নিউটন খান জাতীয়তাবাদী প্রজন্মদল-৭১ কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক,আতিকুল্লা মিন্টু যুগ্ম-আহবায়ক গাজীপুর মহানগর তাতীদল, হাবিবুর রহমান সি: যুগ্ম-আহবায়ক মহানগর তাতীদল, আবুল হোসেন ৫৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি,মোহাম্মদ শাহীন ৫৬নং ওয়ার্ড তাতীদলের সাবেক আহবায়ক,শওকত হোসেন ৫৬নং ওয়াড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রমুখ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে-মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সরকারের ওপর যে আস্থা রেখেছিল তার মর্যাদা রাখেনি সরকার। জনগণের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জেএসডির ৫৩তম প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী অংশীদারির গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সংকট তৈরি করেছে। প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা মেনে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন চায় দেশের মানুষ।
তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি সংস্কার চায় না—এমন প্রচার শুধুমাত্র জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য ছড়ানো হচ্ছে।
গাজীপুর-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ড. হাফিজুর রহমান এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের এম. এ. হানিফ সরকার, এ আসনে ধানের শীষে মনোনয়ন পাচ্ছেন কে…..?
গাজীপুর-৬ নতুন সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে দাড়িপাল্লা মার্কায় প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের হাতপাখা মার্কায় এম. এ. হানিফ সরকার ইতি মধ্যেই দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।
এ আসনে কে পাচ্ছেন বিএনপির মনোনয়ন—এমন প্রশ্নে এখন সরগরম রাজনীতি। এই আসনে বিএনপির ১০ থেকে ১২ জন নেতা-কর্মী নিজেদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিলেও দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব সম্ভাব্য ৮ প্রার্থীকে ধানের শীষের প্রচারণার জন্য ‘গ্রীন সিগন্যাল’ দিয়েছেন। তাদের মধ্য থেকেই একজনকে চূড়ান্তভাবে বেছে নেওয়া হবে।
সোমবার রাতে ঢাকার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ঢাকা সহ ৫ বিভাগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে সভা করেন। ওই সভায় গাজীপুর-৬ থেকে ৮ জনকে ডাকা হয়।
গুলশানের ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক এমপি হাসান উদ্দিন সরকার, শ্রমিকদলের সভাপতি সালাহউদ্দিন সরকার, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, টঙ্গী থানা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা প্রফেসর বসির উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক জিএস আরিফ হোসেন হাওলাদার, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সাধারণ সম্পাদক গাজী সালাহউদ্দিন এবং মহানগর যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ভাট।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন গাজীপুর-২ আসনের অংশ নিয়ে গঠিত গাজীপুর-৬ (টঙ্গী পূর্ব-পশ্চিম থানা, গাছা থানা ও পূবাইল থানার আংশিক এলাকা) বর্তমানে অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক কেন্দ্র।
বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানান, কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃত্ব যাকেই মনোনয়ন দেবে, তৃণমূল পর্যায়ের সবাই ধানের শীষের পক্ষেই কাজ করবেন। যদিও প্রার্থীতা ঘোষণার পর থেকে অনেকে নিজেদের অনুসারী গোষ্ঠী নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুসারীদের তদবির ও লবিং মনোনয়ন প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
২৭ অক্টোবরের গুলশান সভায় তারেক রহমান বলেন, “মনোনয়ন যাকেই দেওয়া হোক না কেন, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এবারের নির্বাচন হবে চ্যালেঞ্জের। কেউ বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিএনপির শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়া মানে এখনও নিশ্চিত মনোনয়ন নয়। মাঠপর্যায়ে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, দলীয় আনুগত্য, অতীত ভূমিকা এবং ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশগ্রহণ বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ টিম প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করছে। সবশেষে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—গাজীপুর-৬ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পাচ্ছেন কে… ?
ফিলিস্তিনি লাশে নির্যাতনের চিহ্ন ,নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যা
গাজা উপত্যকায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর সেখানে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতন, বেআইনি হত্যাকাণ্ড ও সন্দেহজনক মৃত্যুর ভয়াবহ প্রতিবেদন প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরাইলি সামরিক বন্দিশালা সেডিতিমান থেকে যে ১৯৫ জন ফিলিস্তিনি বন্দির লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে, তাতে স্পষ্টভাবে নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার চিহ্ন পাওয়া গেছে। ফিলিস্তিনি চিকিৎসকেরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি এক নজিরবিহীন প্রতিবেদনে চিকিৎসা বিষয়ক সনদ, গোপন ছবি ও সাক্ষ্য তুলে ধরে এমন সব অপরাধের পর্দা ফাঁস করেছে, যা ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ তদন্তে নতুন অধ্যায় খুলে দিতে পারে।
এদিকে এ ঘটনার পর জাতিসংঘের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
গার্ডিয়ান এবং ফিলিস্তিনি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি সেনাবাহিনী সম্প্রতি গাজা উপত্যকায় ১৯৫ ফিলিস্তিনি বন্দির লাশ ফেরত দিয়েছে, যেগুলোর প্রতিটিতে নির্যাতন ও হত্যার স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক মুনির আল-বার্শ জানিয়েছেন, লাশের ব্যাগে পাওয়া নথিপত্র দেখে মনে হচ্ছে- নেগেভ মরুভূমির সেদিতিমান সামরিক বন্দিশিবির থেকে এগুলো আনা হয়েছে।
খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, অনেক লাশ পাওয়া গেছে যেগুলোর হাত ও চোখ বাঁধা অবস্থায় ছিল, যা প্রমাণ করে তারা বন্দি থাকা অবস্থায় শহীদ হয়েছেন। কিছু লাশে তো কাছ থেকে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে, আর কিছু লাশ ইসরাইলি ট্যাংকের চাকার নিচে পিষ্ট হয়েছে।
জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ মরিস টিডবল-বিন্স এই ভয়াবহ প্রমাণের ভিত্তিতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করে তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা যায়।
এদিকে, ২০ মাস ধরে ইসরাইলি কারাগারে বন্দি ছিলেন এমন একজন সাংবাদিক বন্দিদের ওপর নৃশংস নির্যাতনের ভয়াবহ বিবরণ তুলে ধরেছেন।
তিনি জানান, বন্দিদের কঠোর শীতের মধ্যে নগ্ন অবস্থায় রাখা হয়, হাত ও চোখ বেঁধে ১০০ দিন ধরে আটক রাখার পাশাপাশি কুকুর দিয়ে নির্যাতন করা হয়।
ইসরাইলের দখলকৃত ভূমিতে তৎপর সংগঠন ‘ফিজিশিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটস’ জানিয়েছে, ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুর হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে এবং নতুন তথ্য-প্রমাণ আসার পর এ বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক স্বাধীন তদন্তের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, গত দুই বছরে তারা ইসরাইলি আটক কেন্দ্রে পরিকল্পিত নির্যাতনের একাধিক ঘটনা নথিভুক্ত করেছে।
ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে জিহাদ নামে এক কলেজ ছাত্র খুন
গাজীপুরের টঙ্গীতে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে জিহাদ (২০) নামে এক কলেজ ছাত্র খুন হয়েছে। এ ঘটনায় ৩জন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত গভীররাতে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন আউচপাড়া সফিউদ্দিন রোডে এ খুনের ঘটনা ঘটে।নিহত কলেজ ছাত্র জিহাদ টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ছাত্র। তার স্থায়ী বাড়ি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌর এলাকার ভাংনাহাটি গ্রামে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- আব্দুল্লাহ (২০), স্বাধীন (২০) আলামিন (২৪)। তারা সকলেই টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, রোববার রাত ১১টার দিকে বাসা থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে বের হয় জিহাদ। এসময় টঙ্গীর আউচপাড়া শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি রোডে চার ছিনতাইকারী ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে কলেজছাত্র জিহাদের পথরোধ করে। জিহাদ বাধা দিলে ছিনতাইকারীরা তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে গুরতর আহত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। রাত দেড়টার দিকে টঙ্গীর এরশাদ নগর থেকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি হারুনুর রশিদ বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিনজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। হত্যাকান্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপদেষ্টাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মির্জা ফখরুল
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে কেউ কেউ, কোনো কোনো দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছেন বলে বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ আসছে। আমরা এটা শুনতে চাই না, বাংলাদেশের মানুষ এটা শুনতে চায় না। বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা চায় এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়।
মির্জা ফখরুল বলেছেন, এক বছর আগে একটি দানবীয় সরকারকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি সরকার গঠন করা হয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একজন ভালো মানুষ। তিনি ছয়টি সংস্কার কমিশনের মাধ্যমে দেশের নানা ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন এবং অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু নির্বাচনকে ঘিরে একটি মহল ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিএনপিকে সংস্কার বিরোধী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। চতুর্দিক থেকে বিএনপিকে ঘায়েল করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ এখন নির্বাচনের রাস্তায় উঠে গেছে, তা চালিয়ে নির্বাচন পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, এ সরকারের নেওয়া সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে বিএনপির কোনো বিরোধ নেই। বরং বিএনপিই এসব সংস্কারের ধারক ও বাহক। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একদলীয় সরকারের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছেন। স্বাধীন গণমাধ্যম চালু করেছেন, এ দেশের নারীদের চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছেন, সংবিধানে বিসমিল্লাহ চালু করা এবং আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থার বিষয়টি সংযোজন করেছেন। আর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক নারী শিক্ষা চালু করেছেন। সর্বশেষ তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার সঙ্গে বর্তমান সরকার ঘোষিত সংস্কার কর্মসূচির কোনো বিরোধ নেই। অথচ একটি মহল বিএনপিকে সংস্কার বিরোধী হিসেবে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। ভারত আমাদের সঙ্গে সব সময় শত্রুতা করে আসছে। ভারতের সীমান্ত রক্ষীরা নির্বিচারে গুলি করে আমাদের দেশের মানুষকে হত্যা করছে। যা পৃথিবীর সভ্য কোনো দেশ করে না। তারা ফারাক্কার পানি ছেড়ে দিয়ে আমাদের দেশের মানুষের জানমালের ক্ষতি করে। তাই তাদের সঙ্গে আমরা এমন বন্ধুত্ব চাই, যেখানে কোনো অবিচার থাকবে না এবং সম্পর্কটা হবে সমানে সমান।
তিনি বলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ.স.ম হান্নান শাহকে তিনি বিশেষভাবে শ্রদ্ধা করেন। কারণ তিনি ছিলেন একজন অকৃত্রিম দেশপ্রেমিক, নির্ভীক সাহসী সৈনিক। তিনি বীরের বেশে দেশের মানুষকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আজীবন লড়াই করেছেন। ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন সরকারের আমলে একটি কুচক্রী মহল যখন দলের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল, তখন তিনি দলের পক্ষে ও দেশনেত্রীর পক্ষে নির্ভীক চিত্তে সাহসী বক্তব্য দিয়েছিলেন। তিনি ব্যক্তি স্বার্থকে কখনো বড় করে না দেখে দলের ও দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখেছেন। তাই তার ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নানকে আগামী সংসদ নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে কাপাসিয়া বাসীর হাতে তুলে দিয়ে তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানাচ্ছি।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে এবং কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খন্দকার আজিজুর রহমান পেরার সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও হান্নান শাহর ছেলে শাহ্ রিয়াজুল হান্নান রিয়াজ, কেন্দ্রীয় বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়্যেদুল আলম বাবুল, ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম, সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, নির্বাহী সদস্য ওমর ফারুক শাফিন, মজিবুর রহমান, গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দীকি প্রমুখ।
এর আগে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপজেলার ঘাগটিয়ার গ্রামে হান্নান শাহর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় হান্নান শাহর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে হামাস-ইসরায়েলের চুক্তি সই
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস আশা প্রকাশ করেছেন, এই চুক্তি ‘একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের পূর্বভূমিকা হয়ে উঠবে’, যা একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে নিয়ে যাবে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সব বন্দিকে ‘সম্মানজনকভাবে মুক্তি’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।
তিনি বলেন, ‘এই যুদ্ধ একবারে শেষ হতে হবে।
ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কাল্লাস একে ‘গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য’ বলে আখ্যা দেন।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী ও ট্রাম্পের মিত্র জর্জিয়া মেলোনি একে ‘অসাধারণ খবর’ বলেছেন।
গাজায় ইসরায়েলের অভিযানের অন্যতম কণ্ঠশালী সমালোচক স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, এখন বেসামরিক জনগণকে সহায়তা দেওয়া উচিত এবং ‘যে নৃশংসতা ঘটেছে, তা আর কখনো পুনরাবৃত্তি হওয়া উচিত নয়।’
ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের তীব্র সমালোচক আয়ারল্যান্ড বলেছে, এই চুক্তি ‘যদি সবাই আন্তরিকভাবে গ্রহণ করে, তবে এটি অবর্ণনীয় মানবিক দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে পারে।’
ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস বলেন, ‘এটি ভয়াবহ বোমাবর্ষণ থামাতে, বন্দুকের শব্দ স্তব্ধ করতে, দুর্ভিক্ষ ও গণহত্যা শেষ করতে এবং গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবাহ নিশ্চিত করতে পারে।
তিনি যোগ করেন, ‘চীন সেই নীতিতে অটল যে ‘ফিলিস্তিন শাসন করবে ফিলিস্তিনিরাই।’
টঙ্গীতে উপদেষ্টার গাড়ি আটকে বিক্ষোভ
টঙ্গীতে অন্তর্র্বতী সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করেছেন প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট ও মৈত্রী শিল্পের চাকরিচ্যুতকর্মী ও শ্রমিকরা। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে।পরে উপদেষ্টা নিজেই তাদের অভিযোগ শোনেন এবং তদন্তের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।এর আগে দিনব্যাপী উপদেষ্টা গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট ও মৈত্রী শিল্প কমপেক্স পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে প্রতিবন্ধী কর্মীদের হাতে তৈরি মুক্তা ড্রিংকিং ওয়াটার, প্লাস্টিক সামগ্রী এবং বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন। উৎপাদন মান, কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এ সময় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এবং মৈত্রী শিল্পের নির্বাহী পরিচালক কাজী মাহবুবুর রহমান,ও ম্যানেজার মহসিন উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা বের হওয়ার সময় প্রধান ফটকে বেশ কয়েকজন চাকরিচ্যুত প্রতিবন্ধী শ্রমিক ও কর্মচারী তার গাড়ি অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।তারা অভিযোগ করেন, ২০১৪ সাল থেকে চলমান অনিয়ম, দুর্নীতি ও পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে অসংখ্য প্রতিবন্ধী কর্মীকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। অথচ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখনও বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন।চাকরিচ্যুত শ্রমিকরা উপদেষ্টার হাতে একটি লিখিত স্মারকলিপিও তুলে দেন, যেখানে তারা উল্লেখ করেন প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট ও মৈত্রী শিল্প প্রতিষ্ঠানের কিছু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কর্মীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা আদায় করছে এবং প্রকৃত প্রতিবন্ধী কর্মীদের বরাদ্দকৃত সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত করে ব্যক্তিগত লাভবান হচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, চাকরিচ্যুত শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা জীবিকার তাগিদে সরকারের নিকট পুনর্বহাল ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবি জানাচ্ছেন
বিক্ষোভের সময় উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি মনোযোগ সহকারে অভিযোগ শুনে বলেন, আমি আপনাদের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করব। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হবে। কেউ অন্যায় করলে ছাড় দেওয়া হবে না।
তার এই আশ্বাসের পর বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা শান্ত হন এবং অবরোধ তুলে নেন। উপদেষ্টার মানবিক আচরণের ফলে উত্তেজনা প্রশমিত হয় বলে জানিয়েছেন উপস্থিত কর্মকর্তারা।চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের পক্ষ থেকে আরও দাবি জানানো হয় যে, প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি, নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতি চলছে। প্রকৃত প্রতিবন্ধী কর্মীদের বাদ দিয়ে প্রভাবশালীদের আত্মীয়স্বজনদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কিছু প্রক্রিয়াগত কারণে কিছু কর্মীর চাকরি স্থগিত হয়েছিল। তবে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছেন এবং দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি প্রাথমিক তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
সুদের টাকা আদায়ে বৃদ্ধকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন
কুমিল্লার চান্দিনায় সুদের টাকা আদায়ের জন্য আলী আকবর (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত বোরহানকে কল দিলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন কেটে দেন।
গাজা উপকূলের কাছাকাছি ফ্লোটিলা
গাজায় সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা আন্তর্জাতিক নৌবহর জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত উপকূলের কাছাকাছি বুধবার পৌঁছলে তাদের কয়েকটি নৌকাকে ইসরায়েলি জাহাজ ঘিরে ধরে ‘বিপজ্জনক ও ভয়প্রদর্শনমূলক কৌশল’ চালায়।
পরে নৌবহর আংশিকভাবে যোগাযোগ পুনরুদ্ধার করে।
‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামে পরিচিত এই নৌবহরে রয়েছে ৪০টির বেশি বেসামরিক নৌকা, যাতে প্রায় ৫০০ যাত্রী রয়েছেন। এর মধ্যে আছেন সংসদ সদস্য, আইনজীবী, কর্মী এবং সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থানবার্গও।
বিবৃতিতে নৌবহর জানায়, ‘এই শত্রুতামূলক পদক্ষেপে ৪০টির বেশি দেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের প্রাণ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।
এখন তারা গাজা উপকূল থেকে প্রায় ১২০ নটিক্যাল মাইল দূরে রয়েছে—যেখানে ইসরায়েল কোনো নৌকা গাজায় প্রবেশ ঠেকাতে টহল দিচ্ছে। যদি আটকে না দেওয়া হয়, বৃহস্পতিবার সকালে তারা পৌঁছানোর আশা করছে।
ফ্লোটিলার ইনস্টাগ্রাম পেজে পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, বেসামরিক নৌকার কাছাকাছি বন্দুক বসানো একটি সামরিক জাহাজের ছায়া।
গত কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়েছে, কারণ নৌবহর ড্রোন হামলার শিকার হয়। ড্রোনগুলো স্টান গ্রেনেড ও ত্বকে জ্বালাভাব সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ ফেলে, যাতে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ আহত হয়নি।
ইসরায়েল ওই হামলা নিয়ে কিছু বলেনি, তবে জানিয়েছে, গাজায় পৌঁছতে বাধা দিতে তারা যেকোনো ব্যবস্থা নেবে এবং তাদের নৌ অবরোধ আইনসিদ্ধ, কারণ তারা উপকূলে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধরত।
ইতালি ও স্পেন উদ্ধার বা মানবিক সহায়তার প্রয়োজনে নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে, তবে তারা সামরিকভাবে যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছে। তুর্কি ড্রোনও নৌবহরের গতিবিধি নজরদারি করছে। তবে নিরাপত্তার কারণে ইতালি ও স্পেন বলেছে, গাজার উপকূল থেকে ১৫০ নটিক্যাল মাইলের ভেতরে প্রবেশ করলে তারা নৌবহর অনুসরণ বন্ধ করবে।
সংগঠকদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি অধিকারবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেসকা আলবানিজ বলেন, নৌবহর আটকানোর চেষ্টা হলে তা ‘আন্তর্জাতিক আইন, বিশেষ করে সমুদ্র আইন লঙ্ঘন’ হবে, কারণ গাজার উপকূলীয় জলসীমায় ইসরায়েলের কোনো আইনি এখতিয়ার নেই।
২০০৭ সালে হামাস উপকূলীয় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে ইসরায়েল গাজার ওপর নৌ অবরোধ জারি করেছে। এরপর থেকে একাধিকবার কর্মীরা নৌপথে সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।
২০১০ সালে ইসরায়েলি সেনারা ছয় জাহাজের এক বহরে ওঠে এবং সংঘর্ষে ৯ কর্মী নিহত হন। এ বছরের জুনে ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন’ নামের একটি দলের জাহাজ গাজামুখী হলে গ্রেটা থানবার্গসহ ১২ জনকে আটক করে ইসরায়েলি নৌবাহিনী।
ইতালি ও গ্রিস বুধবার যৌথভাবে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানায় যেন নৌবহরের যাত্রীদের ক্ষতি না করা হয়। একই সঙ্গে তারা ফ্লোটিলাকে অনুরোধ করে যেন সহায়তাগুলো ক্যাথলিক চার্চের কাছে হস্তান্তর করা হয়, যাতে পরোক্ষভাবে গাজায় পৌঁছানো যায়। তবে এর আগেও ফ্লোটিলা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।