ইরানে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

 

তিনি একে ‘বিনা উসকানিতে হামলা’ বলে উল্লেখ করে করে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

 

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে মস্কোর এই অবস্থান তুলে ধরেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রে লাভরভ।

 

এদিকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে ৬০ জন।

 

ইরনা খবরে বলা হয়, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে আজ একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালায় ইসরায়েল। এই হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫১জনে দাঁড়িয়েছে।

ইরানের স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৫১

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে ৬০ জন।

 

 

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

 

ইরনা খবরে বলা হয়, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে আজ একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালায় ইসরায়েল। এই হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫১জনে দাঁড়িয়েছে।

 

স্থানীয় নগর কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাদমের বলেন, আজ সকালে ইসরায়েল সরাসরি ওই বিদ্যালয়ে হামলা চালায়। হামলার আগে সেখানে ১৭০ শিক্ষার্থী অবস্থান করছিল। তাই নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলা আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, যা বললো রাশিয়া

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কো জানিয়েছে, পরিস্থিতিকে অবশ্যই ‘রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথে’ ফিরিয়ে আনতে হবে।

এক বিবৃতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত দ্রুত এমন পদক্ষেপগুলোর নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করা, যেগুলোকে তারা ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং যা অঞ্চলটিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন, পারস্পরিক সম্মান এবং স্বার্থের ভারসাম্যের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে পেতে রাশিয়া আগের মতোই সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

Continue reading “ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, যা বললো রাশিয়া”

মাদক ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিনের হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাজীপুর-২ আসনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি-এর প্রচারণা চলাকালে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী মিছিল চলাকালে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হঠাৎ করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় মিছিলের ভেতর থেকে বের হয়ে কথিত মাদক ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন ওরফে ‘ডাবারু’ সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আহত হন দুই সাংবাদিক—মো. তৈমুর আলম অপু ও ফারুক হোসেন। তারা ঘটনাস্থলে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, হামলার সময় তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি ক্ষান্ত হননি। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। হামলার ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, শাহাবুদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে হাজী মাজার বস্তি এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। মাদক কারবারের পাশাপাশি তিনি ছিনতাই ও চাঁদাবাজি চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে মাদক, চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এলাকায় বিচার-সালিশসহ নানা সামাজিক বিষয়েও তার প্রভাব রয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি এলাকায় আরও প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ করেন তারা। সাধারণ মানুষ ভয়ে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না বলেও দাবি করেন অনেকে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন
এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, স্থানীয় কিছু অসাধু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে শাহাবুদ্দিন তার প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা অবিলম্বে হামলাকারীর গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে প্রশাসনের প্রতি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার। তার জায়গায় নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম।

সোমবার সকালে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, International Crimes (Tribunals) Act, 1973 (ACT NO. XIX OF 1973 ) এর Section 7 অনুসারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলা পরিচালনার জন্য মো. আমিনুল ইসলামকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো এবং একই সাথে মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নিয়োগসংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হলো।

এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য-২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সেনাবাহিনীর কয়েকটি শীর্ষ পদে রদবদল

সেনাবাহিনীর কয়েকটি শীর্ষ পদে রদবদল করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে সেনাসদর থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান।

এর আগে তিনি আর্টডকের জিওসি ছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।

এদিকে নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। এর আগে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।মন্ত্রিসভার বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে তার নির্ধারিত দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন।

গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মন্ত্রিসভা ও সচিবদের প্রায় সব বৈঠকই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ভেঙে দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গেজেটে জানানো হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের আনুষ্ঠানিক সম্মতি প্রদান করেছেন এবং তার নেতৃত্বেই গঠিত হতে যাচ্ছে পরবর্তী সরকার।

 

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে।

 

 

 

পৃথক একটি গেজেটের মাধ্যমে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগদানের বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর মাধ্যমে দেশ এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে পদার্পণ করল।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিলেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ পড়ান। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথ অনুষ্ঠান হয়।

তারেক রহমানের ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যারা

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জনের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় থাকছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টায়অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

নতুন মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন-

১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ, ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), ৫. মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ৬. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ৭. অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), ৮. আবদুল আউয়াল মিন্টু, ৯. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, ১০. মিজানুর রহমান মিনু, ১১. নিতাই রায় চৌধুরী, ১২. খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, ১৩. আরিফুল হক চৌধুরী, ১৪. জহির উদ্দিন স্বপন, ১৫. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), ১৬. আফরোজা খানম (রিতা), ১৭. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ১৮. আসাদুল হাবিব দুলু , ১৯. মো. আসাদুজ্জামান, ২০. জাকারিয়া তাহের, ২১. দীপেন দেওয়ান, ২২. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, ২৩. সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল), ২৪. ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) ও ২৫. শেখ রবিউল আলম

মন্ত্রিসভায় ২৪ প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন-

১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ৩. মো. শরিফুল আলম, ৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম, ৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ৬. কায়সার কামাল, ৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ, ৮. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), ৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ১০. হাবিবুর রশীদ, ১১. মো. রাজিব আহসান, ১২. মো. আব্দুল বারী, ১৩. মীর শাহে আলাম, ১৪. জোনায়েদ সাকি, ১৫. ইশরাক হোসেন, ১৬. ফারজানা শারমিন, ১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম, ১৮. নুরুল হক, ১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী, ২০. এক ইকবাল হোসেইন, ২১. এম এ মুহিত, ২২. আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ২৩. ববি হাজ্জাজ ও ২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।