টঙ্গীতে হা-মীম গ্রুপের পোশাক কারখানা সিসিএল– –এ এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, এতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন অন্তত ৩০ শ্রমিক। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে টঙ্গী বিসিক এলাকার মিলগেটসংলগ্ন কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
অজ্ঞান ১২ জনকে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এদের মধ্যে চারজন তানিয়া (২১), সুমি (২৫), শারমিন (২৪) ও ইয়াসমিন (২২)এর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রোমানা হক জানান, হা–মীম গ্রুপের ১২ শ্রমিককে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে বেশিরভাগই আতঙ্কে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। এখন তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল।
বিকেলে ১২ শ্রমিককে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। তাদের মধ্যে হাসিনা (২৫) ও পারভিন (২৬) ভর্তি রয়েছেন। অন্যরা, যেমন মহুয়া (২৮), রুনা (৩৫), সাগরিকা (২৭), ও মিতা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।
শ্রমিকরা জানায়, কয়েক দিন আগে একই কারখানার কর্মী আতিকুল ইসলাম (৩০) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। শনিবার দুর্ঘটনায় আরেকজনের মৃত্যু হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, অনেকেই ভয় পেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, ২৪ নভেম্বর আতিকুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় কোনো অভিযোগ হয়নি। শনিবারের ঘটনার পর পুলিশ কারখানায় গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে, প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হা-মীম গ্রুপের কর্মকর্তা প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, শনিবার সকালে একজন শ্রমিক হঠাৎ স্ট্রোক করে মেঝেতে পড়ে যান। পরে ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ খবর শুনে সহকর্মীরা ভয় পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারখানার পরিবেশ এখন স্বাভাবিক রয়েছে।”
ঘটনার পর কারখানার কাজ বন্ধ ঘোষণা করে শ্রমিকদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
You must be logged in to post a comment.