স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শুরু ১ নভেম্বর

ঢাকায় ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়ার কার্যক্রম আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন-১ নভেম্বর থেকে আমরা টিকা কার্যক্রম শুরু করতে পারবো। সেটা ঢাকায় ১২টি কেন্দ্র আমরা ঠিক করেছি। সেগুলো শীততাপ নিয়ন্ত্রিত হবে। অন্যান্য টিকা কার্যক্রমও চলমান থাকবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১২-১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার জন্য তালিকা শেষের দিকে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমাদের তালিকা দিয়েছে, সেই তালিকা আমরা আইসিটি মন্ত্রণালয়কে দিয়েছি। উনারা আজকে এখানে আমাদের জানিয়েছেন। উনারাও সবকিছু সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করে দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ১ নভেম্বর থেকে তাদের টিকা দেওয়া শুরু হবে। প্রথমে শুধু ঢাকার ১২টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। কেন্দ্র আরও বাড়ানো হবে। প্রতিদিন ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হবে।’

শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,‘পর্যাপ্ত ফাইজারের টিকা সরকারের হাতে মজুত আছে। এখন ঢাকায় শুরু করে পরে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নভেম্বরে আরও ৩৫ লাখ ফাইজারের টিকা আসবে। গতকাল সিনোফার্মের ৫৫ লাখ টিকা এসেছে। এ নিয়ে মোট টিকা মজুতের পরিমাণ ২ কোটি।’

টিকা দেওয়ার স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‌‌গণটিকা কার্যক্রমের আওতায় দেওয়া ৮০ লাখ লোককে দ্বিতীয় ডোজের টিকা আজ থেকে দেওয়া শুরু হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে এটি সম্পন্ন করা হবে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ

প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী দুই মাসের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে রেজিস্ট্রেশন (নিবন্ধন) নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি ডিপোজিট রাখতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সভা শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ এসব কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন। রেজিস্ট্রেশনবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করতে প্রচারণা চালাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আজকের বৈঠকে ইভ্যালি বা ই-কমার্স নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে ওনারা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন, আমরা নিজেরাও বসেছিলাম এবং নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি প্রিসাইড প্রোগ্রাম করে যারা যারা এ জাতীয় ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাদের সবাইকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। দুই মাসের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকে তাদের একটি ডিপোজিট রাখতে হবে। যাতে কোনো রকমের কিছু হলে সেই ডিপোজিট থেকে সবাইকে টাকা ফেরত দেওয়া হবে।’

নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ২

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলি ইউনিয়নের কাচারিকান্দী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-কাচারিকান্দি গ্রামের মলফত আলীর ছেলে ছাবির মিয়া (২৬) ও আসাদ মিয়ার ছেলে হিরণ মিয়া (৩৫)।

জানা গেছে, কাচারিকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন যাবৎ শাহ আলম মেম্বার গ্রুপ ও প্রবাসী শাহ আলম ওরফে ছোট শাহ আলম গ্রুপের মধ্যে বিবাদ চলছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার ভোরে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং গুলি ছুড়তে থাকে। এসময় প্রবাসী শাহ আলম গ্রুপের দুইজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

রায়পুরা সার্কেলের এএসপি সত্যজিৎ ঘোষ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বিএনপি জনভোগান্তি সৃষ্টি করলে আ’লীগ প্রতিহত করবে: কাদের

বিএনপি কর্মসূচির নামে কোনো রূপ সন্ত্রাস ও জনভোগান্তি সৃষ্টি করলে আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে বিএনপিকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি একথা জানান।

তিনি বলেন, সভা-সমাবেশ সবার সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু সমাবেশের অনুমতি না দিলে বিএনপি বলতো সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, আর অনুমতি দিলে হামলা-সন্ত্রাস সৃষ্টি করে জনগণের সম্পদ বিনষ্ট করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির কর্মসূচি মানেই জনগণের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করা।

শেখ হাসিনা সরকার কখনও খালি মাঠে গোল দিতে চায় না, সরকার চায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন, আর খালি মাঠে গোল দিতে আওয়ামী লীগ অভ্যস্তও নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপিই জন্মলগ্ন থেকে এ চর্চা করে আসছে।

তিনি বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির খালি মাঠে নির্বাচনে কথা বিএনপি ভুলে গেলেও জনগণ এখনও ভুলেনি।

বিএনপি নেতারা তাদের ব্যর্থতা আড়াল করতে ও কর্মী সমর্থকদের রোষানল থেকে বাঁচার জন্য এসব বক্তব্য দিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবারও বলেন, নির্বাচন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নয়, নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

পূজা মণ্ডপের ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারের মামলা দেওয়ার অভিযোগ সত্য নয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কে কোন দল করে সেটা দেখে নয়, ভিডিও ফুটেজ দেখেই চিহ্নিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার মাধ্যমে বিএনপি পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চেয়েছিল কিন্তু সরকার তা শক্ত হাতে দমন করেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি জাতিকে বিভ্রান্ত করছে এবং বিভেদ তৈরি করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করছেন দেশকে উন্নয়নের সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে আর এটাই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ বলেও মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার নয়াপল্টনে পুলিশের উপর হামলা এবং সন্ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে বিএনপি প্রমাণ করেছে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে সক্ষম নয় তাদের কর্মসূচি মানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।

মঙ্গলবারের কথিত সম্প্রীতি সমাবেশের আড়ালে বিএনপির ভিন্ন কোনো এজেন্ডা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, তবে কি অপরাধীদের বাঁচানোর জন্যই সম্প্রীতি সমাবেশের নামে বিএনপির এ সন্ত্রাস?

তিনি আরও বলেন, আসলে হামলা, সংঘর্ষ, ষড়যন্ত্র আর সন্ত্রাসী বিএনপির রাজনীতি- সেটা পূজামণ্ডপে হোক আর নয়াপল্টনে হোক- বিএনপি এই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরবর্তী ধাপে যেসব এলাকায নির্বাচন হবে সেসব এলাকার আওয়ামী লীগের প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিটকে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইউনিটসমূহকে এখন থেকেই মিটিং করে রেজুলেশন প্রস্তুত করতে হবে।

তিনি বলেন, যখন যে এলাকার জন্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে তার পরপরই ইউনিয়ন থেকে উপজেলা এবং জেলা হয়ে রেজুলেশন কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট এলাকার রেজুলেশন জমা দেওয়া নিশ্চিত করতে এখন থেকে সভা করে আগেই রেজুলেশন তৈরির কাজ করার নির্দেশনা দেন।

শ্রমিক দলের গ্রুপিং দূর করতে বললেন নজরুল

সরকারবিরোধী ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে শ্রমিক দলের মধ্যকার গ্রুপিং দূর করতে বললেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি একথা বলেন।

‘চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূলের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তির প্রতিবাদে’ এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘নিজেদের সংগঠনকে শক্তিশালী করুন। মনে রাখবেন, ছাত্র এবং শ্রমিক- এই দুই শক্তির সম্মেলন এবং সংঘবদ্ধ অংশগ্রহণ ছাড়া গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান হয় না। আর আগামী দিনে আমাদেরকে জনগণের আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অন্য কোনো পথ নেই। আন্দোলন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন। সেজন্য আমাদের প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ হওয়া। নিজেদের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি, কোনো দুর্বলতা এবং কোনো গ্রুপিং থাকা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘নেতা হওয়ার জন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রয়োজন নেই। আপনি ভালো কাজ করলে আপনাকে সবাই মিলে এমনি নেতা বানাবে। আমার বাড়ি জামালপুর। জামালপুরে কয়টা শ্রমিক আছে? কিন্তু আমি এতো বছর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলাম। আমাকে তো কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয় নাই। আমার সাথে কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেননি। আপনারাও ভালো করে কাজ করেন। দেখবেন, কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে না। সবাই মিলে বলবে, আপনি নেতা হবেন। সেভাবে চলুন। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন হবে। বিএনপির নেতৃত্বেই হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ অতীতেও তাই হয়েছে।’

দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেই পথ ধরেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবারও বাংলাদেশে জনগণের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বিএনপি।

বর্তমান সরকার যদি দায়িত্বে থাকে তাহলে দ্রব্যমূল্য কমার কোনো সম্ভাবনা নেই- এমন মন্তব্য করে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে দ্রব্যমূল্য আরো বাড়বে। কারণ এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না। সে কারণে জনগণের কাছে তারা দায়বদ্ধ না। জনগণকে জবাবদিহি করতে বাধ্য না। তাই আমাদের এমন সরকার দরকার, যে সরকারকে আমরা নির্বাচিত করবো। তারা আমাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। আমাদেরকে জবাবহিদি করতে বাধ্য থাকবে। সেই সরকার করতে হলে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিকল্প নাই। কারণ আমরা গণতান্ত্রিক দল হিসেবে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ছাড়া কিছু বুঝি না। আমরা ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের রাজনীতি করি না।’

বুধবার পত্রিকায় প্রকাশিত এক সংবাদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গতকাল পত্রিকায় দেখলাম, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের একজন সদস্য ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে রাইফেল দিয়ে গুলি করে নিজেই আত্মহত্যা করেছেন। তিনি লিখেছেন যে, তার যে উপার্জন সেই উপার্জন দিয়ে তার মা এবং অসুস্থ ছোট ভাইয়ের চিকিৎসা করাতে পারছেন না। তার দৈনন্দিন প্রয়োজন তিনি মেটাতে পারছেন না। এই আক্ষেপ ও কষ্টে তিনি বিয়েও করতে পারছেন না। তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পাশে একজন পুলিশের ছবি। তিনি বিষণ্ণ অবস্থায় বসে আছেন।’

দেশে প্রতিনিয়তই জিনিসের দাম বেড়ে চলেছে- একথা উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, গত ৮ মাসে ৭ বার সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। আর জানুয়ারি পরে অক্টোবর মাসে সয়াবিন তেলের প্রতি লিটারে ৪৫ টাকা বেড়েছে!

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, শ্রমিক দলের যুগ্ম সম্পাদক আবুল খায়ের খাজা, মোস্তাফিজুল কবির মজুমদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ফুলকপি, বাঁধাকপি ও কচুরিপানা উপহার পেলেন মাহি

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির জন্মদিন ছিলো গতকাল। দিনটিতে ২৯ বছরে  পা দিয়েছেন এই নায়িকা। বিশেষ এ দিনটিতে স্বামী কামরুজ্জামান সরকার রাকিব থেকে অদ্ভুত সব উপহার পেয়েছেন তিনি। সে উপহারের তালিকায় রয়েছে স্বামী ফুলকপি, বাঁধাকপি, কদবেল, পেয়ারা, পেঁপে, আপেল, স্ট্রবেরি, জলপাই, কামরাঙা, ডায়মন্ডের নেকলেস, কানের দুল ও আইফোন।

পাশাপাশি মাহিয়া মাহির প্রিয় কচুরিপানাও উপহার দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই নায়িকা। মাহিয়াকে ভিন্নভাবে সারপ্রাইজ দিতেই উপহার হিসেবে এসব দিয়েছেন  স্বামী রাকিব।

শুধু যে এসব উপহারই দিয়েছেন তা কিন্তু নয়। জন্মদিনের রাতের প্রথম প্রহরে কেক কাটার পাশাপাশি  উড়িয়েছেন ২৮টি ফানুস।

 

বৃহস্পতিবার মাহিয়া সমকালকে বলেন, রাকিবের এমন সারপ্রাইজে মুগ্ধ আমি। মনে হচ্ছে আমার জন্ম স্বার্থক। আমার যা যা পছন্দ রাকিব সেটাই করেছে জন্মদিনে। এমন একজন মানুষকে জীবনে পেয়ে সত্যিই নিজেকে ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন যেনো সারা জীবন এমন ভালোবাসায় বেঁচে থাকতে পারি।’

জন্মদিনে যে সব উপহার মাহি পেয়েছেন ফেসবুকে এক ভিডিও পোস্টে সেসব দেখিয়েছেন তিনি।  ভিডিও পোস্টের পাশাপাশি সেখানে ছড়িয়ে রাখা হয়েছে বেশ কিছু ছবি। এমনকি মাহির উদ্দেশ্যে লেখা রাকিবের ৫টি চিঠিও রয়েছে সেখানে। এ ছাড়াও সবগুলো উপহারের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, গিফট ফ্রম (উপহার দিয়েছেন) রাকিব সরকার।

মাহি জানান, বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রাকিবের সারপ্রাইজের কমতি ছিল না।  ফেসবুকে ছবিগুলোর ক্যাপশনে রাকিব সরকারকে ম্যানশন করে তিনি লিখেছেন, আমি আজ পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবতী কন্যা।

১৯৯৩ সালের ২৭ অক্টোবর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন মাহিয়া মাহি। তার পারিবারিক নাম শারমিন আক্তার নিপা। সিনেমায় তিনি মাহিয়া মাহি নামেই জনপ্রিয়। তার পিতার নাম আবু বকর ও মায়ের নাম দিলারা ইয়াসমিন।

মাহি ঢাকার উত্তরা হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেছেন। এরপর তিনি শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের ওপর পড়াশোনা করেন।

২০১২ সালে ভালোবাসার রঙ দিয়ে ঢাকাই সিনেমায় পথচলা শুরু করে হয় তার।

প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলাসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ যে কোনো জাতীয় প্রয়োজনে এই বাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ জাতীয় যে কোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব রেজিমেন্ট ও রওশন আরা রেজিমেন্টের কাছে নতুন পতাকা হস্তান্তর এবং সেনাবাহিনীর ১০টি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে একথা বলেন।

তিনি আজ সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলাসহ আর্থসামাজিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, ‘অপারেশন কভিড শিল্ড’ এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সদস্যগণ করোনা প্রতিরোধকল্পে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং বিভিন্ন বৈদেশিক মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদের আত্মত্যাগ, কর্তব্যনিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছে সম্মান ও মর্যাদা। যা বহিঃর্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে অত্যন্ত উজ্জ্বল করেছে।

অনুষ্ঠানের শেষে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেনাপ্রধান আর্টিলারি সেন্টার এন্ড স্কুলে ৪, ১২ ও ২০ ফিল্ড, ৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৫ ও ৭ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ১ ও ২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন, আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ এবং এনসিও একাডেমিকে জাতীয় পতাকা প্রদান এবং মুজিব রেজিমেন্ট ও রওশন আরা রেজিমেন্টকে আর্টিলারির নতুন পতাকা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠান থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালামও জানানো হয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না : মির্জা ফখরুল

নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে আর কোনো নির্বাচন হবেনা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই আমরা একটি নতুন সরকার গঠন করব। আর যুবদলকে অনুরোধ করব তারা যাতে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। তারা যেন স্বপ্ন দেখে একটি আধুনিক রাষ্ট্রের, একটি আধুনিক জাতি গঠনের।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন যুবদলের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তখন এমন একটি দল গঠন করতে চেয়েছেন যে দল ভবিষ্যতে বিএনপিকে নেতৃত্ব দিবে, রাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দিবে ও জাতি গঠনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে। ৪৩ বছরে জাতীয়তাবাদী যুবদল নিঃসন্দেহে তার সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে পেরেছে। আমি আজকের এই দিনে স্মরণ করতে চাই জাতীয়তাবাদী যুব দলের যে সকল নেতা-কর্মী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে বাংলাদেশের যে সংকটময় মুহুর্ত সেই মুহূর্তে সবচাইতে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে যুবদলকে। এই যুবদলের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশের মানুষকে সংগঠিত করে এই ভয়াবহ দানবীয় যে সরকার আমাদের বুকের উপর চেপে বসে আছে তাদেরকে পরাজিত করতে হবে। যে সরকার আমাদের গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে আটক করে রেখেছে, আমাদের স্বপ্নের নেতা তারেক রহমানকে নির্বাসিত করে রেখেছে, অসংখ্য নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে তাদেরকে পরাজিত করতে যুবদলকে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে হবে। আজকের সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে চাইলে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

তিনি বলেন, আমারা পরিস্কার করে বলেছি আমরা এই সরকার পরিবর্তন চাই। এই যুবকরাই সেই পরিবর্তন আনতে পারে আর সেই পরিবর্তন আনতে হলে আজকে অবশ্য আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চলনায় আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

দেখুন:

নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ : বিএনপির ৫০ নেতাকর্মী কারাগারে

নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় বিএনপির ৫০ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম হাসিবুল হক এই আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মনজুরুল হাসান খান আসামিদের মধ্যে ১৫ জনের সাত দিন করে রিমান্ড এবং অপর ৩৫ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। কিন্তু সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদারের মৃত্যুতে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রিমান্ড শুনানি মুলতবি রাখার আবেদন করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হজরত আলী।

শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করে ৫০ আসামিকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। যেসব আসামির রিমান্ড আবেদন করা হয় তারা হলেন, ছাত্রদল ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, জিহাদুল হক রঞ্জু ও ঝলক মিয়া, সূর্যসেন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু হান্নান তালুকদার, ঢাবি শাখার সাবেক সহসম্পাদক আল ইমরান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কর্মী শাহাদাত হোসেন, বিএনপি কর্মী সজিব, ছাত্রদলের সাবেক নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুবদলের শেরে বাংলা নগর থানার সভাপতি আতিকুর রহমান অপু, যুবদল কর্মী হাসান আলী, ছাত্রদল কর্মী মুতাছিম বিল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গাজী সুলতান জুয়েল, সাবেক ছাত্রদল নেতা রেজাউল ইসলাম প্রিন্স, বিএনপি কর্মী শুক্কুর এবং আবুল হোসেন হাওলাদার আশিক।

 

গতকাল মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। সেই সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সমাবেশ থেকে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ ৯৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে পুলিশ।

টিভিতে দেখা গেল মোল্লা ওমরের ছেলে মোহাম্মদ ইয়াকুবকে

আফগানিস্তানের কট্টরপন্থী শাসক তালেবান গণমাধ্যমে তাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে বুধবার টেলিভিশনে প্রচারিত একটি অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো দেখা দিয়েছেন তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ছেলে এবং বর্তমানে তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ইয়াকুব।

নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য আবেদন করেছেন। আভাস দিয়েছেন তালেবানের বর্তমান শাসকরা আগের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। খবর এনডিটিভির।

কাবুলের সর্দার মোহাম্মদ দাউদ খান সামরিক হাসপাতালে ইয়াকুব বলেন, ‘আসুন, এখানে কিছু টাকা খরচ করি। এখানে ব্যবসায়ী ভাইদের এগিয়ে আসতে হবে। এখানে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে তাদের সহায়তা দরকার। ডাক্তারদেরও আসতে হবে ভূমিকা রাখার জন্য।’

দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের কারণে আফগানিস্তানের স্বাস্থ্যখাত ভেঙে পড়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার অধীন তালেবানের ফিরে আসার পর থেকে দেশটির অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। হাজার হাজার মানুষ বিদেশে চিকিৎসা নিতে চাইছে। অন্যদিকে তালেবান শাসন থেকে পালিয়ে যেতে ইচ্ছুক মানুষদের কারণে সীমান্তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।

মোল্লা ওমরের ছেলে ইয়াকুব একসময় শক্তিশালী সামরিক কমিশনের প্রধান ছিলেন এবং তালেবানে তার প্রয়াত বাবার লৌহকঠিন অবস্থানের কারণে সুবিধাভোগীও হয়েছিলেন। তবে নতুন সরকারের সবচেয়ে ওপরের পদগুলো মোল্লা ওমরের সহযোদ্ধাদের দখলে গেছে। তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ এবং তার ডেপুটি আবদুল গনি বারাদারও আছেন।

নব্বইয়ের দশকে তালেবানের প্রথম শাসনামলে আন্দোলনের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ইয়াকুবের বাবা মোল্লা ওমর খুব কমই জনসমক্ষে উপস্থিত হতেন। তার ছবি দেখানোও নিষিদ্ধ ছিল।