ব্যবসায়ীকে অপহরণ, গ্রেফতার ৫

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ।
রবিবার (২৫ জুলাই) সকালে টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সেই সাথে অপহৃত ব্যক্তিকেও উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, গাজীপুরের মৃত আমজাদ আলীর ছেলে কামরুল হাসান (৪০), পিয়ার আলী ছেলে মাহফুজ আহমেদ (৪৫), মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারীর ছেলে শরিফ রানা বাবু (৩৭), আব্দুল জলিলের ছেলে মেহেদি হাসান শাহিন (৩৫) ও কুড়িগ্রামের রৌমারির মৃত মতিউর রহমানের ছেলে আতাউর রহমান (৪০)।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শনিবার সন্ধ্যায় টঙ্গী পূর্ব থানাধীন দত্তপাড়া হাসানলেন রোড টঙ্গী ক্রিস্টল স্কুল এন্ড কলেজের দোকানের সামনে থেকে ব্যবসায়ী হানিফ আলীকে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ১০-১৫ অপহরণকারী জোরপূর্বক অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী ঈঁদগা মাঠে নিয়ে যায়। অপহরণকারীরা অপহৃত ব্যবসায়ীকে দেশীয় অস্ত্র দা, লাঠি, সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিপণ হিসেবে জমি লিখে দিতে বলে, জমি লিখে না দিলে হত্যা করে তুরাগ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ারর হুমকি প্রদান করে। পরে ভুক্তভোগীর স্ত্রী টঙ্গী পূর্ব থানা অপহরণের অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ভিকটিমকে উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য পাঠায়। পরে পুলিম টঙ্গীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করে গাজীপুর জেলা হাজতে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাভেদ মাসুদ জানান, অপহরণের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। পরে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে ৫জন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে তারা অপহরণের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
তিনি আরো জানান, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।

কঠোরতম লকডাউনের তৃতীয় দিন : সড়কে যানবাহন বেড়েছে

লকডাউনের আজ রোববার চলছে তৃতীয় দিন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার সড়কে মানুষের সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে। ব্যাংকসহ জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এদিন বের হয়েছেন বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন।

সকাল থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সব সড়কেই প্রাইভেট কার চলছে। কিছু প্রতিষ্ঠানের ভাড়া করা বাস ও পণ্যবাহী গাড়ি চলতে দেখা গেছে। সড়কে থাকা বেশির ভাগ গাড়িই জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে কেউ বিনা প্রয়োজনে বের হয়েছেন কি না, ব্যারিকেড বসিয়ে যাচাই করে সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।

গত শুক্রবার কঠোরতম লকডাউন শুরুর পর দুদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় কিছুটা শিথিলতা দেখা গেলেও রোববার ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যারিকেড বসিয়ে যানবাহনগুলোকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে তারা। গাড়ি ছাড়া যারা বের হয়েছেন, তারাও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ছেন।

রোববার গাবতলী হয়ে ঢাকামুখী সব যানবাহনকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হেঁটে গাবতলী ব্রিজ পার হয়ে অনেককে ঢাকা আসতে দেখা যায়। গাবতলী ব্রিজের পাশে চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক মো. দুলাল হোসেন রোববার সকালে বলেন, ‘রাস্তায় মানুষ বেড়েছে, সড়কে গাড়িও বেড়েছে। ব্যাংকের লোকজনই বেশি ঢাকায় আসছেন। আমরা সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। মাস্ক না পরে গাবতলী ব্রিজ দিয়ে হেঁটে যারা ঢাকা আসছিলেন, পুলিশ তাদের সবাইকে একটি করে মাস্ক দিচ্ছে।’

মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে, বিজয় সরণি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশে, বনানীসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। রোববার সকাল থেকে প্রতিটি চেকপোস্টেই যানবাহনের ভিড় দেখা যায়। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনের চেকপোস্টে যানবাহনের লম্বা লাইন পড়েছে।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে যানবাহনের জটে আটকা পড়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তা সুমন মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘মতিঝিল যাব কিন্তু এখানে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে আটকে আছি। চেকপোস্ট পার হতে আরও ১৫ মিনিট লাগবে বলে মনে হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, ১৩ জুলাই বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই আদেশে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল ঈদের কারণে। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল ওই ঘোষণায়।

আরোপিত ‌বিধিনিষেধের আদেশে যা রয়েছে

১. সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

২. সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩. শপিং মল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪. সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫. সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮. ব্যাংক-বিমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্ম

স্থলে অবস্থান করবেন এবং দাফতরিক কাজগুলো ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

১০. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন: কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রি, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌ-যান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৩. বন্দরগুলো (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা নেওয়ার জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৭. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রি (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।

১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন।

১৯. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

২০. ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠপর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি সময় নির্ধারণ করবেন। সেইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলো এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২৩. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগে ৩ জন আটক

ধর্ষণের অভিযোগে টঙ্গী সফিউদ্দিন রোড এলাকা থেকে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ। গত ২৪ জুলাই শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে দশটায় তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো:- মো. রফিক পিতাঃ হানিফ, মো. নাইম পিতাঃ আবু বকর সিদ্দিক, মোঃ মনিরুল ইসলাম পিতাঃ আব্দুল গনি। তারা সকলেই টঙ্গী কাঁঠাল দিয়া এলাকার বাসিন্দা।

ধর্ষণের শিকার ভিক্টিম জানান, শনিবার সকাল ১১ টার দিকে তার নিজ বাসার সামনে সে খেলা করছিল। এমন সময় তার বড় ভাই ইয়াসিনের কয়েকজন বন্ধু ইয়াসিনকে বাসায় খুঁজতে আসে। ইয়াসিন বাসায় নেই জানালে তাকে নানাবিধ প্রোলোবন দেখায়। এক পর্যায়ে রফিক ও তার বন্ধুরা মিলে তাকে টঙ্গী বড় দেওড়া এলাকায় তাদের বন্ধু কায়সারের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে রফিক, নাঈম ও মনির মিলে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে তাকে রিকশাযোগে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

ভিক্টিমের বড় ভাই ইয়াসিন জানায়, আমার ছোট বোন (ভিক্টিম) কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী। আমি কাজের জন্য বাহিরে ছিলাম, আমি বাসায় এসে জানতে পারি আমার ছোট বোনকে রফিক ও তার বন্ধুরা মিলে বড় দেওড়া এলাকায় এক বাসায় নিয়ে খারাপ কাজ করেছে। আমি রফিকের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে ফোন করলে সে আমাকে বিভিন্ন হুমকিধামকি দেয়। আমি কোন উপায়ন্তর না পেয়ে এলাকার স্থানীয় কয়েক জনকে ঘটনাটি জানাই। তারা আমাকে সহযোগিতার আশ্বাস দেয় এবং কৌশলে রফিক, নাঈম এবং মনিরকে টঙ্গী সফিউদ্দিন রোডে হাজির করে। পরে টঙ্গী পশ্চিম থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তাদের গ্রেফতার করে।

কঠোর লকডাউন: নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করায় ঢাকায় গ্রেপ্তার ৩৮৩

কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিন শনিবার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে আসায় রাজধানীতে ৩৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, এদিন পুলিশ ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৩৭ জনকে ৯৫ হাজার ২৩০ টাকা জরিমানা করেছেন। ট্রাফিক বিভাগ ৪৪১টি যানকে মোট ১০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশের পাশাপাশি মাঠে তৎপর র্যাব সদস্যরা। কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সারাদেশে ১৮৬টি চেকপোস্ট পরিচালনা করে র‌্যাব ।এ সময় টহল দেয় র‌্যাবের ১৮০টি দল।

জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি র‌্যাবের ২৭টি ভ্রাম্যমাণ আদালতও অভিযান চালায়। বিধিনিষেধ অমান্য করায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২১২ জনকে ১ লাখ ৯১ হাজার ৪৭০ টাকা জরিমানা করা হয়।

কেউ মানছেন, কেউ দেখান অজুহাত

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহনের চাপ ছিল কম। চোখে পড়েছে শুধু রিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ি। কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গাড়িতে ভাড়ায় যাত্রী বহনের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

তবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে কড়া নজরদারি রেখেছিল পুলিশ, র‌্যাব,সেনাবাহিনী ও বিজিবি। তাই ছাড় পাননি আইন অমান্যকারীরা।

 

কারওয়ান বাজার মোড়ে কর্তব্যরত সার্জেন্ট মতিউর রহমান  বলেন, অনেকে ঈদের ছুটি কাটিয়ে এখনও ঢাকায় ফেরেননি, আবার অনেকে ঢাকায় থাকলেও ঘরেই রয়েছেন। এ কারণে মূল সড়কে যানবাহন ও জনচলাচল কম রয়েছে।

আশার ব্যাপার হলো, এবার মানুষ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না।

শনিবার দুপুরে কারওয়ান বাজার মোড়ে চেকপোস্টে একটি প্রাইভেটকার থামান কর্তব্যরতরা। আরোহী নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেন। তবে যাচাইয়ের স্বার্থে পুলিশ সদস্য জানতে চান, তিনি আসলেই চিকিৎসক কিনা, এমন কোনো পরিচয়পত্র আছে? এতে ওই ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে পুলিশের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পরেন। পরে অবশ্য তিনি পরিচয়পত্র দেখান এবং উপস্থিত জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তারা পরিস্থিতি শান্ত করেন।

ফার্মগেট মোড়েও রয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। সেখানে পুলিশের সামনেই ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়’ লেখা একটি বাস থেমে ভাড়ার বিনিময়ে বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা বলে লোক তুলছিল। পুলিশ তৎপর হওয়ার আগেই বাসটি চলে যায়।

এই পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করা সার্জেন্ট রফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশকে নানাভাবে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেই চেষ্টা সফল হচ্ছে না। আবার মানবিক কারণে অনেককে ছেড়ে দিতে হয়। অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের অসুস্থতা বা মৃত্যুর কথা বলেন- তাৎক্ষণিকভাবে এত কিছু যাচাই করার সুযোগ থাকে না। আবার তাদের বক্তব্য সঠিক হলে আটকে রাখাটাও ঠিক হবে না।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানালেন, চেকপোস্টে থামানোর পর কেউ কেউ ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কথা বলেন, তবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে দেখা যায় তা ভুঁয়া।

রফিকুল ইসলাম বলেন, একটি ঘটনায় ২০১৭ সালের একটি প্রেসক্রিপশন দেখান এক ব্যক্তি। রোগী কোথায় জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, বাড়িতে রয়েছে। তাহলে ডাক্তার কীভাবে দেখবেন? জবাবে ওই ব্যক্তি জানান, ভার্চুয়ালি দেখবেন ডাক্তার।

 

ভাড়ায় চালিত গাড়িতে চলছে যাত্রী পরিবহন 

লকডাউনে ভাড়ায় যাত্রীবাহী যান চলাচল নিষেধ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারে অতিরিক্ত ভাড়ায় যাত্রী বহন করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ফিরোজ হাসান জানান, ঈদের ছুটিতে ঢাকায় এসেছিলেন। তবে রোববার জরুরিভিত্তিতে তাকে কর্মস্থলে যেতে বলা হয়েছে। কীভাবে যাবেন কোনো ধারণা ছিল না।

শনিবার সকালে বের হওয়ার পর আগারগাঁওয়ে ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল পান। ৪৫০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে তাকে আবদুল্লাহপুর পৌঁছে দেন চালক। পথে কোথাও তাকে পুলিশি বাধার মুখে পরতে হয়নি।

পরে হেঁটে টঙ্গী ব্রিজ পার হয়ে তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও প্রাইভেটকারে ময়মনসিংহ পৌঁছান।

বিভিন্ন পয়েন্টে সন্দেহজনক এমন কিছু প্রাইভেটকার আটকানো হয়েছে বলে জানালেন পুলিশ কর্মকর্তারা। তবে তারা সবাই নানারকম জরুরি কাজের কথা জানিয়েছেন। ফলে বেশিরভাগই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কামরাঙ্গীরচরে বাসার ভেতর পড়েছিল মা-মেয়ের লাশ

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর নয়াগাঁও এলাকার একটি বাসা থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার ভোরে নয়াগাঁও এলাকার ৩ নম্বর গলির ভাড়া বাসায় তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহতরা হলেন- ফুলবাসী চন্দ্র দাস (৩৪) ও তার মেয়ে সুমি চন্দ্র দাস (১২)। প্রাথমিকভাবে পুলিশের সন্দেহ এই মা-মেয়েকে খুন করা হয়েছে।

পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফুলবাসীর স্বামী মুকন্দ দাস ওরফে কালু ও তার বড় মেয়ে ঝুমা রানী দাসকে হেফাজতে নিয়েছে। ঘটনা নিশ্চিত হতে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে নানা ধরনের আলামত সংগ্রহ করেছে।

পুলিশের হেফাজতে থাকা মুকন্দ দাস ভ্যানগাড়িতে করে সবজি বিক্রি করেন। মাঝেমধ্যে ঠেলাগাড়িতে ভাড়ায় পণ্য পরিবহনও করেন তিনি।

কামরাঙ্গীরচর থানার পরিদর্শক (অভিযান) মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তারা ওই বাসায় গিয়ে মা-মেয়েকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দু’জনের গলাতেই আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, তারা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, শ্বাসরোধে মা ও মেয়েকে হত্যা করা হতে পারে। তবে আলামত বিশ্লেষণ ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসার পর তারা বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবেন। তাছাড়া দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তথ্য বের হবে। পুলিশ সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

পুলিশের হেফাজতে থাকা ঝুমা রানী দাস জানান, সে ভোরে ঘুম থেকে উঠে মা এবং বোনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করে। তখন প্রতিবেশীরাও আসেন। ওই সময়ে তার বাবাও বাসাতে ছিলেন। পরে পুলিশকে খবর দেয়।

দেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

দেশকে আত্মনির্ভরশীল করতে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ফেসবুকের বিকল্প নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘যোগাযোগ’ তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এর মাধ্যমে দেশের উদ্যোক্তারা তথ্য, উপাত্ত ও যোগাযোগের জন্য নিজেদের মধ্যে একটি নিজস্ব অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও গ্রুপ তৈরি করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

আজ শনিবার উইমেন ইন ই-কমার্স (উই) আয়োজিত এন্টারপ্রেনারশিপ মাস্টারক্লাস সিরিজ-২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ফেসবুকের বিকল্প নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘‘যোগাযোগ’’ তৈরি করা হচ্ছে। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইতোমধ্যে জুম’র বিকল্প বৈঠক প্ল্যাটফর্ম এবং করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সুরক্ষা অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিজস্ব যোগাযোগের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ’র বিকল্প হিসেবে আলাপন নামেরও একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে।’ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মসহ নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘উইমেন ইন ই-কমার্স এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে উপকৃত হবে।’ উদ্যোক্তা হওয়ার প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো ঝুঁকি নেওয়ার সাহস থাকা। সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে উদ্ভাবনে নিজেদের নিয়োজিত করতে নারী উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় আইসিটি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজাউল মাকসুদ জাহেদি, সিল্ক গ্লোবাল’র প্রধান নির্বাহী এবং উই’র বৈশ্বিক উপদেষ্টা সৌম্য বসু, উই’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা প্রমুখ সংযুক্ত ছিলেন।

কঠোর লকডাউনে কারখানা খোলা রাখায় জরিমানা

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের কঠোর বিধি নিষেধের মধ্যেও কারখানা খোলা রাখার অপরাধে টঙ্গীতে একটি প্লাষ্টিক পণ্য উৎপাদন কারখানাকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আজ শনিবার দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না রহমান জ্যোতি এ অভিযান পরিচালনা করেন

গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক তামান্না রহমান জ্যোতি বলেন, টঙ্গীর টিএন্ডটি বাজার এলাকায় সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে এ ওয়ান পলিমার লিমিটেড নামের কারখানাটি তাদের পণ্য উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। খবর পেয়ে কারখানায় গিয়ে তার সত্যতা পাওয়া যায়। পরে সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে কারখানা খোলা রাখায় তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কারখানা মালিককে ৭০হাজার টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়।

এসময় এ ওয়ান পলিমার লিমিটেডের মানব সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জরিমানার ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। পরে কারখানার সকল শ্রমিকদের বের করে কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

না ফেরার দেশে চলে গেলেন ফকির আলমগীর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর।

ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের  কোভিড ইউনিটে ভেন্টিলেশনে থাকা অবস্থায় ফকির আলমগীরের হার্ট অ্যাটাক হয়। রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

ইমরান খানকে ‘হাঁড়িভাঙা’ আম পাঠালেন শেখ হাসিনা

এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা উপহারের আমগুলো কোরবানির ঈদের দিনে ইসলামাবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রাষ্ট্রাচার কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এ শুভেচ্ছা উপহার পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ধন্যবাদের সঙ্গে গৃহীত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই উপহার দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘বিশেষ নজির’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও নেপাল ও মালদ্বীপের নেতাদের আম পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কঠোর বিধি-নিষেধের প্রথম দিনে ৪০৩ জনকে আটক

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত ঈদ পরবর্তী কঠোর বিধি-নিষেধের প্রথম দিনে ৪০৩ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া কিংবা নির্দেশনা অমান্যের দায়ে তাদের আটক করা হয়।

 

 

 

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২০৩ জনকে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে দিনভর ডিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক ও জরিমানা করা হয়।

 

 

 

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, এ দফায় কঠোর বিধি-নিষেধের প্রথম দিনে ডিএমপির আটটি বিভাগে বিভিন্ন থানা পুলিশ একযোগে অভিযান চালায়। বিধি-নিষেধ অমান্য করে বাইরে বের হওয়ার অভিযোগে সারা দিনে ৪০৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

 

এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০৩ জনকে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

এদিকে প্রথম দিন নিয়ম অমান্য করায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ৪৪১টি গাড়িকে ১০ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

 

 

এ দফায় শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধি-নিষেধ চলবে আগামী ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত।