কখন ছাড়া হবে সমন্বয়কদের? যা বললেন ডিবির হারুন

ডিবি হেফাজতে থাকা ‘বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলন’-এর সমন্বয়কদের খুব শিগগিরই পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ।

ডিবি হেফাজতে মোট ছয়জন সমন্বয়ক আছেন বলে স্বীকার করেছন তিনি।সোমবার (২৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন হারুন অর রশীদ।

এর আগে এক ফেসবুক পোস্টে হারুন অর রশীদ লিখেছিলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন।

তাই ওদের ডিবি কার্যালয়ে এনে তাদের সাথে কথা বললাম। কি কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে! ওদের কথা শুনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের নানা পরিকল্পনার কথা জানানোর পর তাদের উদ্বেগ দূর হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টিম ডিবি ডিএমপি বদ্ধপরিকর।’

এশিয়া কাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেল বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বসতে চলেছে পুরুষদের ক্রিকেটের বড় কোনো ইভেন্ট। চলতি বছরই নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসবে দেশে, এর আগে ২০২২ সালে নারীদের এশিয়া কাপও আয়োজন করেছে বিসিবি। এবার এক দশকেরও বেশি সময় পর দেশের মাটিতে পুরুষদের এশিয়া কাপ আয়োজন করতে চলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

এশিয়া কাপের পরবর্তী দুই আসর কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা ইতোমধ্যেই নির্ধারণ করেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। এশিয়ার কাপের পরবর্তী আসর অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালে। আগামী বছর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ভারত। এরপর ২০২৭ সালে এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের মাটিতে।২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরবর্তী আসর অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণেই ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ আয়োজন করা হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। আর ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এর আগে এশিয়া কাপ আয়োজন করা হবে ওয়ানডে ফরম্যাটে।

এশিয়া কাপের পরবর্তী এ দুই আসরেই ১৩টি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান- এই ৫ দেশ ছাড়াও বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা একটি দলও খেলেবে টুর্নামেন্টে। ছয়টি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতি দল খেলবে দুইটি করে ম্যাচ। এরপর উভয়গ্রুপের সেরা দুই দল নিয়ে পরবর্তী সুপার ফোর ধাপটি হবে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে। সুপার ফোরের সেরা দুই দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

বাংলাদেশ সর্বশেষ এশিয়া কাপ আয়োজন করেছিল ২০১৬ সালে। সেবার ফাইনালেও ওঠেছিল টাইগাররা, তবে ভারতের কাছে হেরে শিরোপার স্বপ্ন ভঙ্গ হয় লাল-সবুজের দলের।

ইসরাইল আক্রমণের হুমকি এরদোগানের

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যিপ এরদোগান বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের সহায়তার জন্য তার দেশ ইসরাইলে প্রবেশ করতে পারে, যেভাবে তারা লিবিয়া ও নাগার্নো-কারাবাখে করেছিল।

এরদোগান তার নিজ শহর রিজে ক্ষমতাসীন একে পার্টির এক সভায় বক্তৃতাকালে বলেন, ‘আমরা অবশ্যই খুবই শক্তিশালী। ফলে ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইল যেসব অদ্ভূত কাজ করতে পেরেছে, আমাদের সাথে পারবে না। ঠিক যেমন আমরা কারাবাখে প্রবেশ করেছিলাম, ঠিক যেমন লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলাম, আমরা সেভাবে তাদের ভেতরেও প্রবেশ করতে পারি।’

এরদোগান আরো বলেন, ‘আমরা এমনটা করব না- এর কোনো কারণ নেই… আমরা অবশ্যই শক্তিশালী। আর এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি।’ তার এই বক্তৃতা টেলিভিশনে প্রচার করা হয়।

এরদোগানের এই মন্তব্যের পর ইসরাইলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এক্সে বলেন, তুর্কি প্রেসিডেন্ট ‘সাদ্দাম হোসেনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইসরাইলকে আক্রমণ করার হুমকি দিচ্ছেন।’

কাটজ বলেন, ‌’সেখানে কী ঘটেছিল এবং কিভাবে তা শেষ হয়েছিল’ তা এরদোগানের মনে রাখা উচিত।

উল্লেখ্য, লিবিয়ায় জাতিসঙ্ঘ স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে ২০২০ সালে লিবিয়ায় তুর্কি বাহিনী প্রবেশের কথা বলেন এরদোগান।

গত বছর তুরস্ক বলেছিল যে আজারবাইজানকে তারা সামরিকসহ ‘সকল উপায়ে’ সহায়তা দিচ্ছে। উল্লেখ্য, নাগার্নো-কারাবাখে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল আজারবাইজান। তবে আজাবাইজানের সামরিক অভিযানে সরাসরি হস্তক্ষেপ করার কথা অস্বীকার করে তুরস্ক।

সূত্র : মিডল ইস্ট আই

সহিংসতা : হুন্ডিতে নূরের কাছে আসে ৬৫ লাখ টাকা!

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর। তিনি সাম্প্রতিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের অত্যন্ত সুকৌশলে পরিচালিত করেছেন। আড়ালে থেকে তিনিই সব কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন। কোটা আন্দোলনে উসকানি দিয়েছেন- এমন তথ্যের ভিত্তিতে নূরকে আটক করে পুলিশ।

এরপর তাকে এই আন্দোলনের বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হলে তিনি এসব তথ্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) দেন।ডিবির একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের অভিজ্ঞতা রয়েছে নূরের। এই আন্দোলনে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার বড় একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন। পরে তিনি একটি রাজনৈতিক দলও খোলেন।

এবারের এই কোটা আন্দোলনে পেছন থেকে সমন্বয়কারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, কোটা আন্দোলন সফল করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ থেকে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা দেশে এনেছিলেন।এই টাকার একটি অংশ প্রায় ৬৫ লাখ টাকা তিনি ঢাকার তিন অঞ্চল বাড্ডা, মিরপুর ও লালবাগে গণ অধিকার পরিষদের নেতাদের দিয়েছিলেন। যাতে তারা কোটা আন্দোলনের বিভিন্ন রসদ আন্দোলনকারীদের পাঠান।নূরের মামলার সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত ১৮ জুলাই রাজধানীর সেতু ভবনে অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় নুরুল হক নূরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। আদালতে নূরের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তার ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে।

সহিংসতার ঘটনার মামলায় রবিবার (২৮ জুলাই) পুলিশ নুরুল হক নূরকে আদালতে হাজির করলে আদালত আবারও তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। কোটা আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে নুরুল হক নূরকে আটক করে ডিবি।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ গতকাল একটি জাতীয় দৈনিককে বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনে নূর বিভিন্ন স্থানে টাকা লেনদেন করেছেন বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। এর সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরও আমরা আইনের আওতায় আনব।’

নূরের মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে যে মোটা অঙ্কের টাকা এসেছে তার বড় অংশ নিজের পকেটে রেখেছেন নূর। এর একটি অংশ ৬৫ লাখ টাকা বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেছেন। এই টাকা দিয়ে সহিংসতাকারীদের পানি, বিরিয়ানি, কাপড়ের জুতা সরবরাহ করা হয়েছিল। এ ছাড়া ওই টাকা দিয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে লোক ভাড়া করে পুলিশের সঙ্গে সহিংসতা করার জন্য আনা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শুরু থেকেই এই কোটা আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন নূর। প্রত্যেক দিন রাতে ঢাকার রামপুরার একটি বাসায় কোটা সমন্বয়কারীদের সঙ্গে নূরের বৈঠক হয়েছে। কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ও সারজিস আলমের সঙ্গে নূরের মোবাইল ফোনে কোনো যোগাযোগ হয়নি। তবে অন্যদের সঙ্গে ফোনে তিনি কথা বলেছেন।

নাহিদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ না করার কারণ হিসেবে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে দুজনের সঙ্গে তিনি ফোনে কথা বলেননি।

সূত্র জানায়, কোটা আন্দোলন শুধু শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থাকুক- এই জন্য তিনি আড়ালে থেকেই সমন্বয়কারীদের পরিচালনা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কোটা আন্দোলনের যে বিভিন্ন কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো সমন্বয়কারীরা তার সঙ্গে পরামর্শ করেই দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মতো কোনো কর্মসূচি না দিয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে কর্মসূচি দিয়ে সবার নজর কাড়ানোর পরিকল্পনাও তাদের সফল হয়েছে বলে নূর দাবি করেছেন।

সূত্র জানায়, নূর শুরুতে এই আন্দোলনে কোনো দলকে সম্পৃক্ত না করার জন্য কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি সমন্বয়কারীদের আশ্বাস দিয়েছিলেন যে আন্দোলন যখন সফলতার দ্বারপ্রান্তে যাবে, তখন তার দলসহ অন্যান্য বিরোধী দলকে সম্পৃক্ত করা হবে। এই দায়িত্ব তিনি নিজেই নিয়েছিলেন। এরই অংশ হিসেবে বিরোধী দলের এক ঊর্ধ্বতন নেতার উত্তরার বাসায় নূর গত ১৩ জুলাই রাতে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে সাম্প্রতিক সহিংসতায় গ্রেপ্তার হওয়া লক্ষ্মীপুর জেলার এক সাবেক এমপিও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছেন। তারা প্রাথমিক তদন্তে মেট্রোরেলে সহিংসতায় একটি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশ পেয়েছেন। প্রয়োজনে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্তকারীরা।

প্যারিস অলিম্পিকে এখন পর্যন্ত সোনা উঠল যাদের হাতে

গতকাল থেকে (২৭ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে প্যারিস অলিম্পিক। এবারের অলিম্পিক আসরে মোট ৩২টি ইভেন্টে ৩২৯টি সোনার লড়াই হবে। বরাবরের মতো এবারও সবচেয়ে বেশি (৪৮টি) পদকের লড়াই অ্যাথলেটিকসে। এরপরই রয়েছে সাঁতার।

এই ইভেন্টে অনুষ্ঠিত হবে ৩৫টি সোনার লড়াই। এখন পর্যন্ত যেসব ইভেন্টে সোনার নিষ্পত্তি হয়েছে।শুটিংয়ে ১০ মিটার এয়ার রাইফেল মিশ্র দলগতে সোনা জিতেছে চীন।  চীনের লিহাও সেং–ইয়ুতিং হুয়াং জুটি ফাইনালে ৬–১২ পয়েন্টে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার জিহিউম কিউম–হাজুন পার্ক জুটিকে।শুটিংয়ে এটিই প্রথম সোনা চীনের।

শুটিংয়ের পর ডাইভিংয়েও প্রথম সোনা জিতেছে চীন। সিনক্রোনাইজড ৩ মিটার স্প্রিংবোর্ড ডাইভিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে  সোনা জিতেছে তারা।

মেয়েদের ব্যক্তিগত টাইম ট্রায়াল সাইক্লিং ইভেন্টে সোনা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।

 

ছেলেদের সাইক্লিংয়ে সোনা জিতেছে বেলজিয়াম। ব্যক্তিগত টাইম ট্রায়াল সাইক্লিং ইভেন্টে ইতালির ফিলিপ্পো জানাকে হারিয়ে সোনা জিতেছেন রেমেকো ইভেনপোয়েল।

৩৬ মিনিট ১২.১৬ সেকেন্ড সময় নেন এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। 

মেয়েদের জুডোয় সোনা জাপানের। মেয়েদের ৪৮ কেজি জুডো ইভেন্টে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন  মঙ্গোলিয়ার বাশানখু বাভুদর্জকে হারিয়ে সোনা জিতেছেন জাপানের তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন সুনোদা নাতসুমি।

অলিম্পিকে প্রথম পদক জয়ের পর কাজাখস্তান ছেলেদের জুডোয় জিতে নিয়েছেন সোনা। ৬০ কেজি জুডোর ফাইনালে ফ্রান্সের লুকা মেকেদজিকে হারিয়ে সোনা জিতেছেন কাজাখস্তানের ইয়েলদোস সেমেতভ।

স্বাগতিক ফ্রান্স এবার প্রথম সোনার পদকটি পেল ছেলেদের রাগবি সেভেনে। ফিজির বিপক্ষে ২৮-৭ ব্যবধানে ফ্রান্সের জয়ে বড় অবদান বেঞ্চ থেকে নামা আঁতোয়ান দুপন্তের। তার চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সে জিতেছে ফ্রান্স। সোনা জয়ের আনন্দে গর্জে উঠে ফ্রান্সের গ্যালারি।

জার্মানি প্রথম সোনা জিতেছে সাঁতার পুলে। ছেলেদের ৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইল ইভেন্টে সোনা জিতলেন জার্মানির লুকাস মার্টেনস। হারিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এলিজা উইনিংটনকে।  প্যারিস অলিম্পিকে সাঁতারে প্রথম সোনাও তার।

মেয়েদের ৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইলের ফাইনালে ৩ মিনিট ৫৭.৪৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনার পদক ধরে রাখলেন অস্ট্রেলিয়ান সাঁতারু আরিয়ার্না টিটমাস। রুপা জিতেছেন ম্যাকিন্টোস। ৪ মিনিট ০.৮৬ সেকেন্ড নিয়ে ব্রোঞ্জ লেডেকির। এই লড়াইয়ে তাকিয়ে ছিল গোটা বিশ্ব।

মেয়েদের রিলের পুলেও সোনা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। মেয়েদের দলীয় ১০০*৪ মিটার ফ্রিস্টাইল রিলে সাঁতারে ৩ মিনিট ২৮.৯২ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। এটা নতুন অলিম্পিক রেকর্ড। রুপা জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ছেলেদের রিলের পুলে সোনা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ১০০*৪ মিটার ফ্রিস্টাইল রিলে সাঁতারে ৩ মিনিট ০৯.২৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র। ৩ মিনিট ১০.৩৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে রুপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।

ফেন্সিংয়ে মেয়েদের ব্যক্তিগত এপে ফাইনালে সোনা জিতেছেন হংকংয়ের ভিভিয়ান কং। হংকংয়ের প্রথম নারী হিসেবে ফেন্সিংয়ে অলিম্পিক সোনার পদক জিতলেন তিনি। ফ্রান্সের অঁরিয়ে মাল্লো-ব্রেটনের বিপক্ষে তিনটি ধাপ মিলিয়ে নির্ধারিত সময়ে ১২-১২ ব্যবধানে সমতায় ছিলেন তিনবারের এই এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন। অতিরিক্ত সময়ে একটি সাডেন ডেথ হিটে হংকংকে এবারের গেমসে প্রথম সোনা এনে দেন কং।

ছেলেদের ব্যক্তিগত স্যাবরে ফেন্সিংয়ে সোনা জিতেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার ওহ সাংগুক। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম পুরুষ প্রতিযোগি হিসেবে ব্যক্তিগত স্যাবরে ইভেন্টে সোনা জিতলেন ওহ সাংগুক। তার কাছে ১৫-১১ ব্যবধানে হেরে রুপা জিতেছেন তিউনিসিয়ার ফারেস ফেরজানি।

ধ্বংসযজ্ঞের দায় বিএনপি-জামায়াতকে নিতে হবে : সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ

কোটা আন্দোলনের নামে সম্প্রতি দেশজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞেদের দায় বিএনপি-জামায়াতকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক নেতারা। তারা জানান, এসব ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনতে হবে। 

গতকাল শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম’ আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সাংবাদিক নেতারা এ দাবি জানান। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ) ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক নেতারা।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ১৮ ও ১৯ জুলাই সারাদেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থী, পথচারী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যসহ বহু মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন সাংবাদিকরাও। এ ছাড়া সহিংসতায় সরকারি-বেসরকারি বহু স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে সাংবাদিক নেতারা বলেন, দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে যারা সরকারি স্থাপনায় হামলা করেছে তাদের কঠোরভাবে দমন করতে হবে। দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের রুখতে সরকারকে আরও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ও বিচক্ষণ হওয়ার পরামর্শও জানান তারা। 

মঙ্গলবার যৌথ সভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদ্বয়ের যৌথ সভা ডাকা হয়েছে।
আজ রবিবার (২৮ জুলাই) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে জানানো হয়, আগামী মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ফেসবুক-টিকটক-হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ রাখার নির্দেশ

মোবাইল ইন্টারনেট ফিরলেও বন্ধ থাকছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম। রবিবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে চালু হয় মোবাইল ইন্টারনেট। তবে গ্রাহকরা বলছেন, শুরুতেই ধীরগতি পাচ্ছেন।

মোবাইল অপারেটর ও বিটিআরসি সূত্রে জানা যায়, আজকের বৈঠকে অপারেটরদের ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি এক ও  তিন দিনের ডাটা প্যাকেজ করার ব্যাপারেও বলা হয়।এদিকে ফেসবুক, টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে তলব করেছে বিটিআরসি। তাদের ৩ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী—বুধবারের (৩১ জুলাই) মধ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে সশরীরে হাজির হয়ে তাদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।
আপাতত ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বন্ধ থাকছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের কাছে বিটিআরসি নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে যে ব্যাখ্যা চেয়েছে, তা স্পষ্ট করে না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে অবাধে তাদের কার্যক্রম খুলে দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্তে অনড় থাকবে সরকার।এদিকে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনেক গ্রাহকের ডাটা প্যাকেজ কেনা থাকলেও তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। গ্রাহকদের এ ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সব মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে ৫জিবি করে ডাটা বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার মেয়াদ হবে তিন দিন।

ইন্টারনেট চালুর পর এ ডাটা প্যাকেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব অপারেটরের সিমে চালু হয়ে যাবে।রবিবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মোবাইল অপারেটরগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন পলক। সেখানে এসব সিদ্ধান্ত হয়।সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে গত ১৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ফোর-জি নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে পড়ে। তখন থেকে সব অপারেটরের থ্রি-জি ও ফোর-জি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে।

এরপর পরিস্থিতির আরো অবনতি হলে ১৮ জুলাই রাত থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচ দিন পর গত ২৩ জুলাই রাত থেকে সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা শুরু হয়।বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাসাবাড়িতেও ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি গুগল ক্যাশ সার্ভার ক্লিয়ার করায় ধীরে ধীরে ইন্টারনেটে স্বাভাবিক গতি ফিরছে।

ডিবি হেফাজতে থাকা সমন্বয়কদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কদের নিরাপত্তার জন্যই তাদের ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত হওয়ার পরই তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ছিল, সেটি তারা জানিয়েছিলেন। এ কারণে তাদের নিরাপত্তার জন্যই হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

’আজ রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।কোটা সংস্কার আন্দোলনে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে ১৪৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি। তবে এর মধ্যে কতজন শিক্ষার্থী সে তথ্য এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি। মন্ত্রী বলেন, নিহতদের মধ্যে পুলিশ, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ রয়েছে।

ছাত্র কতজন এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। আরও যাচাই করে তথ্য জানানো হবে।’এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তাদের পরিবারকে উদ্বিগ্ন না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

আজ রবিবার রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘কেউ যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং তারা যদি বিভিন্ন জায়গায় বলে তাদের সঙ্গে যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে, এটা জানার পর আমাদের নৈতিক দায়িত্ব তাদের নিরাপদে নিয়ে আসা। প্রশ্ন আসতে পারে শুধু তাদের ক্ষেত্রে কেন নিরাপত্তার বিষয়। মনে রাখতে হবে এই লোকগুলোকে কেন্দ্র করে অর্থাৎ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঘিরেই কিন্তু একটি অসাধু চক্র জামায়াত-বিএনপি এই সুযোগে অনুপ্রবেশ করে একটা গণতান্ত্রিক সরকারকে পতন ঘটাতে চেয়েছিল। এই চক্র রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী আগুন লাগাতে চেয়েছিল। সেই কারণে আমি মনে করি, এই চক্র যদি আবার শিক্ষার্থীদের কোনো কিছু করে আন্দোলনের কিছু করতে চায়, সেজন্য নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সমন্বয়কদের ডিবি হেফাজতে নিয়েছি।

কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কদের ডিবি হেফাজতে কত দিন রাখা হবে জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা সমন্বয়কদের সঙ্গে কথা বলব এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলব।’নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি সমন্বয়কদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান বলেন, ‘যেহেতু তারা নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের কাছে তারপরেও তাদের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে কথা-বার্তা হচ্ছে। আমরা তাদের কাছে জানতে চেয়েছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের সুন্দর একটা আন্দোলন ছিল, এই আন্দোলনের সময় তাদের সঙ্গে কারা কারা যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে। কারা কারা তাদের উস্কানি দিয়েছিল। আমরা তাদের কাছে এসব বিষয়ে জানতে চেয়েছি। তারা কিছু নাম নম্বর আমাদের দিয়েছে।’

মেট্রোরেলে হামলাকারী শনাক্ত হবে সিসি ক্যামেরা দেখে 

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউনের’ মধ্যে গত শুক্রবার মেট্রোরেলের কাজীপাড়া ও মিরপুর-১০ স্টেশন ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। এসব স্টেশনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোও ভাঙচুর করা হয়েছে। তবে ভেঙে ফেলার আগমুহূর্ত পর্যন্ত ক্যামেরাগুলোয় হামলাকারীদের ভিডিও-ছবি ধারণ হয়েছে। সেসব ছবি-ভিডিও দেখেই হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল সূত্র। 

মেট্রোরেল সূত্র জানায়  ‘মেট্রোরেলের মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশনে হামলাকারীরা শুক্রবার হামলা করে। এতে মিরপুর-১০ স্টেশনের শতভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাজীপাড়া স্টেশনের ৬০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

মেট্রোরেল প্রকল্পে যুক্ত এক প্রকৌশলী   বলেন, ‘মেট্রোরেলের দুই স্টেশনে প্রায় ১০০টির মতো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। এসব ক্যামেরা জাপানি প্রযুক্তিতে তৈরি। ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে একজন ব্যক্তির চেহারা আলাদা আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়। নিরাপত্তার জন্যই এসব ক্যামেরায় উচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই ওই দিন মেট্রোরেলের এসব স্টেশনে যারা হামলা করেছিল, তাদের চেহারা ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। এগুলো প্রধান সিস্টেমে জমা আছে। চাইলেই এসব ছবি দেখে হামলাকারীদের খুঁজে বের করা যাবে।’

এদিকে গত রোববার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) আট সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির প্রধান অতিরিক্ত সচিব মো. জাকারিয়া ও সদস্যসচিব করা হয়েছে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপক (অপারেশন) ইফতেখার হোসেনকে। কমিটি ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রতিবেদন দেবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই দুই স্টেশন আবার চালু হতে প্রায় এক বছর সময় লাগবে।

ডিএমটিসিএলের কোম্পানি সচিব আব্দুর রউফ  বলেন, ‘মেট্রোরেলের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করার জন্য কাজ চলছে। হামলা-ভাঙচুরের বিষয়ে মামলা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে ডিএমটিসিএল।’

সার্বিক বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান  ‘এখন প্রযুক্তি অনেক দূর এগিয়ে গেছে। সিসি ক্যামেরার সঙ্গেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যোগ করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে এসব সিসি ক্যামেরা মানুষের গতিবিধি দেখে সে অপরাধী কি না, সেটাও বুঝতে পারে।’

যানজটের নগরী ঢাকায় ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর চালু হয় মেট্রোরেল। সরকারের মেগা প্রকল্পগুলোর অন্যতম এই যোগাযোগব্যবস্থা চালুর পরই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। শুরুতে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করেছে মেট্রোরেল। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশ খুলে দেওয়া হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুর দিকে যখন সড়কে যানজট ছিল, সে সময়ও মেট্রোরেলের সব স্টেশনেই ছিল ভিড়। তবে কয়েক দিন থেকেই বন্ধ মেট্রোরেল।