ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ ৬ সিটিতে মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি। তারা মাঠে প্রচারণাও শুরু করেছে। অপরদিকে জামায়াত জানিয়েছে, তফসিল ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হবে।
তবে দুই দলের দায়িত্বশীল পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা দেখাতে চায় উভয় দলই। ফলে এককভাবে নির্বাচন করার আলোচনা জোরালো হচ্ছে। যদিও এনসিপির একটি অংশ ঢাকার অন্তত একটি সিটিতে সমঝোতা চায়।
এ বিষয়ে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “কেন্দ্র থেকেই মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, তফসিলের পর তা প্রকাশ করা হবে।”
সমঝোতা নাকি প্রতিদ্বন্দ্বিতা?
এনসিপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, তারা জোটগতভাবে নির্বাচনে আগ্রহী হলেও জামায়াতের কাছ থেকে ঢাকার অন্তত একটি সিটিতে ছাড় চান। বিশেষ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিষয়ে আপসের সুযোগ দেখছেন না তারা।
দলের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা কৌশলগত কারণে ৬ সিটিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছি। তবে শেষ পর্যন্ত জোট অক্ষুণ্ন রাখতে চাই। এ ক্ষেত্রে কিছু সিটিতে সমঝোতার আলোচনা হয়েছে।”
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, নির্বাচিত হলে ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দাদের আর ময়লার বিল দিতে হবে না। পাশাপাশি ঢাকাকে দখল ও দূষণমুক্ত করার কথাও জানান তিনি।
জামায়াতের তৃণমূলে অসন্তোষ
জামায়াতের তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপির প্রার্থীদের নিয়ে এক ধরনের অসন্তোষ রয়েছে। তাদের দাবি, ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম ছাড়া অন্য কাউকে মেনে নেওয়া হবে না। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের এক নেতা বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে সাদিক কায়েমকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঠিক করেছি। এ বিষয়ে সমঝোতার সুযোগ নেই।”






