আমিই দলের পূর্ণকালীন সভাপতি, বৈঠকে ‘জি ২৩’ নেতাদের সোনিয়া গান্ধী

কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী বলেন, ‘আমিই দলের ফুলটাইম সভাপতি। কংগ্রেসকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলার জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা, ঐক্য এবং দলের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’ আজ শনিবার কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৯ সালে রাহুল গান্ধীর পদত্যাগের পর থেকে দলের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সোনিয়া গান্ধী। আজকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আগামী সভাপতি নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠকের শুরুতে নিজের ভাষণে সোনিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি কংগ্রেসের পূর্ণ সময়ের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনে রাজি। মূলত দলের ‘জি ২৩’ গ্রুপের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

তবে বৈঠকের একটি সূত্র জানায় যে আগামী সেপ্টেম্বরে পূর্ণ সময়ের সভানেত্রী পেতে চলেছে কংগ্রেস।

কপিল সিবল, গোলাম নবী আজাদের মতো নেতারা সভাপতি হিসেবে স্থায়ী কাউকে চেয়ে বারবার দাবি জানাচ্ছিলেন। মুখ খুলছিলেন সংবাদমাধ্যমের সামনেও। এত দিন এটা নিয়ে একটি কথাও বলেননি সোনিয়া। আজ কংগ্রেসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সেই বিক্ষুব্ধ নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি অনুমতি দেন, তাহলে আমি কংগ্রেসের পূর্ণ সময়ের সভানেত্রী হতে পারি। আমি বরাবরই খোলামেলা পরিবেশে বিশ্বাস রেখে এসেছি। তাই সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে আমার সঙ্গে কথা বলার কী প্রয়োজন?’

সোনিয়া গান্ধী বলেন, ‘কংগ্রেসকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলার জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা, ঐক্য এবং দলের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। দল আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। আমরা অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু তিনি এটাও জোর দিয়ে বলেন, ‘যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও এককভাবে দলের স্বার্থের দিকে মনোনিবেশ করি, তাহলে আমি নিশ্চিত যে আমরা ভালো করব। আমি এ বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন যে আমি অন্তর্বর্তীকালীন কংগ্রেস সভাপতি।’ তিনি আরও বলেন যে সাংগঠনিক নির্বাচনের জন্য একটি নতুন তারিখ শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

প্রায় দেড় দশক কংগ্রেসের সভানেত্রী ছিলেন সোনিয়া গান্ধী। তারপর ২০১৭ সালে সেই দায়িত্ব তুলে দেওয়া রাহুল গান্ধীর হাতে। তবে ২০১৯ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর পদ থেকে সরে দাঁড়ান রাহুল গান্ধী। তারপর থেকেই দলের কাঠামো বদল ও স্থায়ী সভাপতির পক্ষে কথা বলে আসছেন কপিল সিবল, গোলাম নবী আজাদের মতো নেতারা। গত বছর থেকে কংগ্রেসে সাংগঠনিক নির্বাচন চেয়ে সরব দলের নেতাদের একাংশ। যাঁরা এই দাবি তুলেছেন, তাঁদের ‘জি-২৩’ বলা হচ্ছে। কারণ, ২৩ জন নেতা এ–সংক্রান্ত দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন সোনিয়া গান্ধীকে। সেই তালিকায় গোলাম নবী আজাদ, আনন্দ শর্মার মতো কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতারা আছেন। তাঁরা পরবর্তী সময়েও একই দাবিতে সরব হয়েছিলেন।

দেখা যাচ্ছে ‘জি বাংলা’, নেই বিজ্ঞাপন

টানা ১৪ দিন বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে ভারতের ‘জি বাংলা’ চ্যানেলটি। বিজ্ঞাপন ছাড়াই (ক্লিন ফিড) ‘জি বাংলা’ বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য স্যাটেলাইটে আপলিংক করছে। সেখান থেকে এদেশীয় কেব্‌ল অপারেটররা তা ডাউনলিংক করে যখনই অনুষ্ঠান তখনই প্রচার (রিয়েল টাইম) করছেন।

বাংলাদেশে জি বাংলার পরিবেশক প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের ফাঁকে বিজ্ঞাপনের সময়টিতে ওই চ্যানেলের অন্য অনুষ্ঠানের

প্রোমো’দেখানো হচ্ছে।

ঢাকা ও বাইরের জেলাগুলো থেকে দর্শকেরা এখন জি বাংলা চ্যানেল দেখতে পাচ্ছেন। ঢাকার মিরপুর, উত্তরা, লালবাগ, রামপুরা, লালমাটিয়ার দর্শকেরা জি বাংলা দেখতে পারছেন বলে কথা বলে জানা গেছে।

গতকাল শুক্রবার রাত থেকে জি বাংলা দেখতে পাচ্ছেন কেব্‌ল অপারেটরের গ্রাহক ও ডিটিএইচের দর্শকেরা। কেব্‌ল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভাপতি এস এম আনোয়ার পারভেজ প্রথম আলোকে বলেন, জি বাংলা কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ক্লিন ফিড চ্যানেল দিচ্ছে। সেটি পরিবেশকেরা প্রচার করছে। তিনি বলেন, পরীক্ষামূলক একটি চ্যানেলের মাধ্যমে ফিড ‘ক্লিন’ এনে প্রচার করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বন্ধ থাকা অন্য চ্যানেলগুলো সম্প্রচারে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন কেব্‌ল অপারেটরদের এই নেতা।
বাংলাদেশে জি নেটওয়ার্কের সব চ্যানেলের পরিবেশক মিডিয়া কেয়ার নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তবে ওই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কেউই এখনো বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি নন।

২০০৬ সালের কেব্‌ল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইনের ১৯(১৩) ধারায় বলা হয়েছে, ‘বিদেশি কোনো চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বা সঞ্চালন করা যাবে না।’

চ্যানেল সম্প্রচার বন্ধের পর পরিবেশকেরা বলেছিলেন, বাংলাদেশের বাজার ছোট। এ কারণে ক্লিন ফিড চ্যানেলের প্রচার করতে চান না ব্রডকাস্টাররা। আর পরিবেশক বা অপারেটররা বিজ্ঞাপনমুক্ত করে চ্যানেলের সম্প্রচার করবে, এই সক্ষমতাও তাঁদের নেই।

এর মধ্যেই বিজ্ঞাপনমুক্ত হয়ে ‘জি বাংলা’ সম্প্রচারে আসায় অন্য চ্যানেলগুলো ক্লিন ফিড পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী কেব্‌ল অপারেটর ও পরিবেশকেরা।

তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জি বাংলাসহ এখন বিবিসি, সিএনএন, আল–জাজিরা এইচডি, ডিডব্লিউ, কেবিএস ওয়ার্ল্ড, এআরআই র‌্যাংগ টিভি, এনএইচকে ওয়ার্ল্ড, সিজিটিএন, রাশিয়া টুডে, ফ্রান্স ২৪, লোটাস, ট্রাভেল এক্সপি এইচডি, আল কুরান, আল সুন্না, ট্রাভেল এক্সপি ও দূরদর্শন টেলিভিশন বাংলাদেশের দর্শকেরা দেখতে পাচ্ছেন। এর সবই ‘ক্লিন ফিড’ প্রচার হচ্ছে।

বাসের পেছনে ট্রাকের ধাক্কা, দুই শিশুসহ নিহত ৬

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা তিনটায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চেলেরঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে একটি ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এতে ঘটনাস্থলে পাঁচজনের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে অপর একজনের মৃত্যু হয়। নিহত লোকজনের মধ্যে একজন নারী ও দুজন শিশু রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর অবস্থায় আরও পাঁচজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

ত্রিশাল থানার ওসি মাঈন উদ্দীন জানান, ঢাকা থেকে শেরপুরগামী একটি বাস ত্রিশালের চেলেরঘাট এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় পেছন থেকে ময়মনসিংহগামী একটি বালুবাহী ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসের পেছনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহত লোকজনের পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। উদ্ধার কাজে পুলিশের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন। আহত ব্যক্তিদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে বাস ও ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছেন।

মাগুরায় ইউপি নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষে নিহত ৪

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে মাগুরা সদর উপজেলার জগদল ইউনিয়নে মেম্বার পদে প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জগদল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এই সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন।

নিহতরা হলেন- রহমান মোল্লা (৫৫), সবুজ মোল্লা (৫২), কবির মোল্লা (৫০), ইমরান হোসেন (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জগদল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার নজরুল ইসলাম। তবে দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সেখানে নজরুল ইসলামের প্রতিপক্ষ দলের হাসানকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

মাগুরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হতাহতদের মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি ক্লাস না করিয়ে বেতন তুলছেন পাঁচ বছর ধরে

তিনি ২০১৬ সালে চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন। আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ২০১৪-২০১৫ সেশনে।

এক সহকর্মী জানান, ২০১৬ সালে রায়না স্কুলে যোগ দিয়ে তিনমাস নিয়মিত ক্লাস নিয়েছেন। এরপর স্কুলে যাননি টানা তিন বছর। ২০২০ সালের মার্চে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগে ছয় মাস মাঝেমধ্যে আসতেন। করোনা শুরু হলে অন্যান্য শিক্ষকরা স্কুলে এলেও তিনি আসেননি এক দিনের জন্যও।

স্কুলটির একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘আমরা সারা বছর পরিশ্রম করে যে বেতন পাই, রায়না তার কিছুই না করেও একই বেতন পাচ্ছেন।

‘রায়না সরকারি চাকরি করে কর্মস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার বিষয়টি গোপন করেছেন, আবার অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়েও চাকরির ব্যাপারটা গোপন করেছেন। তিনি একসঙ্গে দুটি অপরাধ করেছেন।’

রায়নার ফেসবুক প্রোফাইল চেক করে দেখা যায়, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার তথ্য সেখানে উল্লেখ করেছেন। তিনি ময়মনসিংহে বসবাস করছেন এবং সেখানে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর ছবি নিয়মিত আপডেটও করেন।

চাঁনপুর এলাকার একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা শুধু জানি মেহবুরা রায়না নামে একজন শিক্ষিকা এই স্কুলে চাকরি করেন। তবে শুরুতে তাকে কয়েকদিন দেখেছি, পরে আর কোনোদিন স্কুলে আসতে দেখিনি। করোনা শুরুর আগে আবার কয়েকদিন স্কুলে আসতে দেখেছি। পরে আর দেখা যায়নি।’

 

 

চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী রায়নার নামও বলতে পারেনি। কারণ জানতে চাইলে সে বলে, ‘হেই ম্যাডাম পহেলা কয়েকদিন ইস্কুলে আইছে, পরে আর আইছে না। হের লাইগ্যে হেই ম্যাডামের নামটা মনে নাই।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘মেহবুবা রায়না বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কারণে ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তার ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়। পরে তাকে বিদ্যালয়ে যোগদানের অনুমতি দেয়া হয়।’

তিনি জানান, রায়না চাকরিতে যোগ দেয়ার পর তিনি বিভিন্ন মেয়াদে শুধু মেডিক্যাল ছুটি কাটিয়েছেন ২১৩ দিন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর স্কুল খোলার পর ১২ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে ২৩ সেপ্টেম্বর তার কৈফিয়ত তলব করা হয়। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তিন কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়।

এরপর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তালুকদার বিষয়টি তদন্ত করেন৷ তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি জানান, রায়না ওয়ার্কশিট বিতরণ ও মূল্যায়ন এবং অভিভাকদের সঙ্গে যোগাযোগ সংক্রান্ত কোনো কাজেও অংশগ্রহণ করেননি৷ তাকে প্রধান শিক্ষক ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা জানালেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি।

পরে রায়নার বেতন বন্ধ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করেন মফিজুল ইসলাম। আর গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর মেহবুবা রায়নাকে শোকজ করা হয়। ২৭ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে এর জবাব দেন রায়না। কিন্তু জবাব সন্তোষজনক মনে না হওয়ায় রায়নার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ফাইলটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) সুব্রত কুমার বণিক  বলেনন, ‘রায়নার ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে একটি অভিযোগ আমার অফিসে এসেছে। আমি এখন ছুটিতে আছি। অফিসে গিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

তিনি বলেন, ‘রায়না যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রী সেটি আমাদের অজানা ছিল। এ বিষয়েও খোঁজ নেয়া হবে।’

এ বিষয়ে কথা বলতে মেহবুবা রায়নার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। পরে মেসেজ দিয়েও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

তার হোয়াটস অ্যাপ এবং ফেসবুক মেসেঞ্জারে একাধিকবার বার্তা পাঠানোর পর তিনি  প্রতিবেদকে ব্লক করে দেন।

কুমিল্লার ঘটনা সরকারের পরিকল্পিত : রিজভী

কুমিল্লার ঘটনা সরকার পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ব্যর্থতা আড়াল করে বিশ্বে নিজের ভাবমূর্তি ভালো করার জন্য সরকার এটা করেছে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলা‌দেশ জাতীয় দলের উদ্যোগে ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের’ দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘ক‌ুমিল্লার ঘটনা ঘটা‌নোর কারণ হলো আওয়ামী লীগের ব্যর্থতা, গণতন্ত্রহীনতা আর জোর-জবরদস্তি করে ক্ষমতা দখল করে থাকার জায়গা থেকে বিশ্বে নিজের ভাবমূর্তি ভালো করা। তারা দেখাচ্ছেন, এই দেশে সাম্প্রদায়িক যাই হোক আমরা কঠোরহস্তে দমন করতে পারি। কাল থেকে প্রধানমন্ত্রী ও অন্য মন্ত্রীরা তা-ই বলছেন। তার মানে কুমিল্লার ঘটনা পরিকল্পিত, সাজানো ও চক্রান্তমূলক।’

‌রিজভী ব‌লেন, ‘এশিয়ার মধ্যে চালের দাম এখন সবচাইতে বেশি বাংলাদেশে। পেঁয়াজ, মরিচ, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর দাম হু হু করে বাড়ছে। গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এটা সরকারের নিয়ন্ত্রণের কথা দূরে থাক সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছে। দেশে গণতন্ত্র নেই, কথা বলার অধিকার নেই, ভোটের অধিকার নেই। তার উপর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়াচ্ছে। আর এটা থেকে দেশের জনগণের দৃষ্টি সরানোর জন্য কুমিল্লার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’

রিজভী বলেন, ‘আমাদের দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায় আমাদের অতীত ঐতিহ্য অনুযায়ী বন্ধুত্বের বন্ধনীর মধ্য দিয়ে যেকোনো উস্কানি রুখব। আমাদের দৃঢ় বন্ধন আমরা বজায় রাখব। এই সরকারের উস্কানির মুখে আমরা কেউ কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবো না। কারণ আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির।’

রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধের ব্যাপারে জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে রিজভী বলেন,
‘প্রেস ক্লাব মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার একটি জায়গা। গণতন্ত্রকামী মানুষ প্রেস ক্লাবের দাঁড়িয়ে তাদের অধিকারের কথা বলতে পারে। আর সাংবাদিকরা দু’লাইন হলেও লিখতে পারে। কিন্তু এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিরল ঘটনা।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে সভা করা নিষেধ করা হয়েছে এর একটি কারণ হলো দেশে গুম, খুন, হত্যা ঘটবে, কিন্তু তোমরা কোনো কথা বলতে পারবে না। মানববন্ধন করতে পারবে না। প্রেস ক্লাবের অডিটোরিয়ামে কোনো সভা করতে পারবে না। কথা বলার জন্য যে ন্যূনতম জায়গা ছিল আজ সেটাও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এহসানুল হক হুদার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ প্রমুখ।

১১ ঘণ্টা পর ফোরজি ইন্টারনেট আবার চালু

প্রায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা বিভাগে মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টার পর ব্যবহারকারীরা তাদের মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন।

মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও ইন্টারনেট সেবা চালু হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। বলেছেন, বিকেল ৪টার পর ঢাকায় ইন্টারনেট সেবা চালু হয়েছে। থ্রিজি ও ফোরজি সেবা নিতে পারছেন গ্রাহকরা।

তবে, এখন শুধু ঢাকা বিভাগেই ইন্টারনেট সেবা চালু হয়েছে, বাকি বিভাগগুলোতে আগের মতোই বন্ধ আছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগেও ইন্টারনেট সেবা সচল হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে, ভোর চারটার দিকে হঠাৎ করেই দেশের প্রায় সব জেলায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকেই মুঠোফোনের গ্রাহকেরা দ্রুতগতির থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছিলেন না। এতে ভোগান্তিতে ছিলেন তারা।

পরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর পক্ষ থেকে কারিগরি ত্রুটির কথা জানানো হয়। বলা হয়, কারিগরি ত্রুটির কারণে সারা দেশের সব মোবাইল অপারেটরের ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। বিকেল নাগাদ ইন্টারনেট সেবা ঠিক হতে পারে।

মা-বাবা ও ভাইকে হত্যার কথা স্বীকার সাদ্দামের

বাড়ির চার শতক জায়গা নিয়ে ক্ষোভ থেকে মা-বাবা ও ভাইকে হত্যা করেছে সাদেক হোসেন সাদ্দাম। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সাদ্দাম। ১৫দিন আগ থেকে হত্যার পরিকল্পনা করে সে। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত বুধবার রাতে নৃসংশভাবে মা-বাবা ভাইকে হত্যা করেছে। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধম্য সোনাপাহাড় এলাকায় এমন আলোচিত ট্রিপল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় বাদি হয়ে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেছেন নিহত নুরুল মোস্তফা সওদাগরের একমাত্র মেয়ে জুলেখা। নিহতরা হলেন, স্থানীয় নতুন বাজারের মুদি ব্যবসায়ী নুরুল মোস্তফা সওদাগর (৬০), তার স্ত্রী জোসনা আক্তার (৫০) ও তাদের মেজ ছেলে আহমদ হোসেন (২৫)।

এদিকে একসাথে এভাবে একঘরের তিনজনকে উপর্যপুরি চুরিকাঘাতে হত্যার বিষয়টি মেনে নিতে পারছেনা এলাকাবাসী। পুরো এলাকায় শোকের পাশপাশি মানুষকে উদ্বিগ্ন দেখা গেছে। তারা আর কোথাও এমন ন্যাক্কাজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয় এজন্য প্রশাসনের কাছে ঘাতক সাদ্দামের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করেছেন।

পুলিশের কাছে সাদ্দামের জবানবন্দিমূলক স্বীকারোক্তিার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকের ব্রিফিং করেছেন পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিরসরাই সার্কেল) মোহাম্মদ লাবিব আব্দুল্লাহ ও জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর হোসেন মামুন।

পুলিশ জানায়, বসত বিটার ১২ শতক জায়গার মধ্যে ৪ শতক মোস্তফা লিখে দেন তার মেজ ছেলে আহম্মদ হোসেনকে। হত্যার প্রধান কারণ এটি। ১৫দিন আগে থেকে হত্যার পরিকল্পনা করে বড় ছেলে সাদেক হোসেন সাদ্দাম। এজন্য সে তার কর্মস্থল চট্টগ্রামের বায়েজিদ থেকে একটি নতুন ছুরি ক্রয় করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সে বুধবার সন্ধ্যায় বাড়িতে আসে। যদিও সে চাকরী থেকে সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বাড়িতে আসতো। এরপর সে বুধবার শেষ রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় প্রথমে বাবাকে কুপিয়ে খুন করে। এরপর মা ঘুম থেকে জেগে উঠা মাত্র মাকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। এরপর বিষয়টি টের পেয়ে পাশের কক্ষ থেকে দৌড়ে আসার পর ছোট ভাই আহম্মদ হোসেনকে একই কায়দায় খুন করেছেন। ৩ জনই ঘটনাস্থলে মারা গেছে। তারপর সে ঘরের ছাদে উঠে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে এলাকাবাসী তার আওয়াজ শুনে ছুটে আসে।

এলাকার বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন বলেন, একদম ছোটবেলা থেকে আশপাশে যাদের দেখতে দেখতে বড় হয়েছি, তাদের মধ্যে কেউ এমন নিষ্ঠুরভাবে খুন হয়ে গেলে তা কারোরই ভালো লাগার কথা না। পরিবারের বড় ছেলেটিই তার মা-বাবাকে খুন করেছে; যারা তাকে পৃথিবীর মুখ দেখিয়েছিল। যে ছোট ভাইটি তাকে ভাইয়া বলে ডেকে ডেকে বড় হয়েছে, সেই আদরের ভাইটিকেও রক্তাক্ত করে খুন করা হলো। এখন পর্যন্ত সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা সংক্রান্ত পারিবারিক কলহের জের ধরে এই নিষ্ঠুর বলে শুনছি। জানি না এর পেছনে আরো কোনো কারণ থাকতে পারে কি না। তবে যত কারণই থাকুক, নিস্তব্ধ গভীর রাতে (হয়তো) ঘুমের ঘোরে মা-বাবা ও ভাইকে এভাবে খুন করা যায়!? আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্যের বন্ধনটা সেই কবে থেকেই নড়বড়ে। এখন এর রক্তাক্ত পরিণতি দেখতে হচ্ছে!

এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম, মাহমুদ হাসান বলেন, এমন ঘটনা আগে পত্র-পত্রিকায় দেখেছি। কিন্তু আজ বাড়ির পাশে একসাথে তিনজনকে খুন করার ঘটনা দেখেছি। সম্পত্তির জন্য নিজের ছেলে কিভাবে মা-বাবা ও ভাইকে খুন করতে পারে?


 

কান্দাহারে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ৩২

আফগানিস্তানের দক্ষিণে কান্দাহারে এক শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে ৩২ জন নিহত হয়েছে। শুক্রবার শহরের শিয়া মুসলমানদের বৃহত্তম বিবি ফাতিমা মসজিদে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণের ঘটনায় আরো ৪৫ জন আহত হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়।

হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ দায়িত্ব স্বীকার করেনি।

আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কারি সাইদ খোসতি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘আমরা ব্যথিত যে কান্দাহার শহরের ফার্স্ট ডিস্ট্রিক্টে আমাদের শিয়া ভাইদের মসজিদে এক বিস্ফোরণ হয়েছে যাতে আমাদের বিশাল সংখ্যক নাগরিক শহীদ ও আহত হয়েছেন।’

তিনি জানান, তালেবানের বিশেষ বাহিনী ইতোমধ্যেই ওই স্থানে মোতায়েন করা হয়েছে। তারা ঘটনার প্রকৃতি তদন্ত করছে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের জন্য সন্ধান করছে।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, তিনি তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। একটি মসজিদের মূল প্রবেশপথে, অপরটি মসজিদের দক্ষিণে এবং তৃতীয় একটি বিস্ফোরণ ওজুখানা থেকে শোনেন বলে জানান তিনি।

মোবাইলে নেই ইন্টারনেট, চলছে ব্রডব্যান্ড

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোবাইল ফোনে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাচ্ছে না বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে সব অপারেটরে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। তবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট যথারীতি ব্যবহার করা যাচ্ছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাচ্ছে না বলে শুনেছি। হয়তো কোনো অনিবার্য পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যেটা এড়ানো যায়নি। তবে আমার মনে হয়, সমস্যাটি বেশিক্ষণ থাকবে না।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এমনটা হয়ে থাকতে পারে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সব ধরনের ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ে সমস্যা পড়েছেন গ্রাহকরা। অনেকেই জরুরি ই-মেইলও চেক করতে পারছেন না। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকতে পারে।