নাসির-তামিমার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন

ঢাকা: ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসাইন, তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি এবং তাম্মির মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে এ আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত জাহান।

 

আদালত এ বিষয়ে আদেশ পরে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

 

এদিন মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসানকে ডিভোর্স দেওয়া সংক্রান্ত কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। নাসিরকে বিয়ের আগে রাকিবকে ডিভোর্স দেননি তামিমা। স্বামী থাকা অবস্থায় অবৈধ বৈবাহিক সম্পর্ক দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে তারা ৪৬৮/৪৭১/৪৯৪/৪৯৭/৫০০/৩৪ ধারায় অপরাধ করেছেন মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে। এ প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পর বাদীপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে।

 

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়ায় মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, তা রাকিবের নজরে আসে। পরে মিডিয়ায় তিনি ঘটনার বিষয়ে জানেন।

মামলায় আরও বলা হয়, তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার শিশু কন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আসামিদের এমন কর্মকাণ্ডে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে।

টঙ্গী সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্ম দিন পালন ও দোয়া অনুষ্ঠিত

গাজীপুর মহানগর ৫৭ নং ওয়ার্ডে  সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজে গত মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী গণতন্ত্রের মানষ কন্যা দেশ নেত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম শুভ জন্ম পালন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ – জনাব মোঃ ওয়াদুদুর রহমান। অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, সহকারী প্রধান শিক্ষিকা জাহানারা বেগম, ভোকেশনাল ইনচার্জ জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান, সহকারী শিক্ষক জনাব মোঃ আলতাফ হোসেন সহ অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলী এবং ছাত্রছাত্রী। অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া করা হয়।

বঙ্গবন্ধুকে কটুক্তি: টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ বিক্ষোভ মিছিল

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে নিয়ে কটুক্তি করায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের (গাসিক) মেয়রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

পরে মহাসড়ক অবরোধ করে টায়ারে আগুন দিয়ে প্রায় ৩০মিনিট ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুইপাশ অবরোধ করে রাখে বিক্ষোভকারীরা।

শনিবার  বিকেলে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের চেরাগআলী এলাকায় এই বিক্ষোভ কর্মসুচী পালন করা হয় এবং বিক্ষোভকারী নেতাকর্মীরা গাসিক মেয়রকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন ও বহিষ্কারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বিক্ষোভকারী নেতাকর্মীরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে নিয়ে কটুক্তিকারী ও গাজীপুর মহনগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বিরুপ মন্তব্যকারী এবং দেশে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার সুনাম ক্ষুন্নকারী জামাত বিএনপির এজেন্ট নব্য রাজাকার প্রতারক শাহেদ ও হেলেনা জাহাঙ্গীরের সহযোগী গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বহিষ্কারের দাবী জানান।

যতদিন পর্যন্ত গাসিক মেয়রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য গত ২১সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক চার মিনিটের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। চার মিনিটের ওই ভিডিওতে শুরুতেই বলতে শোনা যায়, মেয়র জাহাঙ্গীরকে মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করতে শোনা যায়। তার দাবি, বঙ্গবন্ধু তার স্বার্থে এই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। পাকিস্তান ভাঙার পেছনে রাষ্ট্রপতি হওয়ার বাসনা কাজ করেছে বলেও মনে করেন মেয়র জাহাঙ্গীর আলম।

ফিলিস্তিন ছাড়তে ইসরায়েলকে ‘এক বছর’ সময় দিলেন আব্বাস

ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাস অধিকৃত ফিলিস্তিন ভূ-খণ্ড থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহার করে চিরতরে চলে যেতে শুক্রবার ইসরায়েলকে এক বছর সময় দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, অন্যথায় ১৯৬৭ পূর্ব সীমান্তের ওপর ভিত্তি করে ইহুদি এ রাষ্ট্রকে আর মেনে নেবেন না। খবর এএফপির।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভার্চুয়ালি দেওয়া এক ভাষণে আব্বাস ‘আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন আয়োজনে’ জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানান।

তবে এমন সম্মেলন আয়োজনের অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি এ ব্যাপারে তিনি এক ধরনের আল্টিমেটাম ও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা দখলদার শক্তি ইসরায়েলকে পূর্ব জেরুজালেমসহ ১৯৬৭ সালে অধিকৃত ফিলিস্তিন ভূ-খণ্ড থেকে চলে যেতে এক বছর সময় দিয়েছি।’

আব্বাস আরো বলেন, জাতিসংঘ প্রস্তাব অনুযায়ী ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের চূড়ান্ত মর্যাদা দেয়ার বিষয় নিয়ে সৃষ্ট সংকট সমাধানের বিষয়ে ‘এ বছর জুড়ে কাজ করতে ’ ফিলিস্তিনিরা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, তবে এ সময়ের মধ্যে সংকট সমাধান না হলে ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে ইসরায়েলের স্বীকৃতি কেন বজায় রাখতে হবে?

ফিলিস্তিনি নেতা আরো বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভূমি দখলের বৈধতা প্রশ্নে ফিলিস্তিনিরা আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে।

মধ্যপ্রাচ্যের মাঝামাঝি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান অর্জনের শান্তি প্রক্রিয়া বছরের পর বছর ধরে স্থবির হয়ে পড়ে রয়েছে।

ফিলিস্তিনি নেতার এমন দাবি অবশ্য ইসরায়েল তাৎক্ষণিকভাবে উড়িয়ে দিয়েছে।

গাসিক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে প্রমান করতে হবে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার নয়- মহানগর আওয়ামী সভাপতি

জাহাঙ্গীরকে প্রমাণ দিতে হবে ভিডিও তার না: আজমত উল্লা খাঁন

গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান বলেন, ‘উনি (জাহাঙ্গীর আলম) বলেছেন ওই ভিভিও অসত্য। কিন্তু বক্তব্যের কণ্ঠ তো তার। তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে এই ভিডিও তার না।’

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও বানোয়াট বলে গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম পার পাবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান।

ভিডিওটি অনুযায়ী, ঘরোয়া একটি আয়োজনে মেয়র জাহাঙ্গীর বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এমন সব কথা বলেছেন, যা মেনে নিতে পারছেন না আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।

ভিডিওটির শুরুতে মেয়র জাহাঙ্গীরকে মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করতে শোনা যায়। তার দাবি, বঙ্গবন্ধু তার স্বার্থে এই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। পাকিস্তান ভাঙার পেছনে রাষ্ট্রপতি হওয়ার বাসনা কাজ করেছে বলেও মনে করেন ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা।

তার ধারণা, বাংলাদেশ স্বাধীন না হয়ে ব্রিটেনের সঙ্গে থাকলে পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত জাতি থাকত এখানকার মানুষ।

 

দুই দিন ধরে তারা মেয়রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সময় জাহাঙ্গীর ছিলেন দেশের বাইরে। গত রাতে দেশে ফিরে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, এই ভিডিও বানোয়াট, কথা কেটে কেটে বসানো হয়েছে। ভিডিওগুলো ফেসবুক থেকে ডিলিট করার আহ্বান জানিয়েছেন, বলেছেন, নইলে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

তবে তার এই বক্তব্যে বিক্ষোভ থামছে না। দ্বিতীয় দিনের মতো নেতা-কর্মীরা সড়ক অবরোধ করেছেন। রেললাইনেও আগুন দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করেছেন।

যারা বিক্ষোভে নেমেছেন, তাদের মধ্যে আজমত উল্লাহর অনুসারীই বেশি। তিনি নিজেও বলেছেন, যে ধরনের কথা জাহাঙ্গীর বলেছেন, সেটা আওয়ামী লীগের কারও পক্ষে মানা কঠিন।

মেয়র দেশে ফিরে যে বক্তব্য রেখেছেন, তার প্রতিক্রিয়ায়  আজমত বলেন, ‘মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে প্রমাণ করতে হবে যে এই ভিডিও তার না।’

তিনি বলেন, ‘উনি (জাহাঙ্গীর আলম) বলেছেন ওই ভিভিও অসত্য। কিন্তু বক্তব্যের কণ্ঠ তো তার। তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে এই ভিডিও তার না।’

গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে আজমত সভাপতি আর জাহাঙ্গীর সাধারণ সম্পাদক। তিনি জানান, তার ডেপুটির বিষয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলেছেন।

কেন্দ্রীয় নেতারা কী বলেছেন, এমন প্রশ্নে আজমত বলেন, বিষয়টি বলা তার উচিত হবে না। তবে নেতারা সবাই খুবই রাগান্বিত হয়েছেন বলে জানান।

আজমত বলেন, ‘আমি এ বিষয়টি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমকে জানিয়েছি। বিষয়টি শোনার পর তারা অত্যন্ত ক্ষিপ্ত হয়েছেন। তারা অনেক রিঅ্যাক্ট করেছেন।’

তবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক উনাকে কী বলেছেন সে বিষয় কোন কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

 

বঙ্গবন্ধু্কে নিয়ে কটুক্তি গাসিক মেয়রের বহিষ্কারের দাবীতে অবরোধ মহাসড়ক

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে নিয়ে কটুক্তি করায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনেও বিক্ষোভ মিছিল করেছে টঙ্গীর স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।


এসময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা টঙ্গীর চেরাগ আলী, কলেজগেট, হোসেন মার্কেট, গাজীপুরাসহ টঙ্গীর বিভিন্ন স্থানে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন এবং গাসিক মেয়রের কুশপুত্তলিকা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা গাসিক মেয়র পদ থেকে বহিষ্কারের দাবী জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪ থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ পর্যন্ত) প্রায় দুই ঘন্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন।
এসময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে নিয়ে কটুক্তিকারী ও গাজীপুর মহনগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বিরুপ মন্তব্যকারী এবং দেশে দুইটি
গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার সুনাম ক্ষুন্নকারী জামাত বিএনপির এজেন্ট নব্য রাজাকার প্রতারক শাহেদ ও হেলেনা জাহাঙ্গীরের সহযোগী গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বহিষ্কারের দাবী জানাচ্ছি।

ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে নারীর মৃত্যু

 

 

গাজীপুর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন দত্তপাড়া বর্ণমালা এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় এই নিহতের ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম, তাহমিনা বেগম (৩৮) পিতা- আওয়াল হোসেন, সাং- জয়পুর, নুর ইসলাম মিয়ার বাড়ি ,থানা- হোমনা জেলা- কুমিল্লা বর্তমান ঠিকানা- বর্ণমালা, রবিউলের বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা- টঙ্গী পূর্ব গাজীপুর।

স্থানীয়রা জানান, রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটার ঢাকাগামী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সাথে বাড়ি খেয়ে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করেন। পরবর্তীতে রেলওয়ে পুলিশ লাশ হেফাজতে নেন। আইনি ব্যবস্থা শেষে লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাবেদ মাসুদ জানান, ট্রেনের ধাক্কায় নিহত নারীর লাশ রেল পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

গাজীপুরে গাসিক মেয়রের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল ও মহাসড়ক অবরোধ

হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটুক্তি করায় ও গাজীপুরের শীর্ষ আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করার প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিল করেছে গাছা থানা আওয়ামীলীগ, অঙ্গ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন। বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে নগরীর বোর্ডবাজার এলাকায় গাসিকের ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডলের নেতৃত্বে এই কর্মসুচী পালিত হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা গাসিক মেয়রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন  শ্লোগান দিয়ে ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এসময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে নিয়ে কুটুক্তিকারী ও গাজীপুর মহনগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বিরুপ মন্তব্যকারী এবং দেশের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার সুনাম ক্ষুন্নকারী জামাত বিএনপির এজেন্ট নব্য রাজাকার প্রতারক শাহেদ ও হেলেনা জাহাঙ্গীরের সহযোগী গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বহিষ্কারের দাবী জানাচ্ছি।

ইস্পাত কারখানায় ৫ শ্রমিক দগ্ধ

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি : টঙ্গীতে এক ইস্পাত কারখানায় লোহা গলানো সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৫ শ্রমিক মারাত্মক আহত হয়েছে। আহত শ্রমিকদের আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টায় টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় অবস্থিত এস.এস ষ্টীল মিলকারখানায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, মুনতাসির (৩২), বিল্লাল হোসেন (৩০), সাগর (৩৫), সোহেল (৪০), আকবর (৪৫) ও আসাদুল (৪০)।
টঙ্গী পশ্চিম থানার এসআই মো. জিয়াউর রহমান জানান, সাধারণতো লোহাকে গলানোর জন্য চুম্বোকের সাহায্যে আগুনের চুল্লিতে ফেলানো হয়। বুধবার সকালে চুম্বোকের সাহায্যে লোহাকে গলানোর জন্য আগুনের চুল্লিতে ফালানোর সময় আগুনের ফুলকি এসে শ্রমিকদের গায়ে লাগে। এতে পাঁচ শ্রমিক আহত। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
এস.এস ষ্টীল মিলের জেনারেল ম্যানেজার রাসেল বাবু জানান, কারখানায় লোহা গলানোর সময় পাঁচ শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহতদের কারখানায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

কি ঘটেছে আফগানিস্তানে-বারাদার জিম্মি, আখুন্দজাদা নিহত?

আফগানিস্তানের ক্ষমতা কাঠামোর শীর্ষ এক এবং দুই নম্বরে থাকা তালেবানের দুই নেতাকে ঘিরে এক ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। আফগানিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা বারাদারকে কি কান্দাহারে জিম্মি করে রাখা হয়েছে? তালেবানের প্রধান হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা কি নিহত হয়েছেন?

সোমবার ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য স্পেকটেটরের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

চলতি মাসের শুরুর দিকে কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হাক্কানি নেটওয়ার্কের একজন নেতার আক্রমণের শিকার হন তিনি। এরপর থেকে বারাদারকে জনসম্মুখে খুব বেশি দেখা যায়নি। গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয়-মালিকানাধীন টেলিভিশনে এসে নিজের আহত কিংবা নিহত হওয়ার খবরকে ‌‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দেন মোল্লা বারাদার।

কিন্তু পর্যবেক্ষকরা যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ম্যাগাজিন দ্য স্পেকটেটরকে বলেছেন, ‘তিনি যে বার্তা দিয়েছেন সেটি জিম্মি ভিডিও বার্তার মতো মনে হয়েছে।’

ব্রিটিশ এই ম্যাগাজিন বলেছে, ‘মোল্লা বারাদার উপজাতীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন; যারা তাকে সমর্থন করেন। কিন্তু একই সময়ে রাষ্ট্রীয়-মালিকানাধীন টেলিভিশন নেটওয়ার্কে একটি বিবৃতি পাঠে তাকে বাধ্য করা হয়েছে। ওই টেলিভিশনের নিয়ন্ত্রণ এখন তালেবানের হাতে রয়েছে।’

বারাদার কি পরাজিত?

দ্য স্পেকটেটর বলেছে, তালেবান ক্ষমতায় আসার পর নতুন সরকারের প্রধান হিসেবে মোল্লা বারাদারের নাম শোনা গেলেও আফগানিস্তানে সরকার গঠনের আলোচনার সময় তিনিই ছিলেন প্রধান ক্ষতিগ্রস্ত। প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে সরকার গঠনের আলোচনা-সহিংসতার পর তাকে উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

হাক্কানিদের সঙ্গে আলোচনার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়; সেই সময়ই বারাদারকে উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার মতো বড় পদক্ষেপ নেয় তালেবান।

আফগানিস্তানের নতুন সরকারে সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর আরও বেশি সংশ্লিষ্টতা চেয়েছিলেন বারাদার। এছাড়া তালেবানের পতাকার পাশাপাশি আফগানিস্তানের পতাকাও উড়ানোর যুক্তি দিয়েছিলেন তিনি।

আলোচনায় মোল্লা বারাদার অন্তর্ভুক্তিমূলক মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব দেন; যে মন্ত্রিসভায় অ-তালেবান নেতা, জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি চেয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, এ ধরনের মন্ত্রিসভা গঠন করা হলে পুরো বিশ্বের কাছে তা বেশি গ্রহণযোগ্য হবে। কিন্তু বৈঠকের এক পর্যায়ে চরমপন্থী গোষ্ঠী হাক্কানি নেটওয়ার্কের নেতা খলিল উল রহমান হাক্কানি তার চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান এবং মোল্লা আব্দুল গনি বারাদারকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন।

দ্য স্পেকটেটর বলেছে, ওই সময় বারাদার ও হাক্কানির সমর্থকদের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের টেবিলে রাখা চায়ের বিশাল ফ্ল্যাস্ক ও অন্যান্য আসবাবপত্র পড়ে যায়। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের সূত্রগুলো বলছে, পরে তাদের দেহরক্ষীরা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ঢুকে একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকেন। এতে অনেকে নিহত এবং আহত হন।

এই ঘটনার পর অক্ষত অবস্থায় রাজধানী কাবুল ছেড়ে কান্দাহারে তালেবানের ঘাঁটিতে তাদের সর্বোচ্চ ও আধ্যাত্মিক নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার কাছে চলে যান বারাদার।

এ বিষয়ে অবগত কয়েকজন বলেছেন, মন্ত্রিসভা গঠনের আলোচনার সময় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের প্রধান জেনারেল ফাইজ হামিদ কাবুলে ছিলেন; তিনি বারাদারের পরিবর্তে হাক্কানিদের সমর্থন দেন। যদিও শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পাকিস্তানের কারাগারে আট বছর বন্দি থাকা বারাদারকে মুক্ত করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন।

দ্য স্পেকটেটর বলেছে, আইএসআই প্রধান আফগানিস্তানের নতুন সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ পদ পাকিস্তানের অনুগতদের জন্য নিশ্চিত করেন।

সরকারের প্রধান পদগুলোতে চরমপন্থী গোষ্ঠী হাক্কানি নেটওয়ার্কের সদস্যদের নিয়োগ দেয়া হয়। এছাড়া দোহা শান্তি আলোচনায় যারা অংশ নিয়েছিলেন নতুন সরকারে তারা উপেক্ষিত হন।

মাথাবিহীন তালেবান?

বারাদার কান্দাহারে থাকলেও হায়বাতুল্লাহ আখুন্দজাদা কোথায় আছেন তা এখনও জানা যায়নি। তালেবান বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, আখুন্দজাদা শিগগিরই জনসম্মুখে আসবেন; কিন্তু এখন পর্যন্ত তাকে দেখা যায়নি। আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে।

আখুন্দজাদা হয়তো মারা গেছেন সেই গুজবও তুলে ধরেছে ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য স্পেকটেটর। ২০১৩ সালেও একই ধরনের গুজব ছড়িয়েছিল তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের মৃত্যু ঘিরে। ওমরের মৃত্যুর তথ্য প্রায় দুই বছর পর ২০১৫ সালে স্বীকার করে তালেবান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোল্লা হাসান আখুন্দর কোনও ক্ষমতা নেই বলেই মনে হচ্ছে। এর অর্থ- ২০ বছর আগের শাসনকালের তুলনায় কার্যত মাথাবিহীন তালেবান এখন আফগানিস্তান নিয়ন্ত্রণ করছে। পাশাপাশি আফগানিস্তানে ক্রমবর্ধমান ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠা হাক্কানিদের লাগাম টানার চ্যালেঞ্জও ভারী হচ্ছে তালেবানের জন্য।