ফ্লাইটে লন্ডন যাওয়ার কথা ছিল।বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয় চিত্রনায়িকা নিপুণকে।লন্ডন যেতে না পারা বাকি দুজন হলেন হবিগঞ্জের মো. গাফফার খান লিটন ও মিলন মিয়া।
দেশে প্রথমবারের মতো রিওভাইরাস শনাক্ত
দেশে প্রথমবার রিওভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। পাঁচজনের শরীরে এই ভাইরাস পেয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। আজ শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন।
তাহমিনা বলেন, শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বড় কোনো জটিলতা দেখা যায়নি। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন পাঁচজনই। একই সঙ্গে ভাইরাসটি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।
বেশি আক্রান্ত হয় শিশু ও বয়স্করা। দেশে অনেক এনকেফেলাইটিস রোগী পাওয়া গেছে। কিন্তু কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। এই গবেষণা এসব রোগীর চিকিৎসায় কাজে দেবে।
লন্ডনে খালেদা জিয়া কে বরণ করে নেন তারেক রহমান
উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বুধবার বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ৫৫ মিনিটে তাকে বহনকারী কাতারের আমীরের পাঠানো বিশেষ এয়ার এম্বুলেন্স লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। হিথ্রো বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়াকে ভিআইপি প্রটোকল দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
এ সময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানিয়ে বরণ করে নেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা।
এছাড়া যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ হাই কমিশনের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার হযরত আলী খান।
এর আগে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪৬ মিনিটে কাতারের আমিরের পাঠানো বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেন খালেদা জিয়া। বিমানবন্দরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা তাকে বিদায় জানান।
লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন খালেদা জিয়া
দেড়ঘণ্টার জার্নি শেষে বিমানবন্দরে পৌঁছালেন খালেদা জিয়া। রাত সোয়া ৮টায় গুলশান থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন খালেদা জিয়া। নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে রাত পৌনে এগারটায় ভিআইপি গেট দিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছান খালেদা জিয়।
তবে প্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখতে রাজধানীর গুলশান-২ এবং বনানীর রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন হাজারো নেতাকর্মী। তাদের মিছিল-স্লোগানে উত্তাল গুলশান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর গুলশান-বনানী এলাকা ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে গেছে, বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য রাত সোয়া ৮টায় গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বের হন খালেদা জিয়া।
রাত ৯টার মধ্যে বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন এবং রাত ১০টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে লন্ডনের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন। তবে তাদের প্রিয় নেত্রীকে বিদায় জানাতে বিকেল থেকেই গুলশানে বাসার সামনে দফায় দফায় মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়াকে লন্ডন বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর সফরের মধ্যে দিয়ে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে দীর্ঘ ৭ বছর পর দেখা হতে যাচ্ছে মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার বড় ছেলে তারেক রহমানের।
চিকিৎসা প্রসঙ্গে খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়াকে লন্ডন বিমানবন্দরে রিসিভ করতে আসবেন বড় ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী এবং লন্ডন বিএনপির নেতারা। বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়াকে সরাসরি লন্ডন ক্লিনিক হাসপাতালে নেওয়া হবে। সেখানে তার চিকিৎসা চলবে।
পদত্যাগের ঘোষণা জাস্টিন ট্রুডোর
নিজ দলের ভেতরে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার দেশটির রাজধানী অটোয়ায় নিজ বাসভবনের বাইরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
ঘোষণায় ট্রুডো বলেছেন, তার দল লিবারেল পার্টি একজন উত্তরসূরী বেছে নেওয়ার আগ পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের দায়িত্বে থাকবেন তিনি।
এর আগে দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল রোববার তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সোমবারের মধ্যে লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
জাস্টন ট্রুডো ২০১৩ সালে লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেসময় কানাডিয়ান এই দলটি গভীর সমস্যায় পড়েছিল এবং প্রথমবারের মতো হাউস অব কমন্সে তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছিল।
২০১৫ সালের নির্বাচনে জিতে প্রথমবারের মতো কানাডার প্রধানমন্ত্রী হন ট্রুডো। তারপর আরও দু’টি নির্বাচনে জয়ের সুবাদে টানা প্রায় ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার পর পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ৫৩ বছর বয়সী এই নেতা।
রয়টার্স বলছে, ট্রুডোর এই পদত্যাগের ফলে দেশটির ক্ষমতাসীন এই দলটিকে এমন এক সময়ে স্থায়ী প্রধান ছাড়াই রাজনৈতিক মাঠে ছেড়ে দেবে যখন জরিপগুলোতেও দেখা যাচ্ছে যে-চলতি বছরের অক্টোবরের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে লিবারেলরা রক্ষণশীলদের কাছে খারাপভাবে হেরে যাবে।
ঢাকা ছাড়বেন খালেদা জিয়া
উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার রাত ১০টায় লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
জাহিদ হোসেন বলেন, মঙ্গলবার রাত ১০টায় কাতারের আমিরের পাঠানো বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিমানে তিনি লন্ডন যাবেন। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকার হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে।
ডা. জাহিদ বলেন, লন্ডন ক্লিনিক নামক অনেক পুরাতন হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে ভর্তি করা হবে। এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি হাসপাতালে যাবেন তিনি। চিকিৎসকরা সেখানে খালেদা জিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। তাদের (চিকিৎসক) পরামর্শে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
লন্ডন বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানসহ লন্ডন বিএনপির দুই নেতা রিসিভ করার কথা রয়েছে বলেও জানান দলের স্থায়ী কমিটির এ সদস্য।
পনেরো বছরের দুঃশাসন বাংলাদেশের ইতিহাস বদলে দিয়েছে—–এম আব্দুল্লাহ
৩-৫টি শৈত্যপ্রবাহ থাকবে জানুয়ারির আবহাওয়া
ছাত্রশিবিরের কাউন্সিল পাতানো ও নাটকপূর্ণ, অভিযোগ ছাত্রদল সম্পাদকের
ছাত্রশিবিরের কাউন্সিল পাতানো ও নাটকপূর্ণ, অভিযোগ ছাত্রদল সম্পাদকে ছাত্রশিবিরের কাউন্সিল ‘পাতানো এবং নাটকপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। নেতৃত্ব কারা আসবেন সেটি আগে থেকে নির্ধারিত থাকে বলেও অভিযোগ তার।
মঙ্গলবার প্রকাশ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাহিদুল ইসলাম সভাপতি নির্বাচিত এবং নুরুল ইসলাম সেক্রেটারি জেনারেল মনোনীত হন।
শৃঙ্খলাবহির্ভূত আচরণের বিষয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর বার্তা দিয়েছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন পদমর্যাদার কিছু সরকারি কর্মচারীর বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে সমাবেশ, অবস্থান ধর্মঘট, মানববন্ধন, কলম বিরতিসহ বিবিধ কর্মসূচি পালনের কারণে সরকারি কর্মচারীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে উল্লেখ করা হয়েছে ওই বার্তায়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এতে বলা হয়েছে, ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে, সরকারের কোনো কোনো সিদ্ধান্ত, আদেশ বা সংস্কার কার্যক্রমের বাস্তবায়ন সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিবেচ্য বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিরূপ মন্তব্যসহ বিবৃতি প্রকাশ করা হচ্ছে, যা সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর পরিপন্থী।
সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ৩০ নং বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী (এ) সরকারের অথবা কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ পালনে জনসমক্ষে আপত্তি উত্থাপন করতে বা যেকোনো প্রকারে বাধা প্রদান করতে পারবেন না, অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে তা করার জন্য উত্তেজিত বা প্ররোচিত করিতে পারবেন না।
(বি) সরকারের বা কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ সম্পর্কে জনসমক্ষে কোনো অসন্তুষ্টি বা বিরক্তি প্রকাশ করতে অথবা অন্যকে তা করার জন্য প্ররোচিত করতে অথবা কোনো আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে বা অন্যকে অংশগ্রহণ করার জন্য প্ররোচিত করতে পারবেন না।
(সি) সরকার বা কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ পরিবর্তন, বদলানো, সংশোধন বা বাতিলের জন্য অনুচিত প্রভাব বা চাপ প্রয়োগ করতে পারবেন না।
সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর যেকোনো বিধান লঙ্ঘন সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। কোনো সরকারি কর্মচারী এ বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি অসদাচরণের দায়ে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আওতায় আসবেন। সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আচরণের বিষয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।
