শোক সংবাদ
মন্ত্রণালয়ে বিস্ফোরণ: আফগানিস্তানের মন্ত্রী নিহত
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন দেশটির শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানি। কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
বুধবার কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বিস্ফোরণে মন্ত্রীর প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটেছে বলে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন হাক্কানির ভাতিজা আনাস হাক্কানি।
নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়ে দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানিসহ তার কয়েকজন সহকর্মী নিহত হয়েছেন।
আফগানিস্তানে তালেবানের দুই দশকের বিদ্রোহের সময় সবচেয়ে সহিংস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিচিত দেশটির সশস্ত্র সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক। মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানির ভাই জালালউদ্দিন হাক্কানি এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
বিস্ফোরণে নিহত খলিল উর-রহমান হাক্কানি দেশটির তালেবান নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানির চাচা।
২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সৈন্যদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এরপর দেশটির ক্ষমতায় আসে সশস্ত্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠী তালেবান। আফগানিস্তানের এই গোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশটিতে সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে।
তবে দেশটিতে মধ্যপ্রাচ্য-ভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অনুসারী ইসলামিক স্টেট খোরাসান (আইএস-কে) সক্রিয় রয়েছে। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রায়ই আফগানিস্তানের বেসামরিক নাগরিক, বিদেশি এবং তালেবান কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে বন্দুক ও বোমা হামলা চালিয়ে আসছে। -সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।
টঙ্গীর নিউ অলিম্পিয়া টেক্সটাইল মিলস্ এর ২৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলাকারী আসামীরা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বাদীপক্ষকে হুমকির প্রতিবাদে টঙ্গীতে সংবাদ সম্মেলন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলাকারী ও তাদের ইন্দনদাতা আসামীরা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিত অপপ্রচার, বাদীপক্ষকে হুমকি ও গভীর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে টঙ্গীতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।টঙ্গীর চেরাগআলী মার্কেটে স্থানীয় একটি হোটেলে গতকাল রোববার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উত্তরায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনে যোগ দিয়ে চোখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুলিবিদ্ধ আহত আব্দুল্লাহ আল মামুনের পিতা আসান উল্লাহ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, টঙ্গী সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এÐ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মোধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন গত ৪ আগস্ট উত্তরা বিএনএস টাওয়ারের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনে যোগ দেন। এসময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাকর্মীরা এবং ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যান্য দোসররা ছাত্রদের ওপর চারদিক থেকে আক্রমন চালায়। এতে আব্দুল্লাহ আল মামুন চোখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুলিবিদ্ধ হন। তাকে প্রথমে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলায় অন্ধত্ববরণকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আব্দুল্লাহ ভবিষ্যতে আমাদের মাঝে হয়তো ফিরে আসলেও সে আর পৃথিবীর আলো দেখতে পারবে না, আজীবন পরিবারের বোঝা হয়ে থাকবে।
তিনি আরো বলেন,আওয়ামী লীগ ও এর প্রত্যেকটি অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা এবং তাদের পরিবারের প্রত্যেকটি সক্ষম সদস্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর সর্বাত্মভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আওয়ামী লীগ পরিবারের কিশোর ছাত্র-অছাত্ররাও চিহ্নিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদ সরকারের সৈনিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। গত ৪ আগস্ট উত্তরা বিএনএস টাওয়ারের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিলে অংশগ্রহনকারী মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর হামলাকারী ও ইন্দনদাতাদের ব্যাপারে যথা সম্ভব তথ্য সংগ্রহ করেই আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করি। ওই দিনের হামলায় আওয়ামী পরিবারের একাধিক কিশোর সদস্যও অংশ নিয়েছিল। আমরা তাদের মধ্যে একজন কিশোরের নাম-পরিচয় সনাক্ত করে মামলার এজাহারে উল্লেখ করি। ওই কিশোরকে তার বাবার (আওয়ামী লীগ নেতা) সাথে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দেখেছেন এমন একাধিক সাক্ষীও আছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ওই কিশোরকে মামলায় আসামী করার অজুহাতে অন্যান্য আসামীরা মামলাটিকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে এবং বাদীপক্ষকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি বাদীপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবীকে নিয়েও ফ্যাসিবাদের দোসররা পরিকল্পিত অপপ্রচারে নেমেছে। মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল-মামুনসহ ছাত্র-জনতার রক্তের দাগ মূছতে না মূছতেই ফ্যাসিবাদের দোসররা একের পর এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মামলায় একজন কিশোর অপরাধীকে আসামী করায় তারা জনমনে সহানুভূতি সৃষ্টির নানা অপকৌশল নিয়েছে। অথচ একজন মেধাবী ছাত্র অন্ধত্ববরণ করলেও এব্যাপারে তাদের কোন আপসোস বা ভ্রæক্ষেপ নেই। বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের সময় কবরবাসী মৃতব্যক্তি, হাসপাতালে ভর্তি গুরুতর রোগী ও বিদেশে অবস্থানরত বিরোধী দল ও ভিন্ন মতের অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে বহু মিথ্যা মামলা হলেও তখন আমাদের দেশের অধিকাংশ মিডিয়া চুপ ছিল। এখন আমাদের ভুল ধরার জন্য মিডিয়ার অভাব নেই। হয়তো আমাদের মামলার এজাহারে বর্ণিত ২০৩ জন আসামীর মধ্যে তথ্যগত ভুলের কারণে কারোর নাম আসতেই পারে। স্বাক্ষ্য-প্রমাণ বা তদন্তেই ঘটনায় আসামীদের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হবে। কিন্তু দু’একটি নাম নিয়ে পরিকল্পিত বিতর্ক সৃষ্টি করে পুরো মামলাটিকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য আসামীদের সাম্প্রতিক অপতৎপরতা খুবই রহস্যজনক। এই অপপ্রচারের মূল হোতা গাজীপুর জেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি, টঙ্গী পাইলট স্কুল এÐ গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ ফ্যাসিবাদের দোসর আলাউদ্দিন মিয়াসহ মামলার আলোচিত কিশোর আসামীকে গ্রেফতার করে কিশোর সংশোধনীতে প্রেরণসহ অন্যান্য আসামীদেরও গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।
জন্মদিনে নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ
জন্মদিনে নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হলেন। গাজীপুরের বিশিষ্ট চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ।
আজ রোববার নির্লোভ রাজনীতিবিদ, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি এবং আমজাদ আলী সরকার পাইলট বালিক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ডাক্তার নাজিম উদ্দিন আহমেদের ৮৩ তম জন্মদিন উদ্যাপন উপলক্ষে টঙ্গীর হোন্ডা রোডস্থ গনস্বাস্থ্য হাসপাতাল মাঠে তার পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া, মিলাদ ও প্রীতিভোজের আয়োজন করে। আয়োজিত অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন ডাক্তার নাজিম উদ্দিন আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোজাম্মেল হক, জাতীয় সাংবাদিক সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব নাসির উদ্দীন বুলবুল, বিশিষ্ট শিল্পপতি রুবেল সরকার, টঙ্গী প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আতিক ও সাংবাদিক বৃন্দ, বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ কাজী সেলিম, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ । উপস্থিত অতিথিবৃন্দ জন্মদিনে ডাক্তার নাজিম উদ্দিন আহমেদকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামস (এইচটিএস) দেশটিকে ‘মুক্ত’ ঘোষণা করেছে
এর আগে আজ রবিবার ভোরে বিমানে করে পালিয়ে যান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ।
সূত্র : বিবিসি, আলজাজিরা
রেলের দখল করা জমি ৫ দিনের মধ্যে ছাড়ার নির্দেশ
আজ বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. আলী আকবরের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।
সেখানে বলা হয়, সরকার বাংলাদেশ রেলওয়ের অবৈধভাবে দখলকৃত ভূমি দখলমুক্ত করার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূমিতে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবৈধভাবে নির্মিত সব স্থাপনা বা অবকাঠামো ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজ উদ্যোগে অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করা হলো। ওই সময়ের পরে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূমি অবৈধ দখল মুক্তকরণে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্রিটিশ শাসনামলের বেঙ্গল রেলওয়ে থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে বিশাল ভূসম্পদ পেয়েছিল রেলওয়ে। তাদের হিসাবে, জমি রয়েছে ৬১ হাজার ৮৬০ দশমিক ২৮ একর। এর মধ্যে রেলওয়ে অপারেশন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ৩০ হাজার ৭৬৮ দশমিক ৫১ একর জমি। এ ছাড়া লাইসেন্স ও লিজকৃত জমি রয়েছে ১৩ হাজার ২৩ একর। দখলকৃত জমির পরিমাণ ১২ হাজার ৫৪৩ একর।
সাবেক রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম জানিয়েছিলেন রেলের প্রায় ২৩ হাজার একর জমি বেদখলে রয়েছে।
গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিতে অনুরোধ শিক্ষা উপদেষ্টার
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নিতে অনুরোধ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। গতকাল রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পাঠানো এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
চিঠিতে শিক্ষা উপদেষ্টা লেখেন, ‘কয়েক দিন আগে উপাচার্যরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভায় এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনার জন্য একত্রিত হয়েছিলেন। দেখা গেছে, গুচ্ছ পরীক্ষার পক্ষে-বিপক্ষে বিবিধ যুক্তি আছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে এ পদ্ধতির সংশোধন করারও সুযোগ থাকবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে থাকলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যে অভিভাবক ও ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে গুচ্ছ পরীক্ষা পদ্ধতি বহাল রাখার পক্ষে স্মারকলিপিও পেয়েছি। এ পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের জন্য গুচ্ছ পরীক্ষা পদ্ধতিতে ভর্তির ব্যবস্থা করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে আপনাকে সবিনয় অনুরোধ করছি।’
এর আগে ২৭ নভেম্বর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সভা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সভা শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সর্বজনগ্রাহ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতো। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের দূর-দুরান্তে গিয়ে একাধিক ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হতো। এতে ভোগান্তির সঙ্গে খরচও বেড়ে যেত। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্ষোভ ছিল।
দীর্ঘদিনের আলোচনা, চেষ্টা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের নির্দেশনায় ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে অংশ নেয় কৃষি ও কৃষি শিক্ষাপ্রধান সাত বিশ্ববিদ্যালয়। এ ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা পরীক্ষা দিতে হয় না। একটি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী তার যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী গুচ্ছে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেন।
পরে একইভাবে ৩ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ২৪টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা নেয়। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের কারণে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আর গুচ্ছ পদ্ধতিতে থাকতে রাজি নয়।
বর্তমানে দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ৫৭টি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ১১৫টি। এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে ১৪০টি। এর বাইরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ৮৮০টি কলেজে স্নাতক (সম্মান) ও ডিগ্রি পাস কোর্স পড়ানো হয়। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন মাদ্রাসা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজে স্নাতক (সম্মান) পড়ানো হয়।
দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা নিতে গত বছর ন্যাশনাল টেস্টিং অথোরিটি (এনটিএ) নামে আলাদা কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর জন্য আলাদা নীতিমালাও করে ইউজিসি। তবে নীতিমালা নিয়ে নানা আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত ধমকে যায় সে উদ্যোগ।
গাজীপুরে হোটেলে গ্যাসের চুলা লিক হয়ে বাবুর্চিসহ ৩ জন দগ্ধ
গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজার তৃপ্তি হোটেলে গত শুক্রবার গ্যাসের চুলা বিস্ফোরণে বাবুর্চিসহ ৩ জন দগ্ধ হয়েছে। গুরুর আহত বাবুর্চি আলম আহমেদকে (২৩) একটি প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, হোটেলের দ্বিতীয় তলায় রান্নাঘরে গ্যাসের চুলা লিক হয়ে চুলার চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় বাবুর্চি আলম আহমেদ, সহকারী বাবুর্চি মাহিদুল ও কথিত ছানির মা আহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় তায়রুন্নেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। গুরুতর আহত বাবুর্চি আলম আহমেদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং মাহিদুল ও ছানির মাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। বাবুর্চি আলম আহমেদের উভয় পায়ের হাঁটুর নিচে পেছনের অংশ দগ্ধ হয়েছে। এদিকে আলো-বাতাস বিহীন বদ্ধ ভবনে হোটেলটির রান্না বান্নার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় প্রতিবেশীরাও আতঙ্কে থাকেন বলে থানায় অভিযোগ করেছেন। হোটেলটিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।