শপথ নেওয়ার আগেই গাজায় যুদ্ধবিরতি চান ট্রাম্প
এ সপ্তাহে ইসরায়েল সফর করেন লিন্ডসে গ্রাহাম। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে তিনি বলেন, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে ট্রাম্প আগের চেয়ে অনেক বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করেন। আর এতে জিম্মি মুক্তির জন্য একটি চুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ইসরায়েল ও সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং ইরানের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক সামরিক জোটের মতো লক্ষ্যে মনোযোগ দেওয়ার আগে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ট্রাম্প গাজায় যুদ্ধবিরতি দেখতে চান—এমনটাই মন্তব্য করেন সিনেটর গ্রাহাম।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলা করে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস। ওই দিনই গাজা উপত্যকায় পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। সেই শুরু, সর্বাত্মক যুদ্ধ এখনো চলছে। ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত নারী–শিশুসহ ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতিতে প্রস্তুত হামাস
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এবার একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। গোষ্ঠীটির এক শীর্ষ নেতা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত হামাস। ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওই শীর্ষ কর্মকর্তা একই সঙ্গে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধবিরতিকেও স্বাগত জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হামাসের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা মিশর, কাতার এবং তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছি যে, হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং জিম্মি-বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে একটি চুক্তি করতে আন্তরিকভাবে প্রস্তুত।’ তবে তিনি, অভিযোগ করেন—ইসরায়েলই এই চুক্তি বাধাগ্রস্ত করছে।
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, হিজবুল্লাহর সামরিক সমর্থন হারানোর বিষয়টি হামাসকে শান্তির জন্য সমঝোতায় আসতে চাপ দেবে। তবে, জেরুসালেমের মতে, হামাস দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধবিরতির পক্ষে থাকার দাবি করলেও, তারা জিম্মিদের নিয়ে ইসরায়েলের দাবিগুলি মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা বলছেন, গাজায় সেনা অবস্থানের বিষয়ে ইসরায়েলের দাবি একটি বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে এবং উভয় পক্ষই অচলাবস্থার জন্য দায়ী।
আর আগে, আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। প্রাথমিকভাবে এই যুদ্ধবিরতি চলবে ৬০ দিন। এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েল জানায়, গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও তারা হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইসরায়েল-হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অনুমোদন দেয়। বিষয়টি সুখবর আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, এই যুদ্ধবিরতি স্থানীয় সময় আজ বুধবার ভোর ৪টা থেকে কার্যকর হবে এবং এটি লেবাননের জন্য এক ‘নতুন সূচনা।’
গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘এই যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলকে গাজায় এবং ইরানের হুমকি মোকাবিলার দিকে মনোযোগ দিতে সাহায্য করবে এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পুনরায় অস্ত্র-গোলাবারুদ ও রসদ সংগ্রহ করার সুযোগ দেবে।’ নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘হিজবুল্লাহ সংঘর্ষ থেকে সরে এলে, হামাস একা পড়ে যাবে। আমরা তাদের ওপর আরও বেশি চাপ প্রয়োগ করব।’
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা হামাসকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করব, আমাদের সব বন্দীকে ঘরে ফিরিয়ে আনব। নিশ্চিত করব যে, গাজা আর ইসরায়েলের জন্য হুমকি হবে না এবং আমরা উত্তরের বাসিন্দাদের নিরাপদে তাদের ঘরে ফিরিয়ে আনব।’
এদিকে, ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইসরায়েল-হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতির প্রসঙ্গ টেনে বাইডেন বলেন, ‘এই যুদ্ধবিরতি গাজার সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা চুক্তিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে সব ধরনের সহায়তা দেবে।’ এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লেবাননের যুদ্ধবিরতি গাজায় সংঘাত বন্ধ করতে এবং বন্দীদের মুক্ত করতে একটি মাইলফলক হতে যাচ্ছে।
চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় আইনজীবী নিহত, আহত ২৬
পুলিশের গুলিভর্তি ম্যাগাজিন চুরি, ৮ হাজার শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা
গতকাল রোববার পুলিশের উপপরিদর্শক এ কে এম হাসান মাহমুদুল কবীর বাদী হয়ে রাজধানীর সূত্রাপুর থানায় এই মামলা দায়ের করেন।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় মামলার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৪ নভেম্বর ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজসহ বিভিন্ন কলেজের ৭-৮ হাজার শিক্ষার্থী বেআইনি জনতাবদ্ধে মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রসহ দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে। সরকারি অস্ত্রের (পিস্তল) গুলিভর্তি ম্যাগাজিন চুরি, সরকারি ডিউটিতে ব্যবহৃত এপিসি গাড়ি ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করে।
টঙ্গী দলিল লিখক ও ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন বকুল নির্বাচিত
টঙ্গী সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে আজ বৃহস্পতিবার দলিল লিখক ও ষ্ট্যম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। এতে ১৬১ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো: জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো: মুরাদ হোসেন বকুল, সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো: জাহাঙ্গীর আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো: জাহিদ হাসান স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো: নূরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো: ইব্রাহিম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো: জাহাঙ্গীর আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন হাজী মো: ওয়াদুদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো: ফারুক হোসেন, সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মো: আল আমিন মিয়া।
নেতানিয়াহু, গ্যালান্ট ও দেইফের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
হেগভিত্তিক আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ২০ মে প্রসিকিউশন গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন জমা দেওয়ার দিন পর্যন্ত সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের জন্য বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান মে মাসে নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির অনুরোধ করেছিলেন। নেতানিয়াহু ৫ নভেম্বর গ্যালান্টকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করেন।
হামাস গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালানোর পর ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। ইসরায়েলি সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, হামাস যোদ্ধাদের হামলায় এক হাজার ২০৬ জন নিহত হয়, যাদের বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক। অন্যদিকে গাজা ভূখণ্ড শাসনকারী হামাস সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের মধ্যে ১৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে অন্তত ৪৪ হাজার ৫৬ জন নিহত হয়েছে। পাশাপাশি গাজা ভূখণ্ডে আহত হয়েছে এক লাখ চার হাজার ২৬৮ জন।
সূত্র : এএফপি
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ চার বছর হবে এমন কথা বলেননি প্রধান উপদেষ্টা : প্রেসসচিব
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।
বাসে পরিচয় থেকে সাবলেট, টাকা-গয়নার সঙ্গে শিশুকেও নিয়ে গেল নারী
রাজধানীর আজিমপুরে মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টারের বাসায় মাকে বেঁধে রেখে টাকা, গয়নাসহ শিশু সন্তানকে তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, এটা পরিকল্পিত ঘটনা। ৮ মাসের জাইফাকে অপহরণ ও মূল্যবান সম্পদ চুরি করা ছিল উদ্দেশ্য। এ ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হননি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সাবলেট ওঠা নারীকে সন্দেহ করছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার দুপুরে লালবাগ টাওয়ারের পাশে ফারজানা আক্তার নামের এক নারীর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীর স্বামী আবু জাফর ও তাঁর পরিবারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, অপহরণ হওয়া শিশু জাইফা আক্তারের মা ফারজানা আক্তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন বিভাগের স্টেনোগ্রাফার পদে চাকরি করেন। গত ছয় মাস ধরে স্বামী তাঁদের সঙ্গে থাকেন না। নিজের মা, বোন ও সন্তান নিয়ে ফারজানা আক্তার ওই কোয়ার্টারে থাকেন। সকালে এক নারী ও তিনজন পুরুষ তাঁদের বাসায় ঢুকে তাঁকে বেঁধে রেখে দেড় লাখ টাকা, চার ভরি স্বর্ণালংকার এবং বাচ্চাটিকে তুলে নিয়ে যায়।
ফারজানা আক্তার ও তাঁর স্বজনেরা বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার ফারজানা একজন নারীকে এই বাসাতে সাবলেট থাকার জন্য ভাড়া দেন। সাবলেটে ওঠা ওই নারী পরিবহন পুলে চাকরি করেন বলে জানতেন ফারজানা। মাঝে মধ্যেই এক সঙ্গে স্টাফ বাসে চলাফেলা করতেন তাঁরা। কথা বার্তার একপর্যায়ে ফারজানা ওই নারীকে সাবলেট ভাড়া দেওয়ার কথায় রাজি হন। তারপর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারী বাসায় ওঠেন।
স্বজনেরা ও বাসার দারোয়ান বলছেন, বৃহস্পতিবার সকালে ফারজানার মা ও বোন বরিশালে চলে গেলে বাসা ফাঁকা হয়ে যায়। সাবলেটে ওঠা ওই নারী তখন বাইরে বের হন। ৩০ মিনিট পর আসার সময় একটি বস্তা ও তিনজন ছেলেকে নিয়ে বাসায় ঢোকেন।
বাসার নিরাপত্তাকর্মী ইসরাফিল সরকার বলেন, ‘সকালের দিকে তিনি বাচ্চা ও তাঁর মায়ের কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। কিন্তু তিনি কিছু বুঝতে পারেননি। একটু পর শিশুটির মা তাঁর কাছে এসে বলেন, তাঁর বাচ্চাকে নিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় বের হয়ে দেখতে পারেন, শিশুটিকে কোলে করে নিয়ে একজন নারী রাস্তা পার হচ্ছেন। মুহূর্তেই বাচ্চাটিকে নিয়ে সটকে পড়েন নারী। পরে আর তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সিসিটিভি বিশ্লেষণ করে লালবাগ থানার ওসি ক্যশৈনু বলেন, ‘পরিচিত হিসেবে কোনো ডকুমেন্টস না রেখেই মেয়েটিকে সাবলেটে ওঠানো হয়। সেই মেয়েটি আমাদের প্রধান সাসপেক্ট। কিন্তু তাঁর নাম-ঠিকানা বা কোথায় কাজ করত কিছুই বলতে পারছেন না গৃহকর্ত্রী।’
সিসিটিভি ফুটেজে তিনজন পুরুষের সঙ্গে সাবলেট ওঠা ওই নারীকেও বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। পুলিশ তাঁদের শনাক্ত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ওসি।
সচিবালয়ে আহতদের সঙ্গে হাসনাত-সারজিস, হট্টগোলে বৈঠকে দেরী
সরেজমিন দেখা যায়, আহতদের একটি গ্রুপ সভা বয়কট করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আসেন। আহতদের পক্ষ থেকে সভায় কে কে কথা বলবেন, সেই তালিকা করার পরামর্শ দেন তাঁরা। এরপরও আহতদের গ্রুপগুলো নিজেদের পক্ষে কথা বলতে থাকেন।
এদিকে বেলা ২টায় সভা শুরুর কথা থাকলেও বিকেল ৪টা পার হলেও সভা শুরু হয়নি।