গাজীপুর কাঁচামাল আড়ৎদার মালিক গ্রুপের শীতার্ত গরীব অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রতিনিধি,টঙ্গী (গাজীপুর)
গাজীপুর কাঁচামাল আড়ৎদার মালিক গ্রুপের ২০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শীতার্ত গরীব অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।শনিবার দুপুরে স্থানীয় চান্দনা হক মার্কেট এর নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. আজমত উল্লাহ খান। উক্ত সংগঠনের সভাপতি মোঃ আব্দুস সোবাহানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব মোঃ আফজাল হোসেন সরকার রিপন, এসএম মোকসেদ আলম, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ (সাবেক) আঃ বারী, আলহাজ্ব আবুল কাসেম, মোঃ সুলতান মন্ডল, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ কাদির সহ গাজীপুর মহানগর, থানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ, মৎসজীবী লীগ, শ্রমিক লীগের নেতৃবৃন্দ।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজমত উল্লাহ খান বলেন গাজীপুর কাঁচামাল আড়ৎদার মালিক গ্রুপ প্রতিবছর শীতে গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় এটি একটি মহৎ উদ্যোগ, এই রকম উদ্যোগ সকলের নেওয়া উচিত, আমাদের সকলের এমন উদ্যোগ নেওয়া দরকার। গাজীপুর কাঁচামাল আড়ৎদার মালিক গ্রুপ এর বাজার সম্পর্কে তিনি বলেন এগ্রিমেন্ট অনুযায়ী যেহেতু বাজার টি ভাড়ায় নেওয়া সেই অনুযায়ী বাজার মালিক গ্রুপ কে সময় দিতে হবে। আমরা কোন অন্যায় কে প্রশ্রয় দিবো না।
গাজীপুর কাঁচামাল আড়ৎদার মালিক গ্রুপের ২০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ১ হাজার গরীব অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

গাজায় গণহত্যা বন্ধের পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলকে আদেশ দিলেন আন্তর্জাতিক আদালত

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় বর্বর আক্রমণ ও গণহত্যার অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ শুক্রবার সেই মামলায় সাময়িক আদেশ হয়েছে।

রায়ে গাজায় যুদ্ধে গণহত্যার প্রত্যক্ষ উসকানি প্রতিরোধ ও শাস্তির পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং দেশটি কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে তার রিপোর্ট এক মাসের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।

আদালত বলেছেন, ‘গণহত্যা কনভেনশনের অনুচ্ছেদ-২ এর সমস্ত ধারা রক্ষায় ইসরায়েলকে তার ক্ষমতার ব্যবহার করতে হবে।’

আইসিজের ১৭ জনের বিচারক প্যানেলের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে। শুধু গাজায় ইসরায়েলি সামরিক পদক্ষেপ দ্রুত বন্ধের আদেশ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা যা চেয়েছিল তাঁর বেশিরভাগই পূরণ হয়েছে রায়ে।

আদালত ইসরায়েলকে গণহত্যা কনভেনশনের আওতায় পড়তে পারে এমন যেকোনো কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে গাজায় দেশটির সৈন্যরা যাতে কোনো গণহত্যামূলক কাজ না করে সেটিও নিশ্চিত করতে বলেছে।

গণহত্যায় প্ররোচণা দেওয়া ব্যক্তি ও সৈন্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলকে গাজায় মানবিক সাহায্য পাঠানোর অনুমতি দিতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালত ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষার জন্য আরও ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করে কিন্তু স্ট্রিপে সামরিক অভিযান বন্ধ করার নির্দেশ দেয় না।

আদালত অবশ্য গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা ঘটিয়েছে কিনা—এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি। তবে বলেছেন, গাজায় বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের গণহত্যা সনদের আওতায় গণহত্যা থেকে সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে।

গাজায় গণহত্যার অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গত ডিসেম্বরে আইসিজেতে মামলা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই সময় ইসারয়েল মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানায়। চলতি মাসের শুরুর দিকে আইসিজেতে দুই দিনের শুনানি হয়। এরপর আজ আদালত সাময়িক এই আদেশ দিলেন।

আইসিজেতে শুনানির সময় দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ থেকে গাজায় জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলি অভিযান বন্ধ করার নির্দেশ দিতে আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেননি।

টঙ্গীতে দিনব্যাপী পিঠাপুলির মেলা

টঙ্গীর স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাজী সাইদ ল্যাবরেটরি স্কলে দিনব্যাপী পিঠাপুলির মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে লোকজ বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ পিঠাপুলির মেলা অনুষ্ঠিত হয়। পিঠা মেলার উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও টঙ্গী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আতিক। উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খালেদুর রহমান রাসেল। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সোসাইটির মহাসচিব নাসির উদ্দিন বুলবুল, টঙ্গী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব চৌধুরী, আলহাজ্ব ইউসুফ পাঠান, মোক্তার হোসেন সোহেল, আব্দুস সালাম, রোকসানা আতিক, সেনসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সৈয়দ জাকির হোসেন।
শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা এ পিঠা উৎসব উপভোগ করেন এবং হাজার হাজার দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন মুখরিত হয়ে উঠে।
দিনব্যাপী এ পিঠাপুলির মেলায় ১২০ রকমের বাহারি পিঠাপুলি বিক্রয় ও প্রদর্শিত হয়েছে। পরে বিজয়ী পিঠা তৈরী শিল্পীদের মাঝ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

টঙ্গীতে হত্যা মামলার ৪ আসামী গ্রেপ্তার

টঙ্গীতে হত্যা মামলার ৪ আসামী গ্রেপ্তার
টঙ্গী( গাজীপুর)প্রতিনিধি
টঙ্গীর মিলগেট এলাকার নিশাত নগরে শাহ আলী(৩০) নামের একজন যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ গত বৃহস্পতিবার টঙ্গীর বিভিন্ন স্থান থেকে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এজাহার নামীয় ৪জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন ১। শাহ-আলম ২।আবুল হোসেন ৩।লালন ও ৪। মনির হোসেন। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাজীপুর আদালত ২দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
পুলিশ জানায়, হত্যাকান্ডের পর নিহতের বড় বোন হালিমা বেগম বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামীকরে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করে।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ফরিদ জানায়, টঙ্গীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে স্থানীয় মিলগেটে নিশাত নগর বস্তি সংলগ্ন জনৈক আবুল হোসোনের গ্যারেজে শাহ আলীকে জনতা রিকশা চুরি করার অভিযোগে ধরে পিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। নিহতের স্ত্রী ইতি আক্তারের দাবী, তার স্বামী তার সাথে ঘুমিয়ে ছিল। ভোররাতে কে বা কাহারা বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। স্ত্রীর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে আামার স্বামী শাহ আলীকে খুন করা হয়েছে।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোন দায়িত্ব পেলেন

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ৩৭ জন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ জন। এর মধ্যে দুজন টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন)। এ ছাড়া ১১ জন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন।

সদ্যবিদায়ী সরকারের ৮ মন্ত্রীকে আগের দায়িত্বে রেখেছেন শেখ হাসিনা।

আ ক ম মোজাম্মেল হক: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ওবায়দুল কাদের: সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়

আনিসুল হক: আইন মন্ত্রণালয়

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন: শিল্প মন্ত্রণালয়

আসাদুজ্জামান খান কামাল: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মো. তাজুল ইসলাম: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

সাধন চন্দ্র মজুমদার: খাদ্য মন্ত্রণালয়

ইয়াফেস ওসমান (টেকনোক্র্যাট): বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

বিগত কোনো সরকারে মন্ত্রিসভায় থাক ৫ জনকে ফিরিয়ে এনেছেন শেখ হাসিনা। তারা হলেন-

আবুল হাসান মাহমুদ আলী: অর্থ মন্ত্রণালয়

মুহাম্মদ ফারুক খান: বেসামরিক বিমান ও পর্যটন

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ: ভূমি মন্ত্রণালয়

জাহাঙ্গীর কবির নানক: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

সাবের হোসেন চৌধুরী: পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়

একেবারে নতুন মুখ হিসেবে এসেছেন ৭ জনকে মন্ত্রী হিসেবে নতুন সরকারে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারা হলেন-

আব্দুস সালাম: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

র, আ, ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

মো. আব্দুর রহমান: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

আব্দুস শহীদ: কৃষি মন্ত্রণালয়

সামন্ত লাল সেন (টেকনোক্র্যাট): স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়

জিল্লুল হাকিম: রেলপথ মন্ত্রণালয়

নাজমুল হাসান পাপন: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

সদ্যবিদায়ী সরকারে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থেকে পদোন্নতি পেয়ে এবার মন্ত্রী হয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন-

মো. ফরিদুল হক খান: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ফরহাদ হোসেন: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

মহিবুল হাসান চৌধুরী: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

সদ্যবিদায়ী সরকারে দুজন মন্ত্রীর দপ্তর বদল হয়েছে।

মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

দীপু মনি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

পুরনো দপ্তরে থাকছেন চারজন প্রতিমন্ত্রী।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী: নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়

জুনাইদ আহমেদ পলক: ডাক, টেলিযোগ ও তথ্য  প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

জাহিদ ফারুক: পানি সম্পদ

নসরুল হামিদ: বিদ্যুৎ বিভাগ (এবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দায়িত্ব নেই)।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে বাকি সাতজনই নতুন।

সিমিনি হোসেন রিমি: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়

কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

মহিবুর রহমান: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

মোহাম্মদ আলী আরাফাত: তথ্য ও সম্প্রচার

শফিকুর রহমান চৌধুরী: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান

বেগম রুমানা আলী: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

আহসানুল ইসলাম টিটু: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পঞ্চমবার শপথ নিলেন শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পঞ্চমবারের মতো শপথ নিলেন শেখ হাসিনা। বঙ্গভবনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় শেখ হাসিনাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এ শপথের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা পঞ্চম মেয়াদে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিয়ে ইতিহাস গড়লেন। আর টানা চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিল তার দল আওয়ামী লীগ।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

এর আগে শপথ নিতে সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এছাড়া শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন অন্তত ১ হাজার ৪০০ অতিথিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৭ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২২২টি, জাতীয় পার্টি ১১টি, স্বতন্ত্র ৬২ এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) একটি করে আসন পায়। একটি আসনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি।

নতুন মন্ত্রিসভায় শপথের ডাক পেলেন যারা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিনের মাথায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে।

এর আগে বুধবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। গতকাল বিজয়ী সংসদ সদস্যদের মধ্যে ২৯৮ জনের গেজেট প্রকাশের বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন তিনি।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন এবং তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

এতে আরও বলা হয়, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে।

মন্ত্রিসভায়ও থাকছে চমক!

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো আওয়ামীলীগ  নির্বাচিত হয়ে  বুধবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ ও সংসদ নেতা নির্বাচন হবে। পরদিন বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার শপথ সন্ধ্যা ৭টায়। এরপর মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন সরকারের যাত্রা। মনোনয়নের মতো এবার মন্ত্রিসভায়ও থাকবে চমক। আসতে পারে বেশকিছু নতুন মুখ।

এরই মধ্যে মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সচিব মাহবুব হোসেন এমনটাই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘৭ জানুয়ারি নির্বাচন হয়েছে। বুধবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

নতুন মন্ত্রিসভায় দপ্তর পরিবর্তন হতে পারে অনেকের। অনেকে বাদ পড়তে পারেন। এরই মধ্যে ছয়জনের বাদ পড়ার বিষয় মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রমোশন হতে পারে বেশ কয়েকজন প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর।

মন্ত্রিসভায় কারা আসছেন? এনিয়ে মুখ খুলতে নারাজ আওয়ামী লীগ নেতারা। একাধিক নেতা  বলেন, ‘এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। এ বিষয়ে কোনো কমেন্ট করতে চাই না।’ আবার কেউ কেউ বাদ পড়া, যুক্ত হওয়া নিয়ে কথা বললেও নাম প্রকাশ করতে চান না।

কারা হতে পারেন মন্ত্রিসভার নতুন মুখ

বিভিন্ন সূত্র বলছে, এবারের সংসদ নির্বাচনে বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে বাছাই করে মনোনয়ন দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। বিভিন্ন সেক্টরে তাদের বেশ কাজ রয়েছে। তাদের মধ্যে নির্বাচিত হয়ে আসাদের সুনির্দিষ্ট সেক্টরে কাজে লাগাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে আলোচনায় সাবেক আমলা ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাছিম, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক, আইইবির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও আইনের অধ্যাপক ড. সেলিম মাহমুদ, বিমানের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও ক্রিকেটরত্ন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এর বাইরে আঞ্চলিক নেতা হিসেবে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু জাহির, লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নও আলোচনায় আছেন।

কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মির্জা আজম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, রুমানা আলী, ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েলসহ অনেকেই আলোচনায় আছেন।

এছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, সাবেক স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাও আসতে পারেন এবারের মন্ত্রিসভায়।

পুরোনোদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনসহ অনেকে থাকছেন বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। তবে অনেকের দপ্তর পরিবর্তন হতে পারে।

পদোন্নতি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের।

বাদ পড়তে পারেন ডজনখানেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়নেই বাদ পড়েছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এছাড়া মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচিত হয়ে আসতে পারেননি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এই ছয়জন নতুন মন্ত্রিসভায় আসছেন না এমনটা মোটামুটি নিশ্চিত।

তবে আরও কয়েকজন বাদ পড়তে পারেন এই মন্ত্রিসভা থেকে। এর মধ্যে বয়স ও শারীরিক অবস্থার বিবেচনায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, শিল্পপ্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এবং মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নে আওয়ামী লীগ এনেছিল ৯২ নতুন মুখ। বাদ দিয়েছিল ৬৯ এমপিকে। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন মন্ত্রিসভায়ও দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্বের বিবেচনায় তরুণ এবং কাজের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞদের প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে এবার।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী এবং বর্তমানের একই মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেন  বলেন, ‘কাল সংসদ সদস্যদের শপথের মধ্য দিয়ে সবার সব পদ অকার্যকর হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী আমাদের কাকে কোথায় কাজে লাগাবেন, তিনি ভালো জানেন। তিনি যেখানেই দেন আমরা ব্যক্তির স্বকীয়তা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করে যাবো।

নতুন মন্ত্রিসভার বিষয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম  বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কাছে তথ্য নেই। নেত্রী বলতে পারবেন বিষয়টি। আমি কিছু জানি না।’

চাঁদপুর -২ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধান মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জয়

চাঁদপুর -২(মতলব উত্তর- মতলব দক্ষিণ) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধান বিজয় হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী (নৌকা প্রতিক)মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম।

এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী (নৌকা প্রতিক) মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী এম ইসফাক আহসান পেয়েছেন ২১ হাজার ৩৩৫ ভোট।

এ ছাড়াও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে মো. এমরান হোসেন মিয়া পেয়েছেন ১ হাজার ২৬৫ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির একতারা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৯৫৮ ভোট, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) মশাল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৫৮৭ ভোট।

বিএনপি জামাত জোট নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে : মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেছেন,দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বিএনপি জামাত জোট,। তাদের ষড়যন্ত্রে কোনো লাভ হবেনা। নির্বাচন হবে অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু।

তিনি আরও বলেন, আপনারা কোনো ভয় পাবেননা।সুশৃংখল ভাবে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যাবেন।
তিনি বলেন একজন এসে সিরিয়াল ছাড়াই ভোট যুদ্ধে নেমেছে। এতো সহজ নয়। উড়ে এসে জুড়ে বসে এখান থেকে ভোট নিয়ে যাবেন।আপনার আগে অনেকই সিরিয়াল দিয়ে চুল দাড়ি পাকিয়ে বসে আছে।তাদের সিরিয়াল শেষ হউক। তার পর আসবেন ভোট যুদ্ধে। এটা কোন খেলা রংগের খেউলনা এখান থেকে ভোট নিয়ে যাবেন।
ভোটারদের নৌকায় ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয় নিশ্চিত করার আহবান জানান তিনি।

৪ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার বিকালে ছেংগারচর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যাগে নৌকা প্রতীকের উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম ওই কথা গুলো বলেন।

ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন বেপারীর সভাপতিত্বে এবং পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন খাঁনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিল্পপতি শাহজাহান শিকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড, রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর
মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সদস্য, এফবিসিসিআই সহ-সভাপতি রাশেদুল হোসেন চৌধুরী রনি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপ- কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিষ্টার আশফাক চৌধুরী মাহী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন মানিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সদস্য জাঁকিয়া সুলতানা শেফালী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সদস্য ও ছেংগারচর পৌর মেয়র আরিফ উল্লাহ সরকার,জহিরাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, দৈনিক আওয়ার বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক গাজী মুক্তার হোসেন, ছেংগারচর পৌর সভার সাবেক মেয়র রফিকুল আলম জজ, ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ঢালী প্রমূখ।