মোদি সরকার পাঠ্যপুস্তক থেকে মুঘল ইতিহাস মুছে ফেলেছে: ওয়াইসি

রেলস্টেশন ও সড়কের মুঘল ঘেঁষা নাম বদল হচ্ছে বিজেপির শাসন আমলে। এবার বইয়ের পাতা থেকে মুঘল যুগের ইতিহাস বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা লালকেল্লার ইতিহাস, শাহজাহান, কিংবা দীন-ই ইলাহীর ইতিহাস আর পড়বে না।

মুঘল ইতিহাসকে মোদি সরকার পাঠ্যপুস্তক থেকে মুছে ফেলেছে, আর চীন ভারতের বর্তমানকেই মুছে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন পার্টির প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

ভারতে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক থেকে মুঘল ইতিহাস বাদ দেওয়া হয়েছে- এমন অভিযোগ নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে মঙ্গলবার এ কথা বলেন তিনি।

অরুণাচল প্রদেশের ১১টি স্থানের নতুন নামকরণ প্রসঙ্গে ওয়াইসি বলেন, একদিকে মোদি সরকার এনসিইআরটি (ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশন রিসার্স অ্যান্ড ট্রেইনিং) সিলেবাস থেকে মুঘলদের মুছে ফেলছে, অন্যদিকে চীন যার সঙ্গে মোদি জি-২০ ইন্দোনেশিয়ার বৈঠকে হাত মেলাচ্ছিলেন তারা আমাদের বর্তমান মুছে ফেলছে।

এনসিইআরটির ডিরেক্টর দীনেশ প্রসাদ সাকলানি বলেছেন, দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাসের বই থেকে মুঘল সাম্রাজ্যের ওপর পুরো অধ্যায় বাদ দেওয়ার তথ্য মিথ্যা। গত বছর করোনাকালে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করায় মুঘল অধ্যায় থেকে কিছু অংশ বাদ দেওয়া হয়েছিল। তবে এ বছর বই থেকে কোনো অধ্যায় সরানো হয়নি।

 

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীসহ সবাইকে সরকার যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিবে -স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম

ঢাকা: বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীসহ সবাইকে সরকার যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে সচেষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।  রাজধানীর অন্যতম বড় মার্কেট বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে তিনি একথা জানান।এতে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।’তাজুল ইসলাম এ হৃদয়বিদারক ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছে উল্লেখ করে বলেন, এ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীসহ সবাইকে সরকার যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানে সচেষ্ট রয়েছে। ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ ও চিরস্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।

এ সময় বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সবাইকে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সহযোগিতায় আমরা এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবো, ইনশাআল্লাহ। ভবিষ্যতে এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে সবাইকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

এ সময় মো. তাজুল ইসলাম আগুন নিয়ন্ত্রণ ও অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের উদ্ধারে ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের জন্য ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ সাহায্যকারী সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

 

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণেই জেসমিনের মৃত্যু

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণেই র‌্যাব হেফাজতে নওগাঁর জেসমিনের মৃত্যু হয়েছে   বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। গতকাল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. কফিল উদ্দিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। গত রোববার বিকালে নওগাঁর ভূমি অফিসের কর্মচারী সুলতানা জেসমিনের মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। জেসমিনের মৃত্যুর ৯ দিন পর এ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলো।
ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কফিল উদ্দিন বলেন, সুলতানা জেসমিনের মরদেহের ময়নাতদন্তের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তারা ফরেনসিক বিভাগের তিনজন বসেছিলেন। বোর্ড বসিয়ে তারা সেই রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করেছেন। তারপরই এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট মতামত দিয়েছেন। এরপর সেই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গত রোববার বিকালে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, আটকের পর মানসিক চাপ থেকেই তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। আর এ কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে আমরা তার শরীরে দুটো জখম পেয়েছি।

যা খুবই ছোট। এর একটা হচ্ছে কপালের বাম পাশে ছোট ‘কাটা’। যেটার পরিমাণ ২ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ ১ ইঞ্চিরও কম। এ ছাড়া ডান হাতের কনুইয়ের ভেতর দিকে একটি ফোলা জখম ছিল। যেটার সাইজ ২ সেন্টিমিটার। এটা সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের জন্য রোগীর হাতে ক্যানোলা করার সময় হয়। শরীরের শিরা-উপশিরা খুঁজে না পাওয়া গেলে একাধিকবার সিরিঞ্জিং করা হয়। তখন এ ধরনের সোয়েলিং (ফোলা) হয়। তাই জেসমিনের মরদেহের ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত মতামতে আমরা বলেছি- যে দুটি ইনজুরি রয়েছে, তা মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট নয়। তার মৃত্যু হয়েছে ‘শক’ (মানসিক চাপ) থেকে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণেই। 

রামেক ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কফিল উদ্দিন আরও জানান, সুলতানা জেসমিনের মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রথমে গিয়েছিলেন ফরেনসিক বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. তাজনীন জাহান। তারই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার কথা ছিল। তবে তিনি বিভাগীয় প্রধানকেও মর্গে ডাকেন। তার ডাকে বিভাগীয় প্রধান ডা. কফিল উদ্দিন আরেক প্রভাষক জামান নিশাত রায়হানকে সঙ্গে নিয়ে মর্গে যান। পরে জেসমিনের মরদেহ তারা একসঙ্গে দেখেন। এরপর তিনজনের সমন্বয়ে বোর্ড গঠন করে ময়নাতদন্ত করেন।
এর আগে র‍্যাব-৫ এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি দল গত ২২শে মার্চ সকালে জেসমিনকে আটক করে। অফিসে যাওয়ার পথে নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব। ওইদিন দুপুর ১২টার পর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন সুলতানা নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪শে মার্চ সকালে তিনি মারা যান।

জেসমিনের মৃত্যুর পর দিন ২৫শে মার্চ রামেক এর মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জেসমিনের মরদেহ গোসল করানো হয় রাজশাহীতেই। পরে কাফন পরানো মরদেহ কফিনে করে নওগাঁয় নিয়ে যায় র‍্যাব। ওইদিন বিকালে নওগাঁ সরকারি কবরস্থানে র‍্যাবের উপস্থিতিতেই মরদেহ দাফন করেন স্বজনরা।
সরকারের যুগ্মসচিব বর্তমানে স্থানীয় সরকারের রাজশাহী বিভাগের পরিচালক মো. এনামুল হকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে নিয়েই র‍্যাব একটি অভিযান চালায়। এনামুল হকের অভিযোগ, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে জেসমিন ও আল-আমিন নামের এক ব্যক্তি চাকরি দেয়ার প্রলোভন দিয়ে বিভিন্নজনের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেসমিনকে আটক করে র‌্যাব। আর র‍্যাব হেফাজতে এ নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। এরপর ঘটনাটি উচ্চ আদালতের নজরে আসে। তার মৃত্যুর কারণ জানতে আদালতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

প্রয়োজনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী

অনেক সময় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ উঠছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, প্রয়োজন হলে আইনের বিধি সংযুক্ত বা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা আছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রী জানান, দেশে-বিদেশে বা জাতিসংঘে আলোচনায় এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু অপব্যবহার হয়েছিল, সেটা আমরা স্বীকার করে এ বিষয়ে কী পরিবর্তন আনা যায়, সেটি নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আলোচনা এখনো চলমান আছে। সেখান থেকে একটা টেকনিক্যাল নোট এসেছে, আমরা সেটি নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করছি।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের যাতে অহেতুক হয়রানি করা না হয়, সে বিষয়ে একটা পদ্ধতি গ্রহণ করা (উদ্যোগ নেওয়া) হয়েছে। সুধীজনদের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে। এ বিষয়ে ৩০ মার্চ আবারও বসার কথা ছিল, তবে তা স্থগিত করা হয়। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় বসা হবে। সুধীজনরা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ডাটা প্রটেকশন আইন এবং এনজিও ভলেন্টারি নিয়েও একটা আইনের কথা বলেছেন। এসব নিয়েও আলোচনা হবে।

আনিসুল হক বলেন, দেশের কোনো গণমাধ্যম বা সাংবাদিকের বিরুদ্ধ সরকার মামলা করেনি; মামলা হয়েছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, অপরাধের বিরুদ্ধে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বিশ্বের সব দেশে আছে। কিন্তু সেখানে হয়তো সরাসরি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বলা নেই। ডিজিটাল অপরাধ কমাতে এ আইন করেছে সব দেশ।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে অনেক সময় এই আইনের (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ এসেছে। প্রয়োজন হলে আইনের বিধি সংযুক্ত করা বা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের প্রয়োজনীয়তা আছে। গত ১৪ মার্চ এ বিষয়ে সুধীজনদের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে।

প্রচারনায় অংশ না নেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর

 টঙ্গীতে আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারনাকে কেন্দ্র করে ৪৬নং ওয়ার্ডের ৩ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও এক যুবলীগ নেতাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আমির হোসেন আকাশ নামে এক কনফেকশনারী দোকানি। অভিযোগে তিনি প্রচারনায় অংশ না নেয়ায় মারধর ও ভয় ভীতি দেখানোর কথা উল্লেখ করেন। শুক্রবার বিকেলে টঙ্গী পূর্ব থানায় এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। অভিযুক্তরা হলেন, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আনোয়ার হোসেন লিটন মহাজন (৪৩), যুবলীগ নেতা কাইয়ুম সরকার (৪৩), কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আলী হোসেন (৫৫), কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মসিউজ্জামান বাবলু (৫৫), জাকির হোসেন (৪৭) ও শহিদুল ইসলাম (৫৪)।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালীন কনফেকশনারী দোকানি আমির হোসেন আকাশকে অভিযুক্ত প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়ে প্রচারনায় অংশ নিতে বলেন অভিযুক্তরা। এসময় তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের সমর্থনে প্রচারনা চালিয়ে পোষ্ট করতে বলেন অভিযুক্তরা। এতে অপারগতা প্রকাশ করলে আকাশের উপর চড়াও হয়ে মারধর করেন কাউন্সিলর প্রার্থী মসিউজ্জামান বাবলু, কাউন্সিলর প্রার্থী লিটন মহাজনসহ অভিযুক্তরা। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এলে নির্বাচনী প্রচারনা বন্ধ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন অভিযুক্তরা।
এবিষয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী লিটন মহাজন বলেন, এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। প্রতিপক্ষ আমাকে ঘায়েল করতে মিথ্যা অভিযোগ করিয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

জেসমিনের মৃত্যুর ঘটনায় ১১ র‌্যাব সদস্য প্রত্যাহার

নওগাঁয় ভূমি অফিসের কর্মচারী জেসমিন সুলতানার মৃত্যুর ঘটনায় র‌্যাব-৫ এর ১১ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদেরকে ঢাকায় র‌্যাব সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

খন্দকার আল মঈন জানান, এ ঘটনা তদন্তে র‌্যাবের একটি দল রাজশাহীতে রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে নওগাঁ থেকে ১১ জনকে প্রত্যাহার করে সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ওই ১১ জনের মধ্যে একজন মেজর, পুলিশের এএসপিসহ অন্যান্য সদস্য ও গাড়িচালক রয়েছেন।

এর আগে গত ২২ মার্চ সকালে নওগাঁ সদরের নওজোয়ান মাঠের সামনে থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে ৪৫ বছর বয়সী জেসমিনকে তুলে নিয়ে যায় র‌্যাব। পরে গত শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। জেসমিন নওগাঁ সদর উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস সহকারী পদে কর্মরত ছিলেন।

র‌্যাবের দাবি, তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছিল। তবে স্বজনদের দাবি, নির্যাতনে জেসমিনের মৃত্যু হয়েছে। আর জেসমিনের মৃত্যুর পর তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্ম সচিব পদমর্যাদা) এনামুল হক।

টঙ্গীতে সাংবাদিক কার্যালয়ে হামলা

 

গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আই টিভি চ্যানেল ফোরের কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় সংবাদকর্মী মাসুদ সরকারসহ তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায় সন্ত্রাসীরা। গত ২৬ মার্চ বিকেলে টঙ্গীর সাতাইশ শরীফ মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় টঙ্গী পশ্চিম থানায় সাধারন ডাইরি করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক মাসুদ সরকার।

অভিযুক্তরা হলেন, রুমা খান(৪০), মবিন খান(২০), মিরা খান(৩৫) ও আনোয়ার উরফে জমির দালাল আনোয়ার (৪০)।

জানা যায়, স্থানীয় সাতাইশ শরীফ মার্কেট এলাকায় সংবাদকর্মী মাসুদ সরকার ও তার পরিবারের মালিকানাধীন ভবন হিরন টাওয়ারের পার্শ্ববর্তী একটি ডোবা আকৃতির নিচু জমি শিল্প প্রতিষ্ঠান করার লক্ষ্যে চুক্তি ভিত্তিক ভাড়া নেন মাসুদ। পরে বিপুল অর্থ খরচ করে ডোবার সংস্কার কাজ করে বহুতল ভবন তৈরীর উপযোগী করা হলে চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই কাজ করতে বাধা দেন অভিযুক্তরা। নিরুপায় হয়ে বিজ্ঞ আদালতের সরানাপন্ন হন মাসুদ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুদের উপর হামলা চালায় অভিযুক্তরা। এসময় ভবনের নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে দিয়ে কার্যালয়ে ভাংচুর করে অভিযুক্তরা।

ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী মাসুদ সরকার বলেন, আমি ন্যায় বিচারের আশায় আদালতে দ্বারস্থ হয়েছি বিধায় তারা আমার ও আমার পরিবারের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।বর্তমানে আমি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি তাই টঙ্গী পশ্চিম থানায় নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে।

এ ব্যপারে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

নওগাঁয় র‌্যাব হেফাজতে মৃত সুলতানার সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন তলব হাইকোর্টের

নওগাঁর র‌্যাব হেফাজতে সুলতানা জেসমিন (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় পোস্টমর্টেম রিপোর্ট তলব করেছেন হাইকোর্ট।

মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের করা সুরতহাল প্রতিবেদন ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ডাক্তারের করা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন তলব করেছেন হাইকোর্ট। একইসাথে কারা ওই নারীকে আটক করেছিলেন এবং কাদের হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে, তাদের নাম পদবিসহ তথ্য চেয়েছেন আদালত। এছাড়াও তার মৃত্যুর ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কি না সেটি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

এদিকে সরকারের সংশ্লিষ্টদের মঙ্গলবারের মধ্যে এসব প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২৭ মার্চ) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি। তারা (ভুক্তভোগীর পরিবার) কোনো মামলা করেনি।

তখন হাইকোর্ট বলেন, কেন তারা মামলা করবেন? রাষ্ট্রের কী দায়িত্ব নেই? দেশজুড়ে এ ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

একপর্যায়ে হাইকোর্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে বলেন, আমরা ভুক্তভোগী নারীর পোস্টমর্টেম, ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্ট দেখবো, সেটা আগামীকাল নিয়ে আসবেন। আর ওই নারীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে কোন কোন কর্মকর্তা ছিলেন, তাদের সবার নাম-পরিচয় আমাদের সামনে নিয়ে আসবেন। আমরা দেখতে চাচ্ছি, এ ঘটনার সাথে আইনের কোনো গাফিলতি আছে কি না।

এ সময় হাইকোর্ট আরো বলেন, জনগণ তাকিয়ে আছে ন্যায়বিচার দেখতে। আর আমরা আছি ন্যায়বিচার করতে। এরপর আদালত এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দিন ধার্য করেন। সুলতানা জেসমিন নওগাঁ সদর উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে অফিস সহকারী পদে চাকরি করতেন।

র‌্যাবের দাবি, প্রতারণার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার সুলতানা জেসমিনকে আটক করা হয়। আটকের পর অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন। তবে স্বজনদের অভিযোগ, হেফাজতে নির্যাতনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহত সুলতানার মামা এবং নওগাঁ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর নাজমুল হক বলেন, তার ভাগনি বুধবার সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুক্তির মোড় থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে র‌্যাবের লোকজন তাকে ধরে নিয়ে যায়। তবে তাকে র‌্যাবের কোনো ক্যাম্পে নেয়া হয়। সে ব্যাপারে তারা কিছুই জানতেন না। দুপুর ১২টার পর জানতে পারেন যে সুলতানা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখানে গিয়ে তিনি র‌্যাবের লোকজন দেখেন। কিন্তু ভাগনি কোনো কথা বলতে পারছিলেন না। কিছুক্ষণ পর তাকে রামেক হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়। যদিও লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে শনিবার দুপুরের পর।

এ বিষয়ে র‌্যাব-৫ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর নাজমুস সাকিব বলেন, সুলতানার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার একটি অভিযোগ পায় র‌্যাব। তার ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ ছিল। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখে র‌্যাব অভিযোগের সত্যতা পায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুক্তির মোড় এলাকা থেকে র‌্যাবের হেফাজতে নেয়া হয়। কিন্তু আটকের পরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহীতে নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু রাজশাহীতে নেয়ার পর তার অবস্থা আরো খারাপ হয়।

শুক্রবার রামেক হাসপাতালে স্ট্রোক করে তিনি মারা যান। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার দুপুরে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

 

রমজানে আন্দোলনের ডাক দেয়ায় বিএনপির সমালোচনায় প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা রমজান মাসে জনজীবনের পবিত্রতা ও শান্তিকে উপেক্ষা করে আন্দোলনের জন্য বিএনপির আহ্বানের সমালোচনা করে দেশবাসীকে উন্নয়নের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আন্দোলনের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘তারা (বিএনপি) এই রমজান মাসেও আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।’

তাদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তত এই রমজান মাসে তো জনগণকে আন্দোলন থেকে নিস্তার দেন।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আজ সোমবার ৫৩তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি দেশবাসীকে মনে করিয়ে দেন যে রমজান মাসে বেতন বৃদ্ধির আন্দোলনে খালেদা জিয়া ১৭ শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করেছিলেন।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘যারা রমজান মাসে মানুষকে গুলি করে হত্যা করে, তারা রমজান মাসের প্রতি সম্মান দেখাবে কি করে? তাই তো তারা এই মাসে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। পবিত্র রমজান মাস ও মানুষের দুর্ভোগের প্রতি তাদের কোনো অনুভূতিই নেই।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনো ইফতার পার্টি না করে- রমজান মাসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবের জন্য তাদের মধ্যে এই অর্থ ও খাবার বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন দেখে বিশ্ব সম্প্রদায় দেশের প্রতি সম্মান দেখাতে বাধ্য হলেও গণতন্ত্র ও উন্নয়ন না দেখা বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও কয়েকজন তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বর্ণনা করতে বাধ্য হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তার সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং অব্যাহত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কারণে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত ১৪ বছরে বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান এমপি, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীর বিক্রম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক, রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. পারভীন জামান কল্পনা ও অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম এমপি, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে হুমায়ুন কবির ও এসএম মান্নান কচি বক্তব্য রাখেন।

মহান স্বাধীনতা দিবসে কেক কাটলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে কেক কেটেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার বিকালে বঙ্গভবনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কেক কাটা হয়।এ সময় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সহধর্মিণী এবং ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা।এর আগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি প্রথমে এবং পরে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় রাষ্ট্রীয় সালাম জানায় এবং বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে তার দলীয় নেতাদেরকে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনে রাখা দর্শনার্থী বইয়েও স্বাক্ষর করেন।